× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ১৬ ডিসেম্বর ২০১৮, রবিবার

চট্টগ্রাম-১৫ আসনে ধানের শীষের মনোনয়ন চান নাজমুল

ইলেকশন কর্নার

স্টাফ রিপোর্টার | ২১ নভেম্বর ২০১৮, বুধবার, ৬:৪৯

একাদশ সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-১৫ (লোহাগাড়া-সাতকানিয়া) আসনে ধানের শীষ প্রতীকে লড়তে চান নাজমুল মোস্তফা আমিন। চারদলীয় জোট সরকারের শেষদিকে যখন দলের তৎকালীন স্থায়ী কমিটির সদস্য কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীরবিক্রম বিএনপি ভেঙে এলডিপি গঠন করেন তখন লোহাগাড়া-সাতকানিয়া বিএনপিতে তার অনুসারীরা সে দলে যোগ দেয়। রাজনৈতিক সে দুর্দিনে বিএনপির হাল ধরেছিলেন তরুন শিল্পপতি নাজমুল মোস্তফা আমিন। রাজনীতি করতে এসে বহু ত্যাগস্বীকার করেছেন। নেতাকর্মীদের আগ্রহ-অনুরোধ সত্বেও স্থানীয় বিএনপিকে কোন্দলমুক্ত ও ঐক্যবদ্ধ রাখতে উপজেলা বিএনপির শীর্ষ পদটি নেননি তিনি। প্রচার সম্পাদক পদ নিয়ে জেলা বিএনপির রাজনীতিতেও সন্তুষ্ট থেকেছেন । সবসময় তৃনমূলে দলকে সুসংগঠিত করতেই সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া যখন রোহিঙ্গাদের পরিদর্শনে কক্সবাজারের উখিয়া গিয়েছিলেন তখন তিনি ফেরার পথে মধ্যরাতে কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়কের একমাত্র লোহাগাড়াতেই নাজমুল মোস্তফা আমিনের নেতৃত্বে বিএনপি নেতাকর্মীরা শোডাউন নেত্রীকে অভিনন্দন জানিয়েছিলেন।

জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক ফৌজুল কবির ফজলু বলেন, দলের দুর্দিনে নেতাকর্মীদের সাপোর্ট দিয়ে যাচ্ছেন, দলের ঐক্য ধরে রেখেছেন তিনি।
চট্টগ্রাম-১৫ আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশীদের মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় ও সর্বমহলের গ্রহনযোগ্য হচ্ছেন নাজমুল মোস্তফা আমিন। সবার প্রত্যাশা তিনি মনোনয়ন পাবেন এবং দীর্ঘদিন পর লোহাগাড়া-সাতকানিয়াবাসী আবারও ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দিতে পারবেন।
জেলা যুবদলের ১ম সহ সভাপতি আবু সেলিম চৌধুরী বলেন, লোহাগাড়া-সাতকানিয়ার মানুষ ধর্মপ্রান এবং জাতীয়তাবাদে বিশ্বাসী। অতীতে এ আসন থেকে কয়েকবার ধানের শীষের প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন। জোট রাজনীতির কারনে আসনটি শরিক দলের প্রার্থীকে বিগত নির্বাচনে ছাড দেয়া হয়েছিল । কিন্তু এলাকার মানুষ পরিবর্তন চায়। তারা বিএনপির প্রার্থী চায়, ধানের শীষে ভোট দিতে চায়। এখানে আমাদের একমাত্র পছন্দের প্রার্থী নাজমুল মোস্তফা আমিন।
লোহাগাড়া বিএনপির নেতাকর্মীরা জানান, লোহাগাড়া উপজেলা এবং সাতকানিয়া উপজেলার একাংশ নিয়ে চট্টগ্রাম-১৫ আসন। দুই উপজেলার মধ্যে লোহাগাড়া বিএনপি অধ্যুষিত। সাতকানিয়ায় জামায়াত ও আওয়ামীলীগ শক্তিশালী। কিন্তু এই আসনের সংখ্যাগরিষ্ঠ লোক বারবার বঞ্চিত হয়েছে। তাদের কখনো ভোট দিতে হয়েছে বহিরাগত (চন্দনাইশ আসনের অলি) বা জামায়াতের প্রার্থীকে, যারা (শাহজাহান চৌধুরী ও শামসুল ইসলাম) দুইজনই সাতকানিয়ার। এবার বিএনপি থেকে লোহাগাড়ার একমাত্র এবং দুই উপজেলা মিলিয়ে সবচেয়ে গ্রহনযোগ্য প্রার্থী নাজমুল আমিন। দীর্ঘ একযুগ ধরে ছাত্রদল, যুবদল ও বিএনপির ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে অনুদান সহ সহযোগিতা দিয়ে যাচ্ছেন। বিএনপির প্রার্থী হিসেবে এ আসনে আমরা তাকেই দেখতে চাই। ফলে তাকে নিতেই আশায় বুক বাঁধছেন এলাকার বিএনপি নেতাকর্মীরা।
সাধারন ভোটাররা জানান, সামাজিক কর্মকান্ডেও নাজমুল এগিয়ে। মসজিদ, মাদরাসা ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে তিনি অবদান রেখে চলায় মানুষজনের কাছে তিনিও রয়েছেন আলোচনায়। বেশকিছু ভোটারের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, নাজমুল একজন যোগ্য প্রার্থী হিসাবে নিজের শক্ত অবস্থান তৈরি করেছেন।ইতিমধ্যে তিনি বেশ আলোচনায়ও রয়েছেন। তিনি মনোনয়ন পেলে এ আসনটি দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে উপহার দিতে পারবেন বলে আশা করছেন তার সমর্থকরা।
চট্টগ্রাম-১৫ (লোহাগাড়া-সাতকানিয়া) আসনের মনোনয়নপ্রত্যাশী মোস্তফা নাজমুল আমিন বলেন, ঐতিহাসিক ও ঐতিহ্যগতভাবে এ অঞ্চলের মানুষ জাতীয়তাবাদী ঘরানার। এ আসন থেকে অতীতে একাধিকবার বিএনপির প্রার্থী বিজয়ী হয়েছে। জোটের রাজনীতির কারণে বিগত দুই নির্বাচনে জামায়াতের প্রার্থীকে সমর্থন দিয়েছে বিএনপি। বারবার শরিক দলের প্রার্থীকে সমর্থন দেয়ায় নানা বঞ্চনার কারণে লোহাগাড়া-সাতকানিয়ার বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে তৈরি হয়েছে হতাশা। এ আসনের ভোটাররা পরিবর্তন চায়, ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী চায়। আশাকরি, দলের শীর্ষ নেতৃত্ব তৃণমূলের এ প্রত্যাশার মূল্যায়ন করবেন।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর