× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ১৯ ডিসেম্বর ২০১৮, বুধবার
চট্টগ্রাম-৯

মামলার বোঝা ডা. শাহাদাতের আয় বেশি নওফেলের

এক্সক্লুসিভ

স্টাফ রিপোর্টার, চট্টগ্রাম থেকে | ৬ ডিসেম্বর ২০১৮, বৃহস্পতিবার, ৯:১৫

নাশকতাসহ পুলিশের দায়ের করা ৪৫ মামলার বোঝা চট্টগ্রাম-৯ আসনে বিএনপির প্রার্থী ডা. শাহাদাত হোসেনের ঘাড়ে। আর কোনো মামলা নেই আওয়ামী লীগের প্রার্থী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেলের। নির্বাচন কমিশনে দায়ের করা হলফনামায় এমন তথ্য পাওয়া গেছে। এরমধ্যে ডা. শাহাদাত হোসেন পেশায় চিকিৎসক এবং নওফেল আইনজীবী। হলফনামায় দেয়া তথ্যমতে, নওফেলের বছরে আয় ৫৭ লাখ ৪৫ হাজার ৩০০ টাকা। এরমধ্যে নওফেলের ব্যবসা থেকে কোনো আয় নেই। তবে স্ত্রীর আয় দেখিয়েছেন বছরে ৭ লাখ টাকা। স্থাবর সমপদ না থাকলেও ২ কোটি ২০ লাখ ৯৫ হাজার মূল্যমানের অস্থাবর সমপদ আছে নওফেলের।
 

অপরদিকে ডা. শাহাদাত হোসেনের বছরে আয় ২৯ লাখ ৯৯ হাজার ৯১৮ টাকা। তার নিজের আয় ১৮ লাখ ৪২৫ টাকা। নির্ভরশীলদের মধ্যে স্ত্রীর ব্যবসা থেকে আয় ৯ লাখ ৯৯ হাজার ৪৯৩ টাকা। অন্যান্য আয় ২ লাখ টাকা। বাড়ি, অ্যাপার্টমেন্ট, দোকান ভাড়া থেকে আয় ৩ লাখ ৫ হাজার ২৫ টাকা। পেশাগত আয় ১৪ লাখ ৯৫ হাজার ৪০০ টাকা।
ডা. শাহাদাতের নিজ নামে অস্থাবর সমপদ আছে ৫ কোটি ২৭ লাখ তিন হাজার ৬০৬ টাকার। স্ত্রীর নামে আছে ৫০ লাখ ৭২ হাজার ৯৬৬ টাকা। নিজ নামে নগদ আছে নয় লাখ ৩৩ হাজার ছয় টাকা। স্ত্রীর নামে ১২ লাখ ১৭ হাজার ৪৬৬ টাকা।

স্থাবর সমপদের মধ্যে ডা. শাহাদাতের নিজ নামে প্রায় ৯৬ লাখ টাকার সমপদ রয়েছে। স্ত্রীর নামে রয়েছে ৫ লাখ ৫০ হাজার টাকার। নিজ নামে ১৭ লাখ ৭০ হাজার টাকা মূল্যের ১৮ শতক এবং ছয় লাখ ৬০ হাজার টাকা মূল্যের ১.৫ কাঠা অকৃষি জমি আছে। নিজ নামে ৬৮ লাখ ১১ হাজার টাকার  ৮ তলাবিশিষ্ট একটি দালানের একাংশ আছে। এ ছাড়াও ৩৫ লাখ টাকা দামের একটি অ্যাপার্টমেন্ট আছে। এ ছাড়াও স্ত্রীর নামে ৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা মূল্যের দুই গণ্ডা এক কণ্ট জমি আছে।

ডা. শাহাদাত হোসেনের বিরুদ্ধে নাশকতাসহ পুলিশের দায়ের করা ৪৫টি মামলা রয়েছে। যার সবগুলোই বিচারাধীন রয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়। চট্টগ্রামের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ডা. শাহাদাত হোসেন বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন।

এদিকে আওয়ামী লীগের প্রার্থী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল হফলনামায় তার বিরুদ্ধে কোনো মামলা নেই এবং পেশায় তিনি আইনজীবী বলে উল্লেখ করেছেন। এমনকি নিজের ব্যবসা থেকে কোনো আয় দেখাননি তিনি। কিন্তু পেশা থেকে আয় দেখিয়েছেন বছরে সাত লাখ দুই হাজার ৬৩৯ টাকা। আর শেয়ার, সঞ্চয়পত্র, ব্যাংক আমানত থেকে আয় করেন ৩৭ লাখ টাকা। অন্যান্য খাত থেকে আয় করেন ৬ লাখ ৪২ হাজার ৬৬১ টাকা। স্ত্রীর ব্যবসা থেকে আয় দেখিয়েছেন সাত লাখ টাকা। সবমিলিয়ে বছরে আয় দেখিয়েছেন ৫৭ লাখ ৪৫ হাজার ৩০০ টাকা।
কোনো ধরনের স্থাবর সমপদ না থাকলেও ২ কোটি ২০ লাখ ৯৫ হাজার টাকা মূল্যমানের অস্থাবর সমপদ আছে বলে উল্লেখ করেছেন নওফেল।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর