× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ১৪ ডিসেম্বর ২০১৮, শুক্রবার

আজরাইল না আসা পর্যন্ত বিদায় না: অর্থমন্ত্রী

অনলাইন

স্টাফ রিপোর্টার | ৪ ডিসেম্বর ২০১৮, মঙ্গলবার, ৯:১৬

 আজরাইল না আসা পর্যন্ত আমাকে বিদায় করা যাবে না। অবসর মানেই বিদায় না, বলেছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। আজ  মঙ্গলবার রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।

অর্থমন্ত্রী বলেন, হ্যাঁ আমি অবসরে যাচ্ছি কিন্তু অবসর মানেই বিদায় না। রেগুলার রুটিন মাফিক কাজ হয়তো থাকবে না। তবে আমি আপনাদের সঙ্গে আছি। আজরাইল না আসা পর্যন্ত আমাকে বিদায় করা যাবে না।

মুহিত বলেন, আমরা যে উন্নয়ন করেছি তার মূলে রয়েছে নেতৃত্বের গুণ। আমাদের নেত্রী শুধু আমাদের নেতা নন তিনি বিশ্বের শীর্ষ পর্যায়ের নেতৃত্বের মধ্যে আছেন।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার দারিদ্র্য বিমোচনে সব থেকে বেশি গুরুত্ব দিয়েছে।
এবারও দারিদ্র্য বিমোচন আমাদের প্রধান অগ্রাধিকার থাকবে। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ইশতেহারে আপনারা বিষয়টি দেখতে পাবেন।
তিনি বলেন, ‘তদবির জিনিসটা তো খুব একটা খারাপ না। এটাকে সিস্টেমের মধ্যে আনলেই কেউ আর বলবে না যে দালালি করে টাকা নিচ্ছে।’

দালালিকে সিস্টেমে আনার পরামর্শ দিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, নিউইয়র্কে সার্ভিস পেতে অফিসে গেলেও দালালদের সহায়তা নিতে হয়। এজন্য তাদেরকে (দালালদের) টাকাও দিতে হয়। তারা সার্ভিস দেয়ার বিনিময়ে টাকা নেয়। এটা অনেক দেশেই প্রতিষ্ঠিত। নিউইয়র্কে ড্রাইভিং লাইসেন্স নিতেও দালালের সহায়তা নিতে হয়। পরীক্ষা কোথায় কোন দিন কখন যেতে হবে সেটা দালালরাই ঠিক করে দেয়।

তিনি বলেন, আমরা যে বিভিন্ন ধরনের সার্ভিস দেই। যেটার কোনো হিসাব হয় না সেটাকে সিস্টেমে ঢুকাইয়া ফেললে এটা লিগ্যাল হয়ে যাবে। একই সঙ্গে সার্ভিস পাওয়াটাও সহজ হয়ে যাবে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
আলম
৪ ডিসেম্বর ২০১৮, মঙ্গলবার, ৯:৪৩

উনার অবসরে যাওয়া জরুরি

Mustafa Ahsan
৪ ডিসেম্বর ২০১৮, মঙ্গলবার, ৯:০০

এ ধরনের ভূয়া তথ্য একজন সিনিয়র মন্ত্রীর কাছ থেকে আশা করা যায় না।আমেরিকার ডালাস টেক্সাসে আছি এগার বৎসর এখানে সোশাল সিকিউরিটি কার্ড, আইডী ড্রাইভার লাইসেন্স থেকে ইউ এস পাসর্পোট পর্যন্ত প্রতিটি কাজ আমার চার জনের পরিবারের সদস্য কোন ধরনের দালালী অফিস ছাড়া সরাসরি নিজেদের উদ্যোগে এবং উক্ত অফিস গুলির কর্মরত অফিসারদের নিরভেজাল কর্ম তত্পরতায় আমরা সরাসরি সরকারী সেবা পেয়েছি। আমার প্রিয় দেশটাকে এই ধরনের মন্ত্রীরাই করাপশনের আখরায় পরিনত করেছেন স্পিড মানী আর সরকারী সেবা যাতে আরও কষ্ট দায়ক হয় জনসাধারণের জন্য তাই এখন মাল সাহের দালালী অফিস এর নতুন ফর্মুলার উদ্ভাবন করলেন ।পাঁচ তারকা হোটেলে বসে যত উদ্ভট বানোয়াট মিত্তাচার শুধু চাটুকারদের দেশেই সম্ভব।এ ধরনের মিতথ্যাচারের তিবরো নিন্দা জানাই ।

অন্যান্য খবর