× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ১৪ ডিসেম্বর ২০১৮, শুক্রবার

ভিকারুননিসা অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ, অধ্যক্ষসহ ৩ শিক্ষককে বরখাস্তের নির্দেশ

অনলাইন

স্টাফ রিপোর্টার | ৫ ডিসেম্বর ২০১৮, বুধবার, ১২:১৩

অরিত্রি অধিকারীর আত্মহত্যার ঘটনাকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের চলমান আন্দোলনের মধ্যে ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের  বেইলি রোড শাখার ক্লাস-পরীক্ষা অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির সিনিয়র শিক্ষক ও গভর্নিং বডির শিক্ষক প্রতিনিধি মুশতারি সুলতানা এ তথ্য জানিয়েছেন। এদিকে এ ঘটনায় আত্মহত্যায় প্ররোচনাকারী হিসেবে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ নাজনীন ফেরদৌস, প্রভাতী শাখার শিফট ইনচার্জ জিনাত আক্তার ও শ্রেণী শিক্ষক হাসনা হেনাকে দোষী সাব্যস্ত করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তদন্ত কমিটি। কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী ম্যানেজিং কমিটিকে তাদের বরখাস্তের নির্দেশ দেয়া হয়েছে এবং তাদের এমপিও বাতিলের নির্দেশ দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ আজ সচিবালয়ে তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন তুলে ধরেন। তিনি বলেন, বরখাস্তের নির্দেশের পাশাপাশি বিভাগীয় মামলাসহ সকল আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়ার সুপারিশ করা হয়েছে। ওই তিন শিক্ষকের এমপিও বাতিল করা হয়েছে বলেও জানান মন্ত্রী।

এর আগে গত সোমবার দুপুরে রাজধানীর শান্তিনগরের নিজ বাসায় ফ্যানের সঙ্গে গলায় ফাঁস দেয় ভিকারুননিসা নূন স্কুলের নবম শ্রেণীর শিক্ষার্থী অরিত্রি অধিকারীর। মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ওই ঘটনায় মঙ্গলবার রাতে রাজধানীর পল্টন থানায় ‘আত্মহত্যার প্ররোচনাকারী’ হিসেবে তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন অরিত্রির বাবা। মামলার আসামিরা হলেন- অধ্যক্ষ নাজনীন ফেরদৌস, প্রভাতী শাখার প্রধান জিনাত আক্তার ও শ্রেণি শিক্ষিকা হাসনা হেনা।

অরিত্রির আত্মহত্যার কারণ সম্পর্কে তারা বাবা দিলীপ অধিকারী সাংবাদিকদের বলেন, অরিত্রির স্কুলের বার্ষিক পরীক্ষা চলছিল।
গত রোববার সমাজবিজ্ঞান পরীক্ষা চলার সময় তার কাছে একটি মোবাইল ফোন পাওয়া যায়। এ জন্য স্কুল কর্তৃপক্ষ আমাদের ডেকে পাঠায়। সোমবার স্কুলে গেলে স্কুল কর্তৃপক্ষ আমাদের জানায়, অরিত্রি মোবাইল ফোনে নকল করছিল, তাই তাকে বহিষ্কারের (টিসি দেয়ার) সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। স্কুল কর্তৃপক্ষ আমার মেয়ের সামনে আমাকে অনেক অপমান করে। এ অপমান এবং পরীক্ষা আর দিতে না পারার মানসিক আঘাত সইতে না পেরে সে আত্মহত্যার পথ বেছে নেয়।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
Khondoker Rahman
৫ ডিসেম্বর ২০১৮, বুধবার, ৮:০৭

Wait Wait We should not be Pre occopied Before analysis the whole matter. And get hearing from both side Should come to a concussion

Rahman
৫ ডিসেম্বর ২০১৮, বুধবার, ৫:১৩

একজন নারী হয়ে আরেকজন নারীকে সন্মান করতে পারেনা তারা কিসের ভাল শিক্ষক ??? এরা জাতির কলংক..........নারী যদি নারীকেই হিংসা করে বা তার নামে বদনাম করে তাহলেতো এই দেশে নারী ক্ষমতায়নের কি কোন প্রয়োজন আছে........তাহলে পুরুষের শাসন ব্যাবস্থাইতো ভাল.....এত নারীবাদীদের লাফালাফি, এখন দেখতে পেলাম নারীরাই নারীদের শত্রু মনে করে.....সহযোগীতার হাত বাড়ানো দূরের কথা আরো তারা বড় শিক্ষিত হয়ে, একটা মেয়েকে আত্মহত্যার মত জগন্য অন্যায় করতে বাধ্য করল।যদি এটা কোন পুরুষ শিক্ষক করতে তাহলে একটা কথা ছিল.....নারী শিক্ষিকা....যারা মায়ের মত.......এরা আসলে শিক্ষক হওয়ার যোগ্যতাই রাখেনা, এদের কঠিন বিচার হওয়া খুব প্রয়োজন......

Liton
৫ ডিসেম্বর ২০১৮, বুধবার, ৪:৪৩

ভিকারুননিসা একটি দুর্নীতিগস্থ প্রতিষ্ঠান। রাশেদ খান মেনন, সভাপতি থাকা অবস্থায়, ৫-৬ লাখ টাকা করে নিয়ে অনেককে চাকরি দিয়েছে। আমার জানা মতে তাদের মধ্য অনেক শিক্ষক এখন কোটি টাকার মালিক। শুধু মাএ কোচিং বানিজ্য করে। তাদের বাসার কিছু রুম কোচিং সেন্টার এর মতো বানানো হয়েছে।

Badsha Wazed Ali
৫ ডিসেম্বর ২০১৮, বুধবার, ৫:২৮

It is the right decision taken by the government on unexpected suicidal of Auritri, a student of class nine of V. Noon School, Dhaka. I have been in my teaching profession for about 27 years. I have noticed that some teachers always do rude behaviour with the students. These teachers never show sympathy to the students. They think this rude behaviour can make them popular to the parents of the students. I am not a popular teacher because I think all the students are my sons and daughters.

মাসুদ রানা
৫ ডিসেম্বর ২০১৮, বুধবার, ২:০৭

সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত

অন্যান্য খবর