× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ১৬ ডিসেম্বর ২০১৮, রবিবার

শীতের অলঙ্কার

ষোলো আনা

মো. হৃদয় সম্রাট | ১৬ নভেম্বর ২০১৮, শুক্রবার, ৮:৪৫

হেমন্তের মনোরম আবহাওয়াটা কেমন যেন আস্তে আস্তে শীতল হয়ে যাচ্ছে। এই শীতল আবহাওয়াটা যেন জানান দিচ্ছে কুয়াশার চাদর নিয়ে এগিয়ে আসছে শীত। এই কুয়াশার চাদর অবশ্য একটু একটু করে গ্রাস করে নিচ্ছে ঢাকাকে। ঢাকা আবার নিজেকে তৈরি করে নিচ্ছে এই শীতকে স্বাগত জানাতে।

শীতকে স্বাগত জানানো বলতে আমরা বুঝি প্রচণ্ড ঠাণ্ডার মধ্যে গরম গরম পিঠা খাওয়াকে। এই পিঠাই শীতের অলঙ্কার। ঐতিহ্যের কথা চিন্তা ও শীতকে স্বাগত জানাতে রাস্তায় রাস্তায় পিঠা বিক্রি করে চলেছেন নিজাম উদ্দীন।

দীর্ঘ ১২ বছর ধরে  সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে একটি ছোট  দোকানে চা বিক্রি করেন তিনি। কিন্তু শীত আসলে যেন প্রকৃতির রূপের সঙ্গে পরিবর্তন হয় তার ব্যবসায়ও। তিনি তার ব্যবসায় পরিচালনা করে চলেছেন কাঠের  তৈরি তিন চাকার গাড়িতে করে।

বিকালে যেমন সূর্যটা আস্তে আস্তে ভিড় জমায় মেঘের মাঝে ঠিক  তেমন আস্তে আস্তে মানুষের ভিড় জমতে থাকে টিএসসির আঙ্গিনার পাশের রাস্তার এই দোকানটাতে।
বিকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত চলে তার পিঠা তৈরির ছোট উনুন। পিঠা রসিকদের পছন্দ মতো তৈরি করে দেন পিঠা। পিঠা তালিকার মধ্যে রয়েছে নকশি পিঠা, মালপোয়া, পাকান পিঠা, পাটিসাপটা ছাড়াও ডজনখানেক পিঠা। এগুলোর মূল্য ১০ টাকা থেকে শুরু করে ৩০ টাকা পর্যন্ত।

তার সঙ্গে আলাপচারিতার মাধ্যমে জানতে পারলাম যে, তিনি অনেক দিন আগে থেকেই প্রতি শীতে এই পিঠা তৈরি করে আসছেন। মানুষকে ভেজালমুক্ত পিঠা খাওয়ানোর জন্যই তিনি এই বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছেন।

তিনি বলেন, প্রতিদিন আমার এখানে ১৫০-২০০ লোক পিঠা খেতে আসে। আসলে আমি মনে করি ভালো মানের উপাদান ব্যবহারের কারণেই আমার কাছে এত মানুষ পিঠা খেতে আসে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ফাতিমা আক্তার স্বর্ণা জানান, তিনি প্রতিদিন এই পিঠা খেতে আসেন। এখানকার খাবারের মান অনেক ভালো বলেও তিনি প্রশংসা করেন।

পিঠা বিক্রেতা নিজাম তার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে হাসিমুখে বলেন, আসলে ভাই ইচ্ছাতো অনেক আছে। তবে দোকানটাকে একটা ভালো জায়গায় দেয়ার ইচ্ছাটাই বেশি। পুলিশ এসে মাঝে মধ্যে উঠিয়ে দেয় এখান  থেকে। যদি ভালো একটা জায়গায় দোকানটা দিতে পারতাম তাহলে আর এই সমস্যাটা হতো না।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর