× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ১০ ডিসেম্বর ২০১৮, সোমবার
মৌলভীবাজার-৪

বিএনপির মনোনয়ন পেলেন হাজী মুজিব ও ছেলে আশিক

ইলেকশন কর্নার

শ্রীমঙ্গল (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি | ২৮ নভেম্বর ২০১৮, বুধবার, ৯:১৯

মৌলভীবাজার-৪ (শ্রীমঙ্গল-কমলগঞ্জ) আসনে বিএনপির দলীয় মনোনয়ন পেলেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য মুজিবুর রহমান চৌধুরী (হাজী মুজিব)। তাঁর ছেলে আশিক মুঈদ চৌধুরী চিশতী। কৌশলগত কারণে তাদের দুজনকে দল থেকে মনোনয়ন দেয়া হয়েছে বলে দলীয় সূত্র নিশ্চিত করেছে। হাজী মুজিব ৭৬টি মামলার আসামি। তাঁর দাবি মামলাগুলো রাজনৈতিক প্রতিহিংসামূলক। বেশ কয়েকটি মামলা থেকে তিনি অব্যাহতিও পেয়েছেন। দলটির স্থানীয় নেতাকর্মীরা জানায়, মৌলভীবাজার-৪ নির্বাচনী এলাকার শ্রীমঙ্গল ও কমলগঞ্জে বিএনপির রয়েছে দুটি বলয়। দুটি বলয়ের আলাদা দুটি কমিটি রয়েছে।
একটি কমিটি জেলা থেকে অপরটি কেন্দ্র থেকে অনুমোদিত। বিএনপির দুটি বলয়ে পাল্টাপাল্টি কমিটির কারণে মুখোমুখি অবস্থায় রয়েছে মাঠের নেতাকর্মীরা। দলের চরম অন্তর্দ্বন্দ্বে শ্রীমঙ্গল কমলগঞ্জের এই আসনে বিএনপির রাজনীতি এখন ক্ষতবিক্ষত। এই কোন্দল আসন্ন একাদশ সংসদ নির্বাচনে বিএনপি ভোটের বিপর্যয়ে পড়তে পারে বলে মনে করছেন তৃণমূল নেতাকর্মীরা।
হাজী মুজিব এই আসনের আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য মরহুম মো. ইলিয়াস এর ভাতিজা। ২০০৬ সালে প্রয়াত অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী এম সাইফুর রহমানের হাত ধরে বিএনপিতে যোগ দেন মুজিবুর রহমান চৌধুরী। এর আগে ২০০১ সালে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে আব্দুস শহীদের সঙ্গে তুমুল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে আলোড়ন সৃষ্টি করেন। বিএনপিতে যোগ দেয়ার পর তিনি ২০০৮ সালে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করে প্রায় ৫৫ হাজার ভোটের ব্যবধানে হেরে যান। এই নির্বাচনে আব্দুস শহীদ ভোট পান ১ লাখ ৩৪ হাজার। হাজী মুজিব ব্যক্তিগতভাবে দুই উপজেলায় চা বাগানের অনেক মন্দিরে অনুদান, মন্দির নির্মাণসহ কমলগঞ্জে একটি প্রাইমারি স্কুল ও একটি কলেজ প্রতিষ্ঠিত করে অতি কম সময়ে সর্বমহলে আলোচনায় উঠে আসেন।
মুজিবুর রহমান চৌধুরী বলেন,‘পুলিশের হয়রানির কারণে এলাকায় যেতে পারি না। এলাকায় গেলে বাড়ির সামনে পুলিশের গাড়ি, কখনও শ্রীমঙ্গলের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সামনে পুলিশ দাঁড়িয়ে থাকে। একের পর এক হামলা মামলায় জর্জরিত হয়ে আছি। কোনো রাজনৈতিক কর্মসূচি পালনে প্রশাসন থেকে অনুমতি দেয়া হয় না। ইফতার পার্টি পর্যন্ত করতে দেয়া হয়নি। তৃণমূল নেতাকর্মীদের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রয়েছে।
মুজিবুর রহমান চৌধুরী বলেন, ‘তফসিল ঘোষণার পর দলের নেতাকর্মীদের ওপর মিথ্যা মামলা দেয়া হয়েছে। গ্রেপ্তার করা হচ্ছে। আর আমার বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগ সরকার ৭৬টি মামলা করেছে। মামলাগুলো সবই রাজনৈতিক প্রতিহিংসামূলক। যতই মামলা করা হোক, আমাকে নির্বাচনের মাঠ থেকে সরানো যাবে না। মামলার অবস্থা সম্পর্কে তিনি জানান, কয়েকটি মামলায় আদালত তাকে অব্যাহতি দিয়েছেন। অন্যগুলোতে তিনি জামিনে আছেন।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর