× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ১০ ডিসেম্বর ২০১৮, সোমবার
সিলেট-৩

ধানের শীষ নিয়ে লড়তে চান নিয়াজ চৌধুরী

ইলেকশন কর্নার

বালাগঞ্জ (সিলেট) প্রতিনিধি | ২৪ নভেম্বর ২০১৮, শনিবার, ৯:১৬

আগামী সংসদ নির্বাচনে সিলেট-৩ (দক্ষিণ সুরমা-বালাগঞ্জের কিছু অংশ) আসনে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করতে চান ড্যাবের কেন্দ্রীয় নেতা অধ্যাপক ডা. নিয়াজ আহমদ চৌধুরী। তিনি ধানের শীষের আরেক মনোনয়ন প্রত্যাশী  বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সাবেক ২ বারের এমপি শফি আহমদ চৌধুরীর ভাতিজা। তারা দুজনই বিএনপির মনোনয়ন বোর্ডে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন। মনোনয়ন নিয়ে দুজনই আশাবাদী। ওই আসনে বিএনপির আরো দুই মনোনয়ন প্রত্যাশী হচ্ছেন- জেলা বিএনপির উপদেষ্টা,  কেন্দ্রীয় যুবদলের সাবেক সহ-সভাপতি এমএ কাইয়ুম চৌধুরী এবং যুক্তরাজ্য বিএনপির সাবেক সভাপতি, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের উপদেষ্টা ব্যারিস্টার আব্দুছ ছালাম। তারাও ২০শে নভেম্বর সাক্ষাৎকার দিয়েছেন। মনোনয়নের বিষয়ে ড্যাব নেতা ডা. নিয়াজ বলেন, এই আসনের জনগণ আমাকে চায়। তাদের পাশেও আমি সবসময় আছি।
ধানের শীষ প্রতীক পেলে ইনশাআল্লাহ আমি এই আসনটি পুনরুদ্ধার করব। তিনি বলেন, আমরা চাচা-ভাতিজা দুইজনই মনোনয়নপত্র নিয়েছি এবং সাক্ষাৎকারও দিয়েছি। দল যাকে দেবে তার পক্ষে কাজ করব। অভিজ্ঞতা বিবেচনায় যদি চাচাকে (শফি চৌধুরী) দেয়া হয় তাহলে তিনিই করবেন। আমিও তার পক্ষে কাজ করব। আর তৃণমূলের পক্ষে তাদের মতামতের দিকে নজর দিয়ে পরিবর্তন নতুন মখ হিসাবে যদি কাউকে প্রার্থী করা হয় তাহলে আমি আশা রাখি মনোনয়ন পাওয়ার যোগ্য। তবে দলীয় সিদ্ধান্তকেই মেনে নেব। দক্ষিণ সুরমা উপজেলার দাউদপুর গ্রামের সন্তান ডা. নিয়াজ বলেন, দেশের মানুষের সেবায় নতুন প্রজন্মের নেতৃত্বের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছি, সেই কারণে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। তিনি বলেন, বিগত দিনে যারা এই আসনে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি হিসাবে ছিলেন তারা এই দুই উপজেলায় এলাকার জন্য তেমন উন্নয়ন করতে পারেননি। ডা. নিয়াজ বলেন, আমাকে যদি দলের পক্ষ থেকে মনোনয়ন দেয়া হয় এবং আমি নির্বাচনে অংশ নিয়ে যদি জয়ী হয়ে আসতে পারি তাহলে এলাকার জন্য উন্নয়ন ঘটিয়ে নিজের এলাকাকে দেশ এবং বিশ্বের কাছে একটি মডেল হিসাবে তুলে ধরতে চাই। সেই লক্ষ্যে আমি একজন চিকিৎসক হিসাবে চিকিৎসা ও শিক্ষা  সেবার মাধ্যমে আমার জেলার মান উন্নয়নে বর্তমানে যে পরিমাণ কাজ শুরু করেছি ঠিক সেভাবে নির্বাচিত হলে আমি আমার নির্বাচনী এলাকা সহ জেলার মান উন্নয়নের লক্ষ্যে সেই কাজ করে যাবো। তার পিতা সাবেক সচিব ইমাম উদ্দিন আহমদ চৌধুরী ছিলেন বিচারপতি সাহাবউদ্দীন আহমেদ নেতৃত্বাধীন সর্বপ্রথম গঠিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা। তার দাদা খান বাহাদুর গৌছউদ্দিন আহমদ চৌধুরী তৎকালীন আসাম সরকারের এম.এল.সি ছিলেন। ১৯৮৫ সালে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ  থেকে সাফল্যের সাথে এমবিবিএস পাস করার পর জাপান সরকারের বৃত্তি নিয়ে জাপান গমন করেন নিয়াজ চৌধুরী। ১৯৯২ সনে ভাস্কুলার সার্জারিতে কৃতিত্বের সাথে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। ইউনির্ভাসিটি অব টোকিও, আমেরিকার এরিজনা হার্ট এবং বেলর কলেজ অব মেডিসিন  থেকে বাস্কুলার সার্জারিতে ফেরোশিপ করেন। ভারত, সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড, থেকে উচ্চতর প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। পরে তিনি দেশ মাতৃকার টানে দেশে ফিরেন এবং বিএসএমএমইউতে (পিজি হাসপাতাল) এন্ডো ভাস্কুলার সার্জারি বিভাগ প্রতিষ্ঠা করে প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক হিসাবে দীর্ঘকাল দায়িত্ব পালন করেন।  

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর