× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ১৯ নভেম্বর ২০১৮, সোমবার

গণআন্দোলন ছাড়া কোনো উপায় দেখছেন না নজরুল

দেশ বিদেশ

স্টাফ রিপোর্টার | ৯ নভেম্বর ২০১৮, শুক্রবার, ১০:২৪

আলোচনা ও সংলাপে যখন সরকারের আচরণ পরিবর্তন হচ্ছে না তখন গণআন্দোলন ছাড়া কোনো উপায় দেখছেন না বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান। তিনি বলেছেন, সরকারের আত্মরক্ষার জেদের কারণে পরিস্থিতির কাঙ্ক্ষিত কোনো পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে না। জাতীয় প্রেস ক্লাবে বাংলাদেশ লেবার পার্টির এক সংহতি সমাবেশে নজরুল ইসলাম এ কথা বলেন। বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তি ও নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবিতে এই সমাবেশ হয়। সমাবেশে নজরুল ইসলাম খান বলেন, বাংলাদেশ এখন অস্বাভাবিক রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে। যে গণতন্ত্র, সুশাসন ও বৈষম্যহীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার স্বপ্নে মুক্তিযুদ্ধ হয়েছিল, সেই স্বপ্ন বারবার ধূলিসাৎ করে। বারবার ক্ষমতাসীনেরা ও তাদের প্রধান সহযোগী জাতীয় পার্টি গণতন্ত্র হরণ করেছে। আর বিএনপির নেতৃত্বাধীন জোট সেই গণতন্ত্র লড়াইয়ের আন্দোলনে নেমেছে।
নজরুল ইসলাম খান বলেন, সরকার বলে সংবিধানের বাইরে চলা যাবে না। সংসদ বিলুপ্ত করে তফসিল ঘোষণা করার কথা সংবিধানেই বলা আছে। সংসদ ভেঙে দিয়ে নির্বাচনে আসেন। এটা সংবিধানের বাইরের কিছু না। ইভিএমের কথা সংবিধানের কোথায় লেখা আছে? সেনাবাহিনী নিয়োগে বাধা সংবিধানের কোথায় বাধা দেয়া হয়েছে? তিনি বলেন, এই গণতন্ত্রহীনতার যে সংস্কৃতি তা অতিক্রম করতে রাজপথে আন্দোলনের কোনো বিকল্প নেই। সেনাবাহিনীকে ‘স্ট্রাইকিং ফোর্স’ হিসেবে রাখার বিষয়ে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে নজরুল ইসলাম খান বলেন, তারা বলে- সেনাবাহিনী শহরে কোনো একটা স্টেডিয়াম বা মাঠে ভোটের সময় তাঁবু গেড়ে বসে থাকবে। রিটার্নিং অফিসাররা চাইলে তারা গিয়ে নির্বাচনী কাজে সহযোগিতা করবে। রিটার্নিং কর্মকর্তারা তাদের অনুগত হন, তারা কেন বলবে? সেনাবাহিনী তাঁবুতে থাকবে, আর এই সুযোগে তাদের গুণ্ডাপাণ্ডা আর পুলিশ দিয়ে সিল মারবে, এর নাম স্ট্রাইকিং ফোর্স। বরং সেনাবাহিনীকে নির্বাচনের প্রত্যক্ষ কাজে অংশ নিতে দিলেই জনগণ নির্বিঘ্নে ভোট দিতে আসতে পারবে। এতে করে সরকারের জেতার কোনো সম্ভাবনা নেই। নজরুল ইসলাম খান বলেন, চিকিৎসকেরা বলছেন- উন্নত চিকিৎসা না হলে বিএনপি চেয়ারপারসন পঙ্গু হয়ে যেতে পারেন, অন্ধ হয়ে যেতে পারেন। সরকার কী সেটাই চায়? তাকে কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়েছে, তাঁর ব্যক্তিগত চিকিৎসকেরা জানতেই পারলেন না। আজ হোক কাল হোক, সরকারের প্রত্যেকটা কাজের হিসাব জনগণের কাছে দিতে হবে। লেবার পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান ইরানের সভাপতিত্বে সমাবেশে দলটির ভাইস চেয়ারম্যান ফারুক রহমান, আমিনুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, অর্থ সম্পাদক আল আমিন, লেবার পার্টির ছাত্র সংগঠন ছাত্র মিশনের যুগ্ম সম্পাদক শরিফুল ইসলাম প্রমুখ বক্তব্য দেন।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর