× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ১৯ নভেম্বর ২০১৮, সোমবার

শ্রীলঙ্কায় নতুন প্রধানমন্ত্রীকে সমর্থন দেবে না তামিলরা

দেশ বিদেশ

মানবজমিন ডেস্ক | ১০ নভেম্বর ২০১৮, শনিবার, ৯:৩৪

শ্রীলঙ্কায় নবনিযুক্ত প্রধানমন্ত্রী মাহিন্দা রাজাপাকসেকে সমর্থন দেয়ার জন্য প্রেসিডেন্ট মাইথ্রিপালা সিরিসেনা তামিলদের প্রতি যে অনুরোধ করেছিলেন, তা ফিরিয়ে দিয়েছে তামিল দলগুলো। তারা পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছে, বিতর্কিত প্রধানমন্ত্রীকে সমর্থন দেবে না তারা।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, গত মাসে প্রধানমন্ত্রী রনিল বিক্রমসিংহে বরখাস্ত হওয়ার পর থেকে  শ্রীলঙ্কার রাজনীতি উত্তপ্ত রয়েছে। সংকট নিরসনে এ মাসে পার্লামেন্ট অধিবেশন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। বহিষ্কৃত প্রধানমন্ত্রী বিক্রমসিংহে ও নতুন প্রধানমন্ত্রী রাজাপাকসে উভয়ই পার্লামেন্টে নিজের সংখ্যাগরিষ্ঠতার দাবি করেছেন। এমন পরিস্থিতিতে তামিল দলগুলোর সমর্থন বেশ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। নতুন প্রধানমন্ত্রীকে সমর্থন দেয়ার জন্য সম্প্রতি এ দলগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছিলেন প্রেসিডেন্ট সিরিসেনা। তিনি তামিল দলগুলোর জোট তামিল ন্যাশনাল অ্যালায়েন্সের (টিএনএ) সঙ্গে বৈঠক করেন।
এ বিষয়ে টিএনএ’র মুখপাত্র এম এ সুমান্থিরান বলেন, প্রেসিডেন্ট টিএনএকে পার্লামেন্টে ভোট দেয়া থেকে বিরত থাকার অনুরোধ করেছিলেন। কিন্তু আমরা বলেছি, ভোট না দিলে একটি অসাংবিধানিক পদক্ষেপ বৈধতা পাবে। একটি সংখ্যালঘু তামিল দলের নেতা মানো গনেশান বলেন, বৈঠকে প্রেসিডেন্ট তিনটি বিকল্পের কথা বলেছেন। প্রথমত, তিনি বলেছেন, আমরা মন্ত্রিত্ব নিয়ে সরকারে যোগ দিতে পারি।
এতে রাজি না হলে, তিনি আমাদেরকে পার্লামেন্টে নিরপেক্ষ থাকার অনুরোধ করেছেন। সবশেষে তিনি বিক্রমসিংহকে সমর্থন না দেয়ার অনুরোধ করেন। প্রেসিডেন্ট জানিয়েছেন, তিনি বিক্রমসিংহের সঙ্গে কাজ করতে পারবেন না। কিন্তু চূড়ান্তভাবে তামিল দলগুলো প্রেসিডেন্টের কোনো প্রস্তাবেই রাজি হয়নি।
উল্লেখ্য, গত মাসে প্রধানমন্ত্রী রনিল বিক্রমসিংহেকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেন প্রেসিডেন্ট সিরিসেনা। তিনি ওই পদে সাবেক প্রেসিডেন্ট মাহিন্দা রাজাপাকসেকে নিয়োগ দেন। এর পর থেকেই শ্রীলঙ্কার রাজনীতি উত্তপ্ত রয়েছে। আগামী ১৪ই নভেম্বর পার্লামেন্ট অধিবেশন বসার কথা রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, সেখানে ভবিষ্যৎ সরকারের ভাগ্য নির্ধারিত হবে।  

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর