× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ১৪ ডিসেম্বর ২০১৮, শুক্রবার

অরিত্রির আত্মহত্যা হৃদয়বিদারক: হাইকোর্ট

অনলাইন

স্টাফ রিপোর্টার | ৪ ডিসেম্বর ২০১৮, মঙ্গলবার, ১:০৫

‘বাজে দৃষ্টান্ত’ ও ‘সাংঘাতিক ঘটনা’। ভিকারুননিসা নূন স্কুলের শিক্ষার্থী অরিত্রি অধিকারী (১৫) আত্মহত্যার ঘটনায় আজ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী সায়েদুর হক সুমন এ ঘটনায় প্রকাশিত সংবাদ নজরে আনলে বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি রাজিক আল জলিলের হাইকোর্ট বেঞ্চ একে ‘বাজে দৃষ্টান্ত’ ও ‘সাংঘাতিক ঘটনা’ বলে বিস্ময় প্রকাশ করেন। বিষয়টিকে হৃদয়বিদারকও বলে মন্তব্য করেছেন আদালত। একই সঙ্গে আগামীকালের মধ্যে বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদ যুক্ত করে এ আইনজীবীকে রিট দায়ের করতে বলেছেন।
আইনজীবী সায়েদুল হক সুমন সাংবাদিকদের বলেন, এ ধরনের একটি সংকেত যদি সারাদেশে যায়, যে ভালো স্কুলে, ভালো করার উপায় হচ্ছে ভালো করে শাসন করা। আর এই শাসনের মাত্রা এমন পর্যায়ে যাবে যে দুই/একজন আত্মহত্যাও করতে পারে। সিঙ্গাপুরের মত দেশ যেখানে প্রেসারের কারণে পরীক্ষা পদ্ধতিই উঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে। অথচ আমাদের দেশের পরীক্ষা পদ্ধতির ওপর এতো প্রেসার দেওয়া হচ্ছে।
তিনি আরো বলেন, একটি স্কুলের প্রিন্সিপাল মেয়ের সামনে তার বাবা-মাকে অপমান করতে পারেন কিনা। মেয়েটি আত্মহত্যা করতে বাধ্য হয়েছে তার সামনে তার বাবা-মাকে অপমান করা হয়েছে এজন্য।
এ কারণে আমরা একটা সঠিক তদন্ত কমিটি চাই। যে তদন্ত রিপোর্টে জানতে পারবে তা বাবা-মার সঙ্গে কেন এমনটি করা হয়েছে?’ এ বিষয়ে আগামীকাল যাতে আবেদন আকারে নিয়ে আসি সেটি কোর্ট বলে দিয়েছেন। আগামীকাল এ বিষয়ে আমরা একটা রিট দায়ের করবো। আশা করি ভালো একটা আদেশ পাবো। দায়ীদের বিরুদ্ধে তদন্ত করে কেন ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হবে না এমন নির্দেশনা চাইবো ।
উল্লেখ্য, গতকাল সোমবার দুপুরে রাজধানীর শান্তিনগরের নিজ বাসায় ফ্যানের সঙ্গে গলায় ফাঁস দেয় অরিত্রি। মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল (ঢামেক) কলেজ হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
অরিত্রির আত্মহত্যার কারণ সম্পর্কে গতকাল তার বাবা দিলীপ অধিকারী বলেন, অরিত্রির স্কুলের বার্ষিক পরীক্ষা চলছিল। রোববার সমাজবিজ্ঞান পরীক্ষা চলার সময় তার কাছে একটি মোবাইল ফোন পাওয়া যায়। এজন্য স্কুল কর্তৃপক্ষ আমাদের ডেকে পাঠায়। সোমবার স্কুলে গেলে স্কুল কর্তৃপক্ষ আমাদের জানায়, অরিত্রি মোবাইল ফোনে নকল করছিল, তাই তাকে বহিষ্কারের (টিসি) সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। স্কুল কর্তৃপক্ষ আমার মেয়ের সামনে আমাকে অনেক অপমান করে। এই অপমান এবং পরীক্ষা আর দিতে না পারার মানসিক আঘাত সইতে না পেরে সে আত্মহত্যার পথ বেছে নেয়। বাসায় ফ্যানের সঙ্গে গলায় ফাঁস দেয় অরিত্রি।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর