× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ১৪ ডিসেম্বর ২০১৮, শুক্রবার

দোকান ছাড়তেই হলো সেই নারীকে

বাংলারজমিন

জাবি প্রতিনিধি | ৫ ডিসেম্বর ২০১৮, বুধবার, ৯:২৩

অবশেষে পাওনা টাকা চাওয়ায় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের এক কর্মীর হাতে  মারধরের শিকার হওয়া চা-দোকানি নারীকে দোকান ছাড়তে হলো। জানা যায়, গত শনিবার দোকানের পাওনা টাকা চাওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয়ের মীর মশাররফ হোসেন হলের সামনের এক নারী দোকানিকে বেদড়ক মারধর করে শাখা ছাত্রলীগ কর্মী লায়েব আলী। কিন্তু ভুক্তভোগী নারী কোন বিচার পাননি বরং আজকে তাকে দোকান ছাড়তে হলো। ভুুক্তভোগী নারী দোকানি বিবি আয়েশা খাতুন (৩৫) বলেন, ‘আমাকে মারধর করার পর থেকে প্রতিদিন আমি দোকান খুলতে আসলে হল প্রশাসনের লোকজন দোকান খুলতে নিষেধ করে এবং মালামাল নিয়ে চলে যেতে বলে। শেষ পর্যন্ত না পেরে আমি আজ চলে যাচ্ছি। আমাকে এভাবে মারধরের কোনো বিচার তো পাইনি বরং আমার পেটেও লাথি পড়লো। আমার স্বামী মানসিক প্রতিবন্ধী। এখন ছোট দুই ছেলে নিয়ে আমি কোথায় গিয়ে দাঁড়াবো! আল্লাহর কাছে বিচার দিলাম।’ দোকান ছাড়তে বলা হল প্রশাসনের কর্মকর্তারা এই বিষয়ে হল প্রভোস্টের সঙ্গে কথা বলতে বলেন।
যোগাযোগ করা হলে মীর মশাররফ হোসেন হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক শফি মুহাম্মদ তারেক বলেন, ‘নারীকে দোকান ছাড়তে বলা হয়নি তবে দোকান তার ভাইয়ের নামে তার ভাইকে দোকান করতে বলা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ে অসংখ্য দোকান যার নামে তার আত্মীয়স্বজনরা করছে। এইখানে ভাইয়ের দোকান কেন বোন করতে পারবে না- জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘ছেলেদের হলের সামনে কোনো নারী দোকানি শোভন হতে পারে না।’ মারধরের বিষয় নিয়ে কোনো লিখিত অভিযোগ না পাওয়ায় বিচার করতে পারেননি বলে দাবি করেন তিনি। তবে ঘটনা  সম্পর্কে তিনি নিজে অবগত আছেন বলে জানান। এদিকে হল প্রভোস্ট শফি মুহাম্মদ তারেক ক্যাম্পাসে থাকেন না। তিনি হলে নিয়মিত আসেন না বলেও অভিযোগ শিক্ষার্থীদের। শিক্ষার্থীরা জানান, ২ দিন পর পর হলের ক্যান্টিন বন্ধ হয়ে যায়। হলের লন্ড্রি বন্ধ। হলের নানান সমস্যা কিন্তু হল প্রভোস্ট এসব নিয়ে বিন্দুমাত্র কর্ণপাত করেন না। অভিযোগের ব্যাপারে অধ্যাপক শফি মুহাম্মদ তারেক বলেন, শিক্ষার্র্থীরা খাচ্ছে না বলে ক্যান্টিন চলছে না। শিক্ষার্থীরা আমার কাছে এপয়েনমেনট নিয়ে কথা বলতে আসে না। তাদের যেকোনো সমস্যা আমাকে তো জানাতে হবে। ক্যাম্পাসে না থাকার বিষয়ে তিনি বলেন, হল প্রভোস্টের জন্য নির্ধারিত বাসা ঠিক করার জন্য আমি চিঠি দিয়েছি কিন্তু এখনো কাজ করে নি।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর