× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ১৯ ডিসেম্বর ২০১৮, বুধবার

খুলনার ছয়টি আসনে মহাজোট প্রার্থীর বিরুদ্ধে ঐক্যফ্রন্টের কারা লড়বেন?

ইলেকশন কর্নার

স্টাফ রিপোর্টার, খুলনা থেকে | ৫ ডিসেম্বর ২০১৮, বুধবার, ৮:১৯

একাদশ জাতীয় সংসদের নির্বাচনের আমেজ এখন চায়ের দোকান থেকে শুরু করে সর্বস্থানে। নির্বাচনে কোন দলের কে চূড়ান্ত প্রার্থী হয়েছেন। আবার ঐক্যফ্রন্টের কে চূড়ান্ত প্রার্থী হচ্ছেন এমন প্রশ্ন গোটা খুলনাবাসীর মধ্যে ঘুরপাক খাচ্ছে। যতই প্রার্থিতার জন্য গ্রুপিং ও লবিং করুক না কেন আগামী ৯ই ডিসেম্বর চূড়ান্তভাবে বেরিয়ে আসবে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের খুলনার ৬টি আসনের বিপরীতে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে কারা নির্বাচনে লড়বেন?

খুলনার সংসদীয় ৬টি আসনে ৫১ জন মনোনয়নপত্র জমা দেন। এর মধ্যে খুলনা-১ আসনে ৭ জন, খুলনা-২ আসনে ৯ জন, খুলনা-৩ আসনে ৭ জন, খুলনা-৪ আসনে ৯ জন, খুলনা-৫ আসনে ৭ জন এবং খুলনা-৬ আসনে ১২ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।

খুলনা-১ আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন বর্তমান সংসদ সদস্য ও আওয়ামী লীগের প্রার্থী পঞ্চানন বিশ্বাস, বিএনপির প্রার্থী আমীর এজাজ খান, জাতীয় পার্টির সুনীল শুভ রায়, সিপিবির অশোক কুমার সরকার, ওয়ার্কার্স পার্টির গৌরাঙ্গ প্রসাদ রায়, ইসলামী আন্দোলনের আবু সাঈদ, স্বতন্ত্র হিসেবে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন বঞ্চিত ননী গোপাল মণ্ডল।

খুলনা-২ আসনে আওয়ামী লীগ মনোনীত শেখ সালাউদ্দিন জুয়েল, বিএনপির নজরুল ইসলাম মঞ্জু, ইসলামী আন্দোলনের মাওলানা আবদুল আউয়াল, সিপিবির এইচ এম শাহাদাৎ হোসেন, জাকের পার্টির কেএম ইদ্রিস আলী বেল্টু, মুসলীম লীগ এসএস ইসমাইল আলী, জাতীয় পার্টির এসএম এরশাদুজ্জামান ডলার, বিএনএফের এসএম সোহাগ ও গণফ্রন্টের মনিরা বেগম মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। এরমধ্যে রোববার মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই করাকালে এরশাদুজ্জামান ডলারের মনোনয়নপত্রটি বাতিল করা হয়েছে।

খুলনা-৩ আসনের মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন বর্তমান সংসদ সদস্য ও আওয়ামী লীগ মনোনীত বেগম মন্নুজান সুফিয়ান, বিএনপির রকিবুল ইসলাম বকুল ও এসএম আরিফুর রহমান মিঠু, ইসলামী আন্দোলনের মাওলানা মুজ্জাম্মিল হক, বাসদের জনার্দন দত্ত, জাকের পার্টি এসএম সাব্বির হোসেন ও জেএসডির আ ফ ম মহসীন।
খুলনা-৪ আসনের মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন বর্তমান সংসদ সদস্য আওয়ামী লীগ মনোনীত আবদুস সালাম মুর্শেদী, বিএনপির আজিজুল বারী হেলাল ও শরীফ শাহ কামাল তাজ, ইসলামী আন্দোলনের ইউনুস আহমেদ শেখ, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির কেএম আলী দাদ, খেলাফত মজলিসের এসএম সাখাওয়াত হোসেন, জাকের পার্টির শেখ আনসার আলী, বিএনএফের শেখ হাবিবুর রহমান ও জাতীয় পার্টির এম হাদিউজ্জামান।

খুলনা-৫ আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণি সম্পদমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ মনোনীত নারায়ণ চন্দ্র চন্দ, বিএনপির ড. মামুন রহমান, ডা. গাজী আবদুল হক ও  জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর সাবেক এমপি অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার, জাতীয় পার্টির সাঈদ আলম মোড়ল, সিপিবির চিত্ত রঞ্জন গোলদার ও ইসলামী আন্দোলনের শেখ মুজিবুর রহমান।

খুলনা-৬ আসন থেকে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী আকতারুজ্জামান বাবু, বিএনপির জেলা সভাপতি অ্যাডভোকেট এসএম শফিকুল আলম মনা ও মহানগরী জামায়াতে ইসলামীর আমীর মাওলানা আবুল কালাম আজাদ, জাতীয় পার্টির জেলা সভাপতি শফিকুল ইসলাম মধু ও মোস্তফা কামাল জাহাঙ্গীর, জেএসডির আইয়ুব আলী, ইসলামী আন্দোলনের গাজী নূর আহমেদ, সিপিবির সুভাষ চন্দ্র সাহা, বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট ফ্রন্ট মির্জা গোলাম আযম, জাকের পার্টির শেখ মোর্তজা আল মামুন, স্বতন্ত্র সুব্রত কুমার বাইন ও মো. আবদুল কাদের। খুলনা জেলা আওয়ামী লীগ সাংগঠনিক সম্পাদক এসএম কামরুজ্জামান জামাল বলেন, প্রতিটি আসনে একাধিক প্রার্থী থাকলেও মনোনয়ন ঘোষণার পরই নৌকার সমর্থনে সকলে ঐক্যবদ্ধ হয়েছেন।
এমনকি গুরুত্বপূর্ণ খুলনা-২ আসনে নতুন প্রার্থী শেখ জুয়েলের পক্ষে দলীয় কর্মকাণ্ডে বর্তমান সংসদ সদস্য মুহাম্মদ মিজানুর রহমানকে সক্রিয় দেখা গেছে। ওয়ার্ড ও উপজেলা পর্যায়ে দলীয় প্রার্থীর পক্ষে সকলে অবস্থান নিয়েছে। পাশাপাশি খুলনার উন্নয়নে ও আগামী প্রজন্মের স্বার্থে দলমত নির্বিশেষ একযোগে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ প্রার্থী শেখ জুয়েল।

খুলনা-২ আসনে বিএনপির প্রার্থী ও মহানগর সভাপতি নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, সরকারি দলের সমর্থক দাকোপ ও বটিয়াঘাটা উপজেলা থেকে শিক্ষক-কর্মকর্তাদের নির্বাচনী কাজে খুলনা মহানগরীতে নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। এই প্রক্রিয়া বন্ধ করতে হবে। তিনি বলেন, সন্ত্রাসী ও অস্ত্রধারীদের গ্রেপ্তারের ক্ষেত্রে নির্বাচনে নিয়োজিত সেনাবাহিনীকে কাজে লাগাতে হবে। এছাড়া বিগত মেয়র নির্বাচনে ২৮৯টি ভোট কেন্দ্রে দায়িত্ব পালন করা বিতর্কিত প্রিজাইডিং ও পুলিশ অফিসারদের নির্বাচনী দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিতে হবে।

খুলনার ছয়টি আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থীর বিপক্ষে বিএনপি তথা ঐক্যফ্রন্টের কে প্রার্থী হিসেবে যোগ্য এমন প্রশ্ন এখন চায়ের দোকান শুরু করে সকল স্থানে। আগামী ৯ই ডিসেম্বর চূড়ান্ত প্রার্থীদের হিসাব নিকাশ মিলবে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর