× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ২৪ মার্চ ২০১৯, রবিবার
কোটা সংস্কার আন্দোলনে জড়িত থাকায়

রাবি শিক্ষার্থীকে ছাত্রলীগের মারধর

শিক্ষাঙ্গন

রাবি প্রতিনিধি | ১৩ নভেম্বর ২০১৮, মঙ্গলবার, ৬:৪৪

কোটা সংস্কার আন্দোলনে জড়িত থাকায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) এক শিক্ষার্থীকে মারধর করার অভিযোগ উঠেছে ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ছাত্রলীগের দলীয় টেন্টে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের উপস্থিতিতে এ মারধরের ঘটনা ঘটে।

মারধরের শিকার নাফিউল ইসলাম, বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি বিভাগের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী। মারধরকারীরা হলেন- ছাত্রলীগের সভাপতি গোলাম কিবরিয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক ইমতিয়াজ আহমেদ ও মেহেদী হাসান মিশু। এসময় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ফয়সাল আহমেদ রুনুও সেখানে উপস্থিত ছিলেন বলে জানা গেছে।

ভুক্তভোগী নাফিউল ইসলাম বলেন, সকালে ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ইমতিয়াজ আহমেদ আমাকে ফোন দিয়ে বঙ্গবন্ধু হলের ২২০ নম্বর কক্ষে দেখা করতে বলেন। আমার ইনকোর্স পরীক্ষা থাকায় আমি তখন যেতে পারিনি। পরে পরীক্ষা শেষ হলে ইমতিয়াজ আবার আমাকে ফোন দিয়ে ছাত্রলীগের টেন্টে আসতে বলেন। সেখানে ছাত্রলীগের সভাপতি গোলাম কিবরিয়া ও সাধারণ সম্পাদক ফয়সাল আহমেদ রুনুসহ ১০-১৫ নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। তারা আমার ফেসবুক অ্যাকাউন্ট চেক করে আমাকে মারধর শুরু করেন।

নাফিউল ইসলামের দাবি, আমি কোটা সংস্কার আন্দোলনে সক্রিয় ছিলাম।
আমি আমার ব্যাচের ক্যাপ্টেন ছিলাম। কোটা আন্দোলনের সময় ইমতিয়াজ আমাকে ক্লাস চালু রাখতে বলেছিল। কিন্তু আমি বিভিন্ন সময় ক্লাস বন্ধ করে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে নিয়েছিলাম। এর জেরে তারা আমাকে মারধর করেছে।

তবে মারধরের বিষয়টি অস্বীকার করেন অভিযুক্ত ছাত্রলীগের নেতারা। জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি গোলাম কিবরিয়া বলেন, সম্প্রতি এ শিক্ষার্থী ফেসবুকে বিভিন্ন ধরনের সরকারবিরোধী পোস্ট শেয়ার করছিল। তাই আমরা তাকে ডেকে সাবধান করেছি। মারধরের কোনও ঘটনা ঘটেনি।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর