× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ১৪ ডিসেম্বর ২০১৮, শুক্রবার

নাটোরে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ গুলিবিদ্ধসহ আহত ৩

বাংলারজমিন

নাটোর প্রতিনিধি | ৫ ডিসেম্বর ২০১৮, বুধবার, ৯:২৮

 নাটোরে জেলা ছাত্রলীগ সভাপতির চাঁদাবাজিকে কেন্দ্র করে ছাত্রলীগের দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে এক ছাত্রলীগ নেতা গুলিবিদ্ধ এবং জেলা ছাত্রলীগের সভাপতিসহ তিনজন আহত হয়েছেন। গুলিবিদ্ধ নাটোর এনএস কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শাহরিয়ার রিয়নকে নাটোর সদর হাসপাতালে এবং আহত ছাত্রলীগ সভাপতি রাকিবুল ইসলাম জেমস্‌ ও ছাত্রলীগ কর্মী রুবেলকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। গতকাল  বেলা দেড়টার দিকে নাটোর শহরের বড়গাছা ছোট মোড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও দলীয় সূত্রে জানায়,  ট্রাক ব্যবসায়ী বড়গাছা এলাকার ভাড়া বাড়িতে বসবাসরত মনিরুজ্জামান সেন্টুর ড্রাইভারের কাছ থেকে সোমবার মধ্যরাতে ছাত্রলীগ সভাপতি রাকিবুল ইসলাম জেমসের নেতৃত্বে কয়েকজন ছাত্রলীগ কর্মী ট্রাকটি ছিনিয়ে নেয়। এ ঘটনায় মঙ্গলবার বেলা দেড়টার দিকে মনিরুজ্জামানের স্ত্রী  রোজী বেগম প্রতিবাদ করলে জেমস্‌ তাকে ধাওয়া করে। এ সময় রোজীর আত্মীয় নাটোর এসএস সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শাহরিয়ার রিয়ন বাঁধা দিলে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বেধে যায়। এতে রিয়ন গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হয়। এছাড়া জেলা ছাত্রলীগ সভাপতি রাকিবুল হাসান জেমস্‌ ও ছাত্রলীগ কর্মী রুবেল আহত হয়।
সংবাদ পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং আহত অবস্থায় উদ্ধার করে তাদের নাটোর হাসপাতালে ভর্তি করে। পরে জেমস্‌ ও রুবেলকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
    
ট্রাক মালিক মনিরুজ্জামান সেন্টুর স্ত্রী রোজী বেগম অভিযোগ করেন,  কিছু দিন পূর্বে ছাত্রলীগ সভাপতি রাকিবুল ইসলাম জেমস্‌ তার স্বামী সেন্টুর কাছে ১০ লাখ টাকা চাঁদা  দাবি করে। কিন্তু চাঁদা দিতে অস্বীকার করলে সে দেখে নেওয়ার হুমকি দেয়। এ ঘটনার পরে গত সোমবার রাতে তার ড্রাইভারের কাছ থেকে জেমস্‌, রুবেল, রাজিব ও মুকুল ট্রাকটি ছিনিয়ে নেয়। মঙ্গলবার বেলা দেড়টার দিকে জেমস্‌ এর কাছে ট্রাকের চাবি চাইলে সে  পিস্তল বের করে তার (রোজীর) প্রাণ নাশের হুমকি দেয়। এ সময় তার চিৎকারে ভাতিজা রিয়নসহ স্থানীয় লোকজন এগিয়ে আসলে উভয় পক্ষের মধ্যে তর্কাতর্কি  হয়। এক পর্যায়ে জেমস্‌ রিয়নকে লক্ষ্য করে  গুলি করলে সে গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হয়। তিনি বলেন এ ঘটনায় মামলা দায়েরের জন্য বর্তমানে তিনি থানায় রয়েছেন।     অপরদিকে এ  অভিযোগ অস্বীকার করে জেমস্‌ বলেন, তিনি মনিরুজ্জামান সেন্টুর কাছে ১০ লাখ টাকা পান। সে টাকা চাইতে গেলে উল্টো রিয়ন ও তার সঙ্গিরা তাদের ওপর হামলা চালিয়ে মারধর করে আহত করে।     এ বিষয়ে জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক রিয়াজুল ইসলাম মাসুম বলেন, এটি ব্যবসা জনিত পারিবাবরিক বিরোধ। এই ঘটনার সাথে ছাত্রলীগের কোন রাজনৈতিক সম্পর্ক নেই।  
    নাটোর থানার ওসি কাজী জালাল উদ্দিন বলেন, দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের সংবাদ পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনায় এখনো কোন মামলা দায়ের করা হয়নি।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর