× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ১৬ ডিসেম্বর ২০১৮, রবিবার

‘মৃত’ কুদ্দুস জীবিত প্রমাণে প্রার্থিতা পেলেন আবু জাফর

শেষের পাতা

স্টাফ রিপোর্টার | ৭ ডিসেম্বর ২০১৮, শুক্রবার, ১০:২৩

এক গ্রামের চার কুদ্দুসের ধাঁধায় মনোনয়ন বাতিল হয়েছিল গাইবান্ধা-৩ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী আবু জাফরের। তদন্ত রিপোর্টে দেখানো হয় আবু জাফরের মনোনয়নপত্রের সঙ্গে জমা দেয়া কুদ্দুসের স্বাক্ষর জাল। আসলে এই কুদ্দুস মারা গেছে। কিন্তু আপিল শুনানিতে আবু জাফরের আইনজীবী অ্যাডভোকেট হাবিবুর রহমান নির্বাচন কমিশনারদের জানান, আল্লাহর রহমতে আমার গ্রামে চারজন কুদ্দুস জীবিত আছে। কেউ মরেনি।

আমি প্রত্যেকের নাম ও ভোটার নম্বরসহ জমা দিয়েছিলাম। কিন্তু তদন্ত প্রতিবেদন বলছে কুদ্দুস মারা গেছে। তবে কোন কুদ্দুসকে তারা মৃত পেয়েছে এমন কোনো তথ্য নেই। আইনজীবী বলেন, আমি জীবিত কুদ্দুসদের এফিডেভিট জমা দিয়েছি।
এখন ডিজিটাল যুগ। আমি তাদের ভিডিও করে নিয়ে এসেছি। এসময় মোবাইল বের করে ভিডিও দেখিয়ে আইনজীবী বলেন, স্যার দেখেন এখনো সব কুদ্দুস জীবিত। কেউ মরেনি। অতএব আমার আপিল বিবেচনার অনুরোধ করছি।

পরে নির্বাচন কমিশনাররা সম্মিলিতভাবে সিদ্ধান্ত দেন স্বতন্ত্র প্রার্থী আবু জাফরের পক্ষে। কুদ্দুস জীবিত প্রমাণিত হওয়ায় মনোনয়ন বৈধ হয় আবু জাফরের। শুনানি শেষে আইনজীবী হাবিবুর রহমান মানবজমিনকে বলেন, খামখেয়ালিভাবে আমার প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করেছিল রিটার্নিং কর্মকর্তা। আমরা প্রত্যেকের ভোটার নম্বরসহ স্বাক্ষর জমা দিয়েছিলাম। কিন্তু তারা কোথায় একজন মৃত কুদ্দুসকে খুঁজে পেয়েছে। তার জন্য প্রার্থিতা বাতিল করেছে। কিন্তু তদন্ত রিপোর্টে সমর্থক কুদ্দুসের আর কোনো তথ্য দেয়নি।

প্রার্থী আবু জাফর বলেন, হাস্যকর একটা ব্যাপার। সকল তথ্য দেয়ার পরও একটা ভুয়া অভিযোগে আমার প্রার্থিতা বাতিল করেছে। কিন্তু আপিলে আমি প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছি এই জন্য শুকরিয়া।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর