× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ১৯ ডিসেম্বর ২০১৮, বুধবার

সিলেটে মহাজোটে জাপা ৩ বিকল্পধারা চায় এক আসন

এক্সক্লুসিভ

ওয়েছ খছরু, সিলেট থেকে | ৬ ডিসেম্বর ২০১৮, বৃহস্পতিবার, ৯:১৬

সিলেটে আওয়ামী লীগের কাছে জাতীয় পার্টি ৩টি ও বিকল্প ধারা চায় একটি আসন। এ কারণে এই চারটি আসনে শরিকরা তাদের প্রার্থী রেখেছে। তবে সিলেটের ৬টি আসনের মধ্যে একটি ছাড়া বাকি ৫টিই ছাড়তে নারাজ আওয়ামী লীগ। নেতাদের দাবি- সিলেটের যে ৫টি আসনে তাদের প্রার্থীরা রয়েছেন তারা হচ্ছেন- শক্তিশালী প্রার্থী। তাদের ছাড়া বিজয় ঘরে তোলা সম্ভব নয়। ফলে মহাজোটের ভেতরেও আসন ভাগ-বাটোয়ারা নিয়ে টানাপড়েন চলছে। আর নির্বাচনী মাঠে একাধিক প্রার্থী থাকায় কে মহাজোট প্রার্থী এ নিয়ে দ্বিধাদ্বন্দ্বে রয়েছেন ভোটাররা।

তবে মনোনয়নপত্র দাখিলের আগেই সিলেট-২ আসনটি ছেড়ে দিয়েছে আওয়ামী লীগ।
এ আসনে ২০১৪ সালের নির্বাচনেও মহাজোটের প্রার্থী ছিলেন বর্তমান এমপি ইয়াহহিয়া চৌধুরী এহিয়া। এবারো তাকে এ আসনে ছাড় দেয়ার কারণে আওয়ামী লীগের কোনো প্রার্থী মনোনয়ন পাননি। এহিয়ার বিরোধী হয়ে আলোচনায় থাকা শফিকুর রহমান কিংবা আনোয়ারুজ্জামান মনোনয়নপত্র দাখিল করেননি। এ আসনে এখন মহাজোটের একক প্রার্থী এহিয়া।

এদিকে মর্যাদাপূর্ণ সিলেট-১ আসনে ড. একে আবদুল মোমেনকে একক প্রার্থী দিয়ে নির্ভার আওয়ামী লীগ। এই আসনের জন্য জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় ফোরামের কাছে সিলেটের একাধিক নেতা মনোনয়ন চাইলেও কাউকে মনোনয়ন দেয়নি। সিলেট-৩ আসনেও সংকট দেখা দিয়েছে মহাজোটে। আওয়ামী লীগ থেকে এ আসনে প্রার্থী করা হয়েছে বর্তমান এমপি মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরী কয়েসকে। দলের ঘোষিত প্রথম তালিকায়ই আসে কয়েসের নাম। কিন্তু এই আসনে জাতীয় পার্টির টিকিট নিয়ে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন জেলার সদস্য সচিব উসমান আলী। ফলে এ আসনে কয়েসই মহাজোটের একক প্রার্থী সেটি এখনই বলা যাবে না। তবে- উসমান আলী এখানে শক্তিশালী প্রার্থী নয়। তিনি শহরতলির লাগোয়া একটি ইউনিয়নের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেছেন। দলীয় সিদ্ধান্তে উসমান আলী ভোটের মাঠে সক্রিয় রয়েছেন বলে জানান তিনি।

সিলেট-৪ আসনটিও চায় জাতীয় পার্টি। এ আসনে গেলবার মহাজোট প্রার্থী হয়ে এমপি নির্বাচিত হয়েছিলেন ইমরান আহমদ। ওই সময় এ আসনে প্রার্থী হতে চেয়েছিলেন জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য তাজ রহমান। কিন্তু পরে দলীয় সিদ্ধান্তে তাজ রহমান সরে যান। এবারো মনোনয়নপত্র জমা দিয়ে মাঠে সক্রিয় রয়েছেন তাজ রহমান। ইমরান আহমদ নৌকার পক্ষে ভোট চাইলেও তাজ রহমান লাঙলের পক্ষে ভোট প্রার্থনা করে চলেছেন। সিলেট-৫ আসন গেলবার জাতীয় পার্টির সেলিম উদ্দিনকে ছাড় দিয়েছিল আওয়ামী লীগ। এ কারণে আওয়ামী লীগ দল থেকে কাউকে প্রার্থী করা হয়নি। কিন্তু এবার এই আসনে আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন সাবেক এমপি হাফিজ আহমদ মজুমদার। একই ভাবে জাতীয় পার্টি থেকে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন সেলিম উদ্দিনও। পরে সেলিমের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হলে তিনি প্রার্থী হতে আপিল করেছেন। সেলিম উদ্দিন এ আসন থেকে মহাজোটের সমর্থন না পেলে শেষ মুহূর্তে জাতীয় পার্টি থকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন বলে জানিয়েছেন।

সিলেট-৬ আসনেও মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন সেলিম উদ্দিন। এ আসনেও তার মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে। সিলেট-৬ আসনটির বর্তমান এমপি নুরুল ইসলাম নাহিদ। তাকেও এবার আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়ন দেয়া হয়েছে। সেলিম উদ্দিন এবার এ আসনটি চেয়েছেন আওয়ামী লীগের কাছে। পাশাপাশি এ আসনে বিকল্প ধারা থেকে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন সমশের মবিন চৌধুরী। তিনিও এ আসন থেকে মহাজোটের সমর্থন চাচ্ছেন। তিনি নিজেও জানিয়েছেন- সিলেটের এই আসন থেকে তিনি মহাজোট থেকে সমর্থন পাবেন বলে আশাবাদী।

জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় প্রেসিডিয়াম সদস্য তাজ রহমান মানবজমিনকে জানিয়েছেন, ২০১৪ সালের নির্বাচনে সিলেটে দুটি আসন পেয়েছিল জাতীয় পার্টি। এবার প্রথমে চারটি দাবি করা হলেও শেষ মুহূর্তে তিনটিতে এসে আলোচনা চলছে। আসনগুলো হচ্ছে- সিলেট-২, সিলেট-৪ ও সিলেট-৫। এ আসনগুলোতে জাতীয় পার্টির ভোট ব্যাংক রয়েছে বলে তিনি জানান।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর