× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ১৬ ডিসেম্বর ২০১৮, রবিবার

পুরনো মামলায় চট্টগ্রামে বিএনপির প্রার্থীদের নতুন করে গ্রেপ্তার

শেষের পাতা

স্টাফ রিপোর্টার, চট্টগ্রাম থেকে | ৭ ডিসেম্বর ২০১৮, শুক্রবার, ১০:২২

আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রামের ১৬ আসনে বিএনপির মনোনীত বেশ কয়েকজন হেভিওয়েট প্রার্থী কারাগারে রয়েছেন। যারা নির্বাচনে অংশ নিতে অন্তত জামিনের আশায় প্রহর গুনছেন। কিন্তু বিধিবাম উল্টো পুরনো মামলায় তাদের নতুন করে গ্রেপ্তার দেখানোর নির্দেশ দিচ্ছে আদালত।

এ নিয়ে চরম অস্বস্তিতে রয়েছেন চট্টগ্রাম মহানগর ও জেলার বিএনপি নেতাকর্মীরা। এরমধ্যে চট্টগ্রাম-৯ কোতোয়ালি আসনের প্রার্থী মহানগর বিএনপির সভাপতি ডা. শাহাদাত হোসেনকে নাশকতার অভিযোগে দায়ের করা তিনটি মামলায় নতুন করে গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। গতকাল দুপুরে চট্টগ্রামের অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর হাকিম এম এম মহিউদ্দিন মুরাদ এ আদেশ দেন। তার আইনজীবী কামরুল ইসলাম সাজ্জাদ জানান, বাকলিয়া থানায় গত অক্টোবর ও নভেম্বরে পুলিশের ওপর ককটেল হামলাসহ নাশকতার অভিযোগে দায়ের হওয়া তিনটি মামলায় শাহাদাত হোসেনকে গ্রেপ্তারের আবেদন করেন তদন্তকারী কর্মকর্তা। আদালত অনুমতি দিয়েছেন।
এরপর শাহাদাত হোসেনের পক্ষে জামিন আবেদন করা হয়েছিল। কিন্তু আদালত জামিন নামঞ্জুর নতুন করে গ্রেপ্তারের আদেশ দিয়েছেন।

একইভাবে বুধবার দুপুরে হেফাজতে ইসলামের আমির আহমদ শফীকে আটকের গুজব তুলে নাশকতা সৃষ্টির অভিযোগে দায়ের হওয়া একটি মামলায় বিএনপি নেতা আসলাম চৌধুরীকে গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।
চট্টগ্রামের জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম আদালতের বিচারক এস এম শহীদুল্লাহ কায়সার এই আদেশ দেন। আসলাম চৌধুরী চট্টগ্রাম-৪ সীতাকুণ্ড আসনে বিএনপির মনোনীত হেভিওয়েট প্রার্থী।

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আবু সুফিয়ান বলেন, ধানের শীষের প্রার্থীদের নতুন মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে পুলিশ সরকারি এজেন্ডা বাস্তবায়ন করছে। ইসি বলছে তারা লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি করছে। অথচ আমরা একটি অসমতল মাঠে খেলছি। তফসিল ঘোষণার পর নির্বাচন কমিশনের কাছে নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তার না করতে দফায় দফায় আবেদন জানালেও পুরনো মামলায় নতুন করে তাদের গ্রেপ্তার দেখানো হচ্ছে। নির্বাচন থেকে দূরে রাখতে পুলিশ একের পর এক গায়েবি মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে চলছে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর