× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ১৪ ডিসেম্বর ২০১৮, শুক্রবার

৫ বছরে নিজাম হাজারীর সম্পদ বেড়েছে ৮ গুণ, স্ত্রীর ১০ গুণ

অনলাইন

ফেনী প্রতিনিধি | ৫ ডিসেম্বর ২০১৮, বুধবার, ১২:২৬

গত পাঁচ বছরে সাংসদ নিজাম উদ্দিন হাজারীর সম্পদ ও আয় বেড়েছে অন্তত ৮ গুণ। আর স্ত্রী নুরজাহান বেগম নাসরিনের সম্পদ বেড়েছে প্রায় ১০ গুণ। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য নির্বাচন কমিশনে দাখিলকৃত মনোনয়নপত্রের সঙ্গে হলফনামা বিশ্লেষণ করে এ তথ্য জানা গেছে। হলফনামা অনুযায়ী আয় ও সম্পদ মিলে নিজাম হাজারী প্রায় ৩১ কোটি টাকার মালিক। অপরদিকে স্ত্রীর রয়েছে প্রায় সাড়ে ৮ কোটি টাকার সম্পত্তি। দশম সংসদ নির্বাচনের হলফনামায় নিজাম হাজারীর আয়সহ সম্পদ ছিলো সাড়ে তিন কোটি টাকার বেশি। অপরদিকে স্ত্রীর ছিলো ৮০ লাখ টাকার বেশি। আয় ও সম্পদের বিপরীতে নিজাম হাজারীর ব্যাংক ঋণ আছে মাত্র কোটি টাকা।


একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য দাখিলকৃত মনোনয়নপত্রের সঙ্গে হলফনামায় সাংসদ নিজাম উদ্দিন হাজারী পেশা হিসেবে উল্লেখ করেছে মৎস ব্যবসা (স্নিগ্ধা ফিসারিজ এন্ড হ্যচারি)। এর আগে দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে (২০১৩) দাখিলকৃত হলফনামায় তিনি পেশা হিসেবে উল্লেখ করেছিলেন রাজনীতি ও সাধারণ ব্যবসায়ী।
 
নিজাম উদ্দিন হাজারী হলফনামায় কৃষিখাতে বাৎসরিক আয় দেখিয়েছেন ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা। যেখানে দশম সংসদের হলফনামায় কৃষি খাতে বাৎসরিক আয় ছিলো ২০ হাজার টাকা। ৫ বছরে কৃষিখাতে আয় বেড়েছে সাড়ে ১২ গুন। বাড়ি, এপার্টমেন্ট, দোকান ভাড়া থেকে বার্ষিক আয় ৯ লাখ টাকা। প্রার্থীর ওপর নির্ভরশীলদের আয় ৫ লাখ ৪৯ হাজার টাকা। যেখানে দশম সংসদ নির্বাচনে এ ক্ষেত্রে কোন আয় ছিলো না। ৫ বছরে বেড়েছে ১৪ লাখ ৪৯ হাজার টাকা বেড়েছে।

মৎস ব্যবসা করে নিজাম হাজারীর বাৎসরিক আয় ৬ কোটি ৯৯ লাখ ৯৯ হাজার ৭’শ টাকা। যেখানে ৫ বছর আগে তার ব্যবসা থেকে আয় ছিলো ২ লাখ ২১ হাজার ৪৬৮ টাকা। ৫ বছরের ব্যবধানে আয় বেড়েছে ৬ কোটি ৯৭ লাখ ৭৮ হাজার ২৩২ টাকা।

নিজাম হাজারীর শেয়ার, সঞ্চয়পত্র ও ব্যাংকে আমানত আছে ১১ লাখ ২২ হাজার ৩৩৩ টাকা। যার মধ্যে ১ লাখ ৪৪ হাজার ২০৮ টাকা (ব্যাংক সুদ) ও ৯ লাখ ৭৮ হাজার ১২৫ টাকা (এফডিআর সুদ)। এ খাতে তার ওপর নির্ভরশীলদের বাৎসরিক আয় দেখিয়েছেন ২ লাখ ৩৩ হাজার ৯৪৯ টাকা। দশম সংসদ নির্বাচনের সময় দাখিলকৃত হলফনামায় এ খাতে কোন টাকা আয় ছিলো না। সে হিসেবে এ খাতে ৫ বছরে বেড়েছে ১৩ লাখ ৫৬ হাজার ২৮২ টাকা। হলফনামার তথ্য অনুযায়ী এমপি পরিতোষিক ও ভাতাদি থেকে নিজাম হাজারীর বাৎসরিক আয় হয়েছে ২২ লাখ ২৬ হাজার ৬৫০ টাকা। এটি দশম সংসদ নির্বাচনের পর আয়ের খাতে যুক্ত হয়েছে।

হলফনামায় অস্থাবর সম্পদ হিসেবে গত ৩০শে জুন পর্যন্ত নিজাম হাজারীর নগদ ও ব্যাংকে জমা রয়েছে ২ কোটি ১৪ লাখ ২১ হাজার ৪৫৩ টাকা। স্ত্রীর নামে আছে ৯৮ লাখ ২৭ হাজার ২৬ টাকা। দশম সংসদ নির্বাচনের সময় হলফনামায় উল্লেখকৃত অর্থে ছিলো নিজ নামে নগদ ৫ লাখ টাকা ও স্ত্রীর নামে ৫০ হাজার টাকা। ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমাকৃত অর্থের পরিমান নিজ নামে ছিলো ৩ কোটি ২৮ লাখ ৪৭ হাজার টাকা ও স্ত্রীর নামে ছিলো ২ লাখ টাকা। নগদ ও ব্যাংক জমার পরিমান নিজ নাম কমলেও স্ত্রী নামে বেড়েছে প্রায় ৪০ গুণ।

বন্ড, ঋণপত্র ও স্টক এক্সচেঞ্জে শেয়ার রয়েছে নিজ নামে ৭১ লাখ টাকা (অ তালিকাভূক্ত শেয়ার ১১ হাজার ৬শ’টি) ও স্ত্রী নামে রয়েছে ৬৮ লাখ টাকা (অ তালিকাভূক্ত শেয়ার ১১ হাজার ৩শ’টি)। এ খাতে ৫ বছরে পূর্বে নিজাম হাজারী ও তার স্ত্রীর কোন প্রকার বিনিয়োগ ছিলো না।

৫ বছর পূর্বে হলফনামায় স্বর্ণালংকার ও মুল্যবান পাথর নিজ নামে ও স্ত্রীর নামে যা ছিলো ৫ বছর পর ঠিক তাই রয়েছে। নিজ নামে ৩০ ভরি (সাবেক হলফনামায় তোলা), যার মুল্য দেখিয়েছে ১৭ লাখ টাকা। স্ত্রীর নামে ১০০ ভরি (সাবেক হলফনামায় তোলা), যার মুল্য দেখিয়েছিলো মাত্র ১ লাখ টাকা (উপহার হিসেবে প্রাপ্ত)।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
shekh ajmal
৫ ডিসেম্বর ২০১৮, বুধবার, ১২:৫০

সমস্যা নেই কারণ সে সরকারের লোক

অন্যান্য খবর