× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ১০ ডিসেম্বর ২০১৮, সোমবার

নীলফামারীতে জোট-মহাজোটে কঠিন সমীকরণ

ইলেকশন কর্নার

দীপক আহমেদ, নীলফামারী থেকে | ১৬ নভেম্বর ২০১৮, শুক্রবার, ৯:৩৩

জোট-মহাজোটের কঠিন সমীকরণ নীলফামারী জেলার অন্তত দুজন সংসদ সদস্যের কপালের ভাঁজ দীর্ঘ করেছে। ৫ই জানুয়ারির নির্বাচনে কপালের সিঁকে ছেঁড়া ওই দুই সংসদ সদস্য মসনদে বসার পর থেকেই নির্বাচনী এলাকায় নানা কারণেই চরম ভাবে বিতর্কিত। আত্মীয়করণ, নিয়োগ বাণিজ্য, আগুন পাটি (পাথর খাওয়া), জামায়াতপ্রীতি, হামলা-মামলা, ভাঙচুর, পাল্টাপাল্টি সংবাদ সম্মেলন নিয়ে এমনিতেই তারা দলের ভেতরে-বাইরে চরম অস্বস্তিতে রয়েছেন। তার ওপর জোট-মহাজোটের ভাগবাটোয়ারা খুরধার এখন তাদের দিকেই শাণিত হচ্ছে বলে এলাকায় জোর গুঞ্জন শুরু হযেছে। ২০০৮ সালের আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন ১৪ দলীয় জোটের কারণে আওয়ামী লীগের ঘাঁটি বলে পরিচিত নীলফামারী-১ (ডোমার-ডিমলা) আসনের ততকালীন এমপি ড. হামিদা বানু শোভার কপাল পুড়ে। জোটের ভাগ-বাটোয়ারায় মনোনয়ন পান রাজনীতির মাঠে একেবারে নবীন খেলোয়াড় শিল্পপতি জাতীয় পার্টির জাফর ইকবাল সিদ্দিকী। পরবর্তীকালে ড. হামিদা বানু শোভাকে সংরক্ষিত মহিলা আসনে এমপি নির্বাচিত করা হয়। ৫ই জানুয়ারির নির্বাচনে এ আসনে ডিমলা উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি আফতাব হোসেন সরকার অনেকটা বিনা বাধায় এমপি নির্বাচিত হলেও একাদশ জাতীয় নির্বাচনে জোট-মহাজোটর কঠিন সমীকরণে ড. হামিদা বানু শোভার ভাগ্যই বরণ করতে চলেছেন এমন গুঞ্জন এখন সর্বত্রই ডালপালা মেলেছে।
এখানে দলীয় কোন্দল এতটাই তীব্র যে, আফতাবউদ্দিন সরকারের বিরুদ্ধে মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন আটজন। সবদিক অনুকূলে থাকায় জাফর ইকবার সিদ্দিকীও বসে নেই। জোর কদমে ছুটছেন ভোটারের দ্বারে দ্বারে। ওদিকে একই অবস্থা জামায়াতের ঘাঁটি বলে পরিচিত নীলফামারী-৩ (জলঢাকা) আসনে। ১৯৯১ সালের নির্বাচনে আজহারুল ইসলাম সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে এ আসনটি আওয়ামী লীগের খরচা খাতায় ঠাঁই পেলেও ৫ই জানুয়ারির নির্বাচনে গোলাম মোস্তফা নির্বাচিত হন। কিন্তু বর্তমান রাজনৈতিক সমীকরণ তার জন্য মোটেও সুখকর নয়। জামায়াতপ্রীতিসহ নানা কারণে তার শক্ত প্রতিপক্ষ যে এখানে অনেক, তার প্রমাণ দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশীর তালিকা। এখানে তার বিরুদ্ধে মনোনয়ন ফরম কিনেছেন সাতজন। যদিও এ আসনটি জোটের সরল সমীকরণে আগের মতো এরশাদের জাতীয় পার্টির দিকেই যাবে, এটা প্রায় নিশ্চিত জেনে আদাজল খেয়ে মাঠে নেমেছেন জাপার বেশ কয়েকজন প্রভাবশালী নেতা। তার মধ্যে ২০০৮ সালে ১৪ দলীয় জোট থেকে নির্বাচিত কাজী ফারুক কাদেরও রয়েছেন।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর