× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ১৪ ডিসেম্বর ২০১৮, শুক্রবার

পাবনায় সংঘর্ষে দুই নিহতের লাশ নিয়ে বিক্ষোভ

অনলাইন

স্টাফ রিপোর্টার, পাবনা থেকে | ৪ ডিসেম্বর ২০১৮, মঙ্গলবার, ৩:৩৮

পাবনায় আওয়ামীলীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে নিহত দুইজনের লাশ নিয়ে শহরে বিক্ষোভ মিছিল করেছে এলাকাবাসী। মঙ্গলবার দুপুরে সদর উপজেলার ভাড়ারা ও আওরঙ্গবাদ ভাউডাঙ্গা গ্রামের নারী-পুরুষ মিছিল নিয়ে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে হাজির হয়।
সেখানে নিহত দুইজনের ময়না তদন্ত শেষ হওয়ার পর মরদেহ নিয়ে বিক্ষোভ মিছিল বের করে তারা। মিছিলটি হাসপাতাল থেকে বের হয়ে শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে গ্রামে ফিরে যায়। মিছিলকারিরা বর্তমান চেয়ারম্যান ও আওয়ামীলীগের সদর উপজেলার সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সাঈদের বিরুদ্ধে শ্লোগান দেয়। এবং তার ফাঁসি দাবি করে। স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন ধরে এলাকার আধিপত্য বিস্তার নিয়ে ইউপি চেয়ারম্যান আওয়ামীলীগ নেতা আবু সাইদ ও জাসদ থেকে আওয়ামীলীগে যোগ দেয়া সুলতান গ্রুপের মধ্যে বিরোধ চলে আসছে। মাঝে মধ্যেই তাদের মধ্যে হামলা সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
সোমবার সন্ধ্যায় আওরঙ্গবাদ বাজার এলাকায় সুলতানের বাড়ির সামনে বাক বিতন্ডার এক পর্যায়ে সাইদ গ্রুপের লোকজন সুলতানের লোকজনের ওপর হামলা চালায়। এতে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ ও গোলাগুলি শুরু হয়। সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধহয় অন্তত ১০ জন। তাদের মধ্যে গুরুতর চারজনকে উদ্ধার করে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মালেক শেখ ও লস্কর খাঁ নামের দুইজনকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত দুইজনের লাশ জানাযা নামাজ  শেষে স্থানীয় কবরস্থানে লাশ দাফন করা হয়।
এদিকে, সংঘর্ষ ও হত্যার ঘটনায় আজ দুপুর ১টা পর্যন্ত পাবনা সদর থানায় কেউ অভিযোগ দেয়নি এবং কোন মামলা হয়নি বলে জানান ওসি ওবাইদুল হক। এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। সেখানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।
সোমবার রাতে পাবনা সদর উপজেলার আওরঙ্গবাদ ভাউডাঙ্গা গ্রামে আওয়ামীলীগের আবু সাইদ ও সুলতান খাঁ দুই গ্রুপের সংঘর্ষে মালেক শেখ, লস্কর খাঁ নামে দুইজন নিহত হয়।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
জাকিরুল মোমিন
৪ ডিসেম্বর ২০১৮, মঙ্গলবার, ৩:১৬

দুদিন পর সবাই এটা ভুলে যাবে। আরো কোন নতুন ঘটনায় এটা চাপা পরে যাবে।

অন্যান্য খবর