× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ১৬ ডিসেম্বর ২০১৮, রবিবার
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫

‘ধানের শীষ’ জসীম নাকি শিশিরের

ইলেকশন কর্নার

নবীনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি | ৫ ডিসেম্বর ২০১৮, বুধবার, ৮:১৭

 একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ (নবীনগর) আসনে শেষ পর্যন্ত ‘ধানের শীষ’ প্রতীক কে পাচ্ছেন, এ নিয়ে বিএনপিতে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। রোববার মনোনয়ন বাছাইয়ের পর এ আসনে বিএনপির অন্যতম শক্তিশালী প্রার্থী কাজী নাজমুল হোসেন তাপসের মনোনয়ন বাতিল হয়ে যাওয়ার পর এ আলোচনা সৃষ্টি হয়। জানা গেছে, এ আসনে দলীয় মনোনয়ন নিয়ে বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির দুই সদস্য ও ঢাবি’র দুই প্রাক্তন ছাত্রনেতা তকদীর হোসেন মো. জসীম ও সালাউদ্দিন ভূঁইয়া শিশির এবং জেলা বিএনপির সদস্য, বিএনপির প্রয়াত সাবেক সংসদ সদস্য কাজী আনোয়ার হোসেনের ছেলে কাজী নাজমুল হোসেন তাপস মনোনয়ন জমা দিয়েছিলেন। এ ছাড়া জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ও ঢাবি’র সূর্যসেন হলের সাবেক জিএস সায়েদুল হক সাঈদও দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে বিদ্রোহী হয়ে ‘স্বতন্ত্র’ প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দিয়েছিলেন। কিন্তু গত রোববার বাছাইয়ের দিনে কাজী নাজমুল হোসেন তাপস ও সায়েদুল হক সাঈদের মনোনয়ন বাতিল হয়ে যাওয়ার পর তকদীর হোসেন জসীম নাকি সালাউদ্দিন ভূঁইয়া শিশির ‘ধানের শীষ’ প্রতীক পাচ্ছেন, এটিই এখন ‘টক অব দ্যা নবীনগর’ এ পরিণত হয়েছে। স্থানীয় নেতাকর্মীরা জানান, এলাকায় নতুন মুখ হলেও উপজেলার পূর্বাঞ্চলের ধনাশী গ্রামের অধিবাসী শিশিরের রয়েছে ছয় ইউনিয়নের বিশাল আঞ্চলিক ভোট ব্যাংক। অন্যদিকে উপজেলার উত্তরাঞ্চলের বীরগাঁওয়ের অধিবাসী ও বিএনপির জন্মলগ্ন থেকে ‘দুর্দিনের কাণ্ডারী’ হিসেবে পরিচিত তকদীর হোসেন জসীমেরও তিন ইউনিয়নের বিশাল আঞ্চলিক ভোট ব্যাংকসহ এলাকায় রয়েছে তার ব্যাপক পরিচিতি। তবে দীর্ঘদিন ধরে ‘জসীম ও তাপস’ (মনোনয়ন বাতিল হওয়া তাপস) গ্রুপে উপজেলা বিএনপি বিভক্ত থাকলেও, নতুন প্রার্থী হিসেবে শিশিরের সঙ্গে দলীয় কারও কোনো গ্রুপিং নেই।
এক্ষেত্রে ভোটে শিশির প্রাধান্য পেতে পারে বলে জানিয়েছেন নেতাকর্মীরা। এ বিষয়ে ‘বিএনপিতে কোনো গ্রুপিং নেই’ দাবি করে উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আনিছুর রহমান (মঞ্জু) বলেন,‘ধানের শীষ প্রতীক যিনিই পাবেন, তার সঙ্গেই বিএনপি ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করবে। আর সুষ্ঠু ভোট হলে এ আসনে বিএনপির যে কেউই জয় লাভ করবে ইনশাআল্লাহ। কারণ, এ সরকারের আমলে ‘উপজেলা চেয়ারম্যান ও পৌরসভার মেয়র’ এ দুটি শক্তিশালী পদে বিএনপি বিপুল ভোটে জয়লাভ করে।’

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর