× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ১০ ডিসেম্বর ২০১৮, সোমবার
রংপুর-৫

জামায়াত প্রার্থী গোলাম রব্বানীর মনোনয়নপত্র জমা না নেয়ার অভিযোগ

ইলেকশন কর্নার

স্টাফ রিপোর্টার, রংপুর থেকে | ২৯ নভেম্বর ২০১৮, বৃহস্পতিবার, ১০:১৫

 রংপুর-৫ (মিঠাপুকুর) আসনে বিএনপি’র মনোনীত প্রার্থী জামায়াত নেতা গোলাম রব্বানীর মনোনয়নপত্র জমা না নেয়ার অভিযোগ উঠেছে। গতকাল সন্ধ্যায়  গোলাম রব্বানীর আইনজীবী মুহাম্মাদ বায়েজীদ ওসমানী রিটার্নিং কর্মকর্তার বিরুদ্ধে এ অভিযোগ করেন। তিনি বলেন, মনোনয়নপত্র জমাদানের শেষ দিনে মিঠাপুকুর-৫ আসনে বিএনপি’র মনোনীত ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী জামায়াত নেতা গোলাম রব্বানী’র মনোনয়নপত্র রিটার্নিং কর্মকর্তা জেলা প্রশাসক এনামুল হাবীবের কাছে জমা দেয়ার জন্য নিয়ে আসা হয়। কিন্তু রিটার্নিং কর্মকর্তা মনোনয়নপত্র জমা নিতে টালবাহানা শুরু করেন। বিকেল সাড়ে ৩টা থেকে শেষ সময় পর্যন্ত মনোনয়নপত্র গ্রহণ করেননি রিটার্নিং কর্মকর্তা। জনপ্রিয় এ নেতা ওই আসনে নির্বাচন করলে আওয়ামী লীগের প্রার্থীর ভরাডুবি হবে ভেবে গোলাম রব্বানীকে নির্বাচনে আসতে দেয়া হলো না। কেন মনোনয়নপত্র জমা নেয়া হবে না এমন প্রশ্ন করলে রির্টানিং কর্মকর্তা বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাদের সাথে আলাপ করে কালক্ষেপণ করেন। আমি প্রার্থীর পক্ষে সমস্ত বৈধ কাগজপত্র নিয়ে এসে মনোনয়নপত্র দাখিল করতে আসলেও প্রস্তাবকারী ও সমর্থনকারী না থাকার অজুহাত দেখিয়ে মনোনয়নপত্র জমা নেয়া হয়নি।
গোলাম রব্বানীর আইনজীবী মুহাম্মাদ বায়েজীদ ওসমানী বলেন, নীল নকশার নির্বাচন করতেই তার মক্কেল গোলাম রব্বানীর মনোনয়নপত্র গ্রহণ করা হলো না। ঘটনাটি খুবই নিন্দাজনক। এনিয়ে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা জেলা প্রশাসক এনামুল হাবীব জানান, মূলত প্রস্তাবকারী ও সমর্থনকারীকে উপস্থিত করতে না পারার কারণে আমরা গোলাম রব্বানীর মনোনয়ন জমা নিতে পারিনি। জানা যায়, জামায়াত নেতা গোলাম রব্বানী বিগত মিঠাপুকুর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে অংশ নিয়ে আওয়ামী লীগের প্রার্থী জাকির হোসেনকে পরাজিত করে উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। সেই সাথে উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদটিও চলে যায় জামায়াতের দখলে। দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতের সহিংস আন্দোলনের নানা মামলায় পড়ে তিনি সাড়ে ৪ বছর জেলে থাকার পর তাকে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদ থেকে বরখাস্ত করা হয়। গোলাম রব্বানী মিঠাপুকুর ডিগ্রি কলেজের অংকের শিক্ষক।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
Dhakabasi
৩০ নভেম্বর ২০১৮, শুক্রবার, ৬:৫৬

Perhaps the executive is pro League. Everyone has the civil right to contest and vote in an election.

অন্যান্য খবর