× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ১৬ ডিসেম্বর ২০১৮, রবিবার

৮০ প্রার্থীর মুখে হাসি

প্রথম পাতা

স্টাফ রিপোর্টার | ৭ ডিসেম্বর ২০১৮, শুক্রবার, ১০:৩৯
প্রার্থিতা বাতিলের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে আপিল শুনানি ছবি: নিজস্ব

মনোনয়ন বাছাইয়ে রিটার্নিং অফিসারের দেয়া সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল শুনানির প্রথম দিনেই প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন ৮০ জন। বাতিল করা হয়েছে ৭৬ জনের। চারজনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত স্থগিত রাখা হয়েছে। আপিলে প্রার্থিতা ফিরে পাওয়াদের মধ্যে বিএনপির ৩৭ জন, জাতীয় পার্টির নয়জন, অন্যরা স্বতন্ত্র ও অন্যান্য দলের।
প্রথম দিনে ১৬০ জন প্রার্থীর আবেদন শুনানির কথা ছিল। তিনজন অনুপস্থিত থাকায় অন্যদের শুনানি নিয়ে সিদ্ধান্ত দেয় কমিশন। বাতিল হওয়াদের মধ্যে বিএনপির ২২ প্রার্থী রয়েছেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন, চট্টগ্রাম-৫ আসনের মীর মোহাম্মদ নাছির, রংপুর-৫ আসনের ডা. মমতাজ হোসেন, নাটোর-২ আসনের রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, সিরাজগঞ্জ-২ আসনের ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, খাগড়াছড়ির আব্দুল ওয়াদুদ ভূঁইয়া, ঝিনাইদহ-১ আসনের আব্দুল ওয়াহাব। অন্যদিকের আপিলে মনোনয়নপত্রের বৈধতা পাওয়া বিএনপির ৩২ প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন, কিশোরগঞ্জ-২ আসনের মো. আখতারুজ্জামান, পটুয়াখালী-৩ আসনের গোলাম মাওলা রনি, রাজশাহী-১ আসনের ব্যারিস্টার আমিনুল হক প্রমুখ।  প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নূরুল হুদা, নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার, রফিকুল ইসলাম, কবিতা খানম ও শাহাদাত হোসেন চৌধুরী শুনানি গ্রহণ করেন।
আজ আপিল শুনানির দ্বিতীয় দিনে আরও ১৬০ জনের আপিলের শুনানি গ্রহণ করা হবে। আপিলে মনোনয়নপত্র টিকে যাওয়ায় বেশ কয়েকটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ফিরেছে বিএনপি।

গতকাল দুর্নীতি দমন কমিশনের করা মামলায় সাজাপ্রাপ্ত হওয়ায় চট্টগ্রাম-৫ আসনে বিএনপির ভাইস-চেয়ারপারসন মীর মোহাম্মদ নাছির উদ্দিনের প্রার্থিতা ফিরে পেতে করা আপিল নামঞ্জুর করেছেন নির্বাচন কমিশন। দুপুরে, নির্বাচন কমিশন ভবনের এগারো তলায় আপিল নিষ্পত্তির জন্য অস্থায়ী এজলাসে আপিল শুনানি শেষে তার মনোনয়ন বাতিলের সিদ্ধান্ত বহাল রাখে কমিশন। আপিল শুনানির সময় এজলাস কক্ষে হট্টগোল ও বাকবিতণ্ডার ঘটনা ঘটে।

বাদানুবাদে জড়িয়ে পড়েন মীর মোহাম্মদ নাছির উদ্দিনের আইনজীবী ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন ও আপিলে বিরোধিতাকারী ব্যারিস্টার তানজীব উল আলম। দুদকের মামলায় মীর নাছির উদ্দিনের বিরুদ্ধে সাজা স্থগিত রাখার বিষয়ে শুনানিতে নির্বাচন কমিশনকে অবহিত করেন মাহবুব উদ্দিন খোকন। তিনি বলেন, সর্বোচ্চ আদালতের আদেশ অনুযায়ী মীর নাছির উদ্দিনের নির্বাচন করতে বাধা নেই। তবে এ সময় মাহ্বুব উদ্দিন খোকনের বক্তব্যের বিরোধিতা করেন তানজীব উল আলম। এ সময় কমিশন আপিলের তার অবস্থান জানতে চান।  ীপরে মাহবুব উদ্দিন খোকন আবারো যুক্তি উপস্থাপন করতে গেলে তানজীব উল আলম দাঁড়িয়ে কথা বলা শুরু করেন। এসময় মাহবুব উদ্দিন খোকন কমিশনকে বলেন, ‘উনার আচরণ দেখেছেন। জোর গলায় কথা বলার কথা আমাদের। আমরা আপিল পক্ষ।

তিনি একবারে সরকারি দলের মতো আচরণ করছেন। আমরা মাঠে এমন চিত্র দেখতে পাই।’ আপিল শুনানিতে চট্টগ্রাম-৫ আসনে বিএনপির প্রার্থী মীর মোহাম্মদ নাছিরের মনোনয়নপত্র বাতিল হওয়ায় তিনি উচ্চ আদালতে যাবেন বলে সাংবাদিকদের জানান। মীর নাছির বলেন, ‘আমি হাইকোর্টে গিয়ে কমিশনের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করবো। আমি কমিশনকে বলেছি- তারা সরকারের পুতুল হিসেবে কাজ করছে। আমি তাদেরকে বলেছি, আপনারা নিজেদের আইন নিজেরাই ভঙ্গ করেছেন।’ এ সময় তিনি আরও বলেন, কমিশনের আইন হলো কারো বিরুদ্ধে দণ্ডাদেশ স্থগিত থাকলে তার নির্বাচনে অংশ নিতে বাধা নেই। অথচ, কমিশন নিজের আইন নিজেই ভঙ্গ করেছে। একজন আইনজীবী জাতীয় পার্টির প্রার্থীর পক্ষ হয়ে আপিল না করেও উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে বিরোধিতা করেছেন।’ হাইকোর্ট ন্যায়বিচার পাবেন বলেও প্রত্যাশার কথা জানান মীর নাছির। একই রকম সাজাপ্রাপ্ত হয়েও আওয়ামী লীগের প্রার্থী মোফাজ্জল হায়দার চৌধুরী মায়া ও হাজী সেলিমের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণার বিষয়টি তিনি সাংঘর্ষিক বলে উল্লেখ করেন।  বিকালে নাটোর-২ আসনে বিএনপির প্রার্থী রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলুর মনোনয়নও বাতিল করেছে নির্বাচন কমিশন।

তিনি একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও আগের নির্বাচনে দণ্ডিত ব্যক্তিদের নির্বাচন করার কথা তুলে করে কমিশনের কাছে তার প্রার্থিতা ফিরিয়ে দেয়ার আবেদন করেন। কিন্তু কমিশন তার আবেদন নামঞ্জুর করে মনোনয়ন বাতিল ঘোষণা করেন। পরে, রুহুল কুদ্দুস তালুকদার সাংবাদিকদের বলেন, বিএনপির যেসব প্রার্থী জয় লাভ করবেন, সুপরিকল্পিতভাবে তাদেরকে হারানোর জন্যই যেভাবে রিটার্নিং কর্মকর্তারা মনোনয়ন বাতিল করলেন, সেভাবেই কমিশনেও মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে। আমি এর শেষ দেখতে চাই, আমি হাইকোর্টে যাবো, প্রয়োজনে সুপ্রিম কোর্টেও যাবো। আমি ন্যায়বিচার পাবো। প্রতিদিন আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীরা নিজেদের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ছে, নিজেরা নিজেদের গুলি করে মারছে, তাদের কোনো বিচার করা হচ্ছে না। অথচ বিএনপি নেতাকর্মীদের গায়েবি মামলা দেয়া হচ্ছে। বিএনপিকে নির্বাচন থেকে দূরে রাখতেই সরকার এসব করছে। তবে, আগামী ৩০ তারিখ পর্যন্ত আমরা এর শেষ দেখতে চাই।’ তার আইনজীবী বলেন, রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু দুইটি মামলায় দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন। কিন্তু হাইকোর্ট এ রায়কে স্থগিত করেছেন। এক্ষেত্রে মহিউদ্দিন খান আলমগীরের সাজা সম্পর্কে উচ্চ আদালতের রায় কমিশনকে জানানো হলে কমিশন দুলুর প্রার্থিতা বাতিল করেছেন।

এদিকে, যশোর-২ আসনে বিএনপির প্রার্থী সাবিরা সুলতানার মনোনয়ন বাতিল করেছে কমিশন। তিনিও দুদকের মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত হওয়ায় কমিশন আপিল শুনানিতে আবেদন নামঞ্জুর করেন। তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় তিনি বলেন, কমিশনের সিদ্ধান্তে সন্তুষ্ট নই। আমি কমিশনের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করবো, সর্বোচ্চ আদালতে যাবো। সেখানে আশা করছি ন্যায়বিচার পাবো।

বিএনপির বৈধতা পেয়েছেন যারা: বগুড়া-৭ আসনে মোরশেদ মিল্টন, ঢাকা-২০ আসনে তমিজ উদ্দিন, কিশোরগঞ্জ-২ আসনে আখতারুজ্জামান, পটুয়াখালী-৩ আসনে গোলাম মওলা রনি, ঝিনাইদহ-২ আসনে আবদুল মজিদ, ঢাকা-১ আসনে খন্দকার আবু আশফাক, জামালপুর-৪ আসনে ফরিদুল কবির তালুকদার, পটুয়াখালী-৩ আসনে মো. শাহজাহান, সিলেট-৩ আসনে আবদুল কাইয়ুম চৌধুরী, জয়পুরহাট-১ আসনে ফজলুর রহমান, পাবনা-৩-আসনে মো. হাসাদুল ইসলাম, মানিকগঞ্জ-২ আসনে আবিদুর রহমান খান, সিরাজগঞ্জ-৩ আসনে আইনাল হক, খুলনা-৬ আসনে শফিকুল আলম, ময়মনসিংহ-৭ আসনে জয়নাল আবেদিন, শেরপুর-২ আসনে এ কে এম মুখলেছুর রহমান, ঢাকা-৫ আসনে সেলিম ভূইয়া, কুমিল্লা-৩ আসনে এ কে এম মুজিবুল হক, মানিকগঞ্জ-১ আসনে তোজাম্মেল হক, ময়মনসিংহ-৩ আসনে আহাম্মদ তায়েবুর রহমান, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে আবু আসিফ, পঞ্চগড়-২ আসনে ফরহাদ হোসেন আজাদ, মানিকগঞ্জ-৩ আসনে আতাউর রহমান, ঢাকা-১৪ আসনে সৈয়দ আবু বকর সিদ্দিক, কুড়িগ্রাম-৩ আসনে আবদুল খালেক, চট্টগ্রাম-১ আসনে নুরুল আমিন, কুমিল্লা-৫ আসনে মো. ইউনুছ, চট্টগ্রাম-৩ আসনে মোস্তফা কামাল পাশা, গাইবান্ধা-৩ মো. রফিকুল ইসলাম, গাইবান্ধা-৪ মো. নাজিমুল ইসলাম, সিরাজগঞ্জ-৫ আবদুল্লাহ আল মামুন, নাটোর-৪ মো. আ ঃ আজিজ, সিরাজগঞ্জ-৬ এম এ মুহিত, সিরাজগঞ্জ-৫ মেজর (অব.) মনজুর কাদের, রাজশাহী-১ ব্যারিস্টার আমিনুল হক, দিনাজপুর-১ মো. হানিফ, চট্টগ্রাম-৮ এরশাদুল্লা, ঝিনাইদহ-১ আসনে আবদুল ওয়াহাব, দিনাজপুর-৩ আসনে সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম।

বিএনপির বাতিল হয়েছে যাদের: খাগড়াছড়ি আবদুল ওয়াদুদ ভূইয়া, পঞ্চগড়-১ আসনে তৌহিদুল ইসলাম, বগুড়া-৩ আসনে আবদুল মুহিত, বগুড়া-৬ আসনে এ কে এম মাহবুবুর রহমান, হবিগঞ্জ-২ আসনে জাকির হোসেন, চট্টগ্রাম-৫ আসনে মীর মোহাম্মদ নাসির, নীলফামারী-৪ আসনে আমজাদ হোসেন, নীলফামারী-৩ আসনে ফাহমিদ ফয়সাল চৌধুরী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে আখতার হোসেন, ফেনী-১ আসনে নূর আহম্মদ মজুমদার, লালমনিরহাট-৩ মো. জাহাঙ্গীর আলম, রংপুর-৫ মমতাজ হোসেন, মাগুরা-২ মেহেদি আল মাসুদ, যশোর-২ সাবিরা সুলতানা মুন্নি, নাটোর-২ মো. রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, বগুড়া-৭ মো. সরকার বাদল, সিরাজগঞ্জ-২ ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, নওগাঁও-৫ মো. নজমুল হক, সিরাজগঞ্জ-৩ সাইফুল ইসলাম শিশির, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ মুশফিকুর রহমান।

স্বতন্ত্র প্রার্থী বৈধ হয়েছেন যারা: ময়মনসিংহ-২ আসনে আবু বকর ছিদ্দিক, কুড়িগ্রাম-৪ আসনে ইউনুছ আলী, বরিশাল-২ আসনে মো. আনিচুজ্জামান, সিলেট-৫ আসনে ফয়জুল মুনির চৌধুরী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে মুখলেছুর রহমান, লক্ষ্মীপুর-১ আসনে মাহবুব আলম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে আশরাফ উদ্দিন। রংপুর-১ মো. আসাদুজ্জামান, গাইবান্ধা-৩ মো. আবু জাফর, বগুড়া-৫ আসনের মো. আবদুর রউফ মণ্ডল জন, গাইবান্ধা-৪ আবদুর রহিম সরকার, চট্টগ্রাম-১৬ আসনে মো. জহিরুল ইসলাম।

স্বতন্ত্র প্রার্থী বাতিল যারা: চাঁপাই নবাবগঞ্জ-১ আসনে নবাব মো. শামসুল হুদা, চাঁপাই নবাবগঞ্জ-২ আসনে মো. তৈয়ব আলী, দিনাজপুর-২ আসনে মোকারম হোসেন, দিনাজপুর-১ আসনে পারভেজ হোসেন, ফেনী-১ আসনে মিজানুর রহমান, কিশোরগঞ্জ-৩ আসনে মিজানুল হক, ময়মনসিংহ-৪ আবু সাঈদ মহিউদ্দীন, রাঙ্গামাটিতে অমর কুমার দে, সাতক্ষীরা-১ আসনে এস এম মুজিবর রহমান (সরদার মুজিব), ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ আসনে মো. বশির উল্লাহ, নওগাঁ-৪ আসনে মো. আফজাল হোসেন, ফেনী-৩ আসনে হাসান আহমদ, ময়মনসিংহ-১০ আসনে হাবিবুল্লাহ বেলালী, লক্ষ্মীপুর-২ আসনে আবুল ফয়েজ ভূঁইয়া, কুমিল্লা-২ আসনে সারওয়ার হোসেন, কুমিল্লা-৪ আসনে মাহবুবুল আলম, নোয়াখালী-৩ আসনে এইচ আর এম সাইফুল ইসলাম। গাইবান্ধা-২ মো. মোকদুবার রহমান, লালমনিরহাট-১ আবু হেনা মো. এরশাদ হোসেন, কুড়িগ্রাম-৪ মো. আবিদ আলভী, নীলফামারী-৪ আক্তার হোসেন বাদল, নীলফামারী-৪ মিনহাজুল ইসলাম, কুড়িগ্রাম-৪ মো. আবুল হাসেম, কুড়িগ্রাম-১ মো. ওসমান গনি, বাগেরহাট-৪ আমিনুল ইসলাম খান, নড়াইল-১ শিকদার মো. শাহাদাত হোসেন, সাতক্ষীরা-১ নুরুল ইসলাম, গাইবান্ধা-৪ আমিনুল ইসলাম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ নজরুল ইসলাম ভুইয়া।

জাপার প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন যারা: মাদারীপুর-১ আসনে জহিরুল ইসলাম মিন্টু, গাজীপুর-২ আসনে মাহবুব আলম ও জয়নাল আবেদীন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ আসনে জেসমিন নূর বেবী, রংপুর-৪ আসনে মোস্তফা সেলিম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ আসনে আবদুল্লাহ আল হেলাল, নাটোর-৪ আসনে আলাউদ্দিন মৃধা, ঝিনাইদহ-৩ আসনে কামরুজ্জামান স্বাধীন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ আসনে মামুনুর রশিদ।

জাপার বাতিল যারা: মাদারীপুর-৩ আসনে আবুল খালেক, ময়মনসিংহ-২ আসনে এমদাদুল হক, খুলনা-২ আসনে এস এম এরশাদুজ্জামান, বগুড়া-৪ আসনে আশরাফুল হোসেন আলম (হিরো আলম), জামালপুর-৪ আসনে মামুনুর রশিদ, বগুড়া-২ আসনে আবুল কাশেম, গাইবান্ধা-৩ মো. মনজুরুল হক।

অন্যান্য প্রার্থী বৈধ হয়েছেন যারা:  সাতক্ষীরা-২ আসনে জেএসডির আফসার আলী, পটুয়াখালী-১ আসনে এনপিপির মো. সুমন সন্যামত, হবিগঞ্জ-১ আসনে ইসলামিক ফ্রন্টের জোবায়ের আহমেদ, হবিগঞ্জ-৪ আসনে ইসলামিক ফ্রন্টের মওলানা মুহাম্মদ সোলাইমান খান রাব্বানী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সৈয়দ আনোয়ার আহাম্মদ লিটন, ঢাকা-১৪ আসনে জাকের পার্টের জাকির হোসেন, ময়মনসিংহ-৮ আসনে এলডিপির এম এম বাসার, কুড়িগ্রাম-৪ আসনে গণফোরামের মাহফুজার রহমান,  চাঁদপুর-৫ আসনে এলডিপির নেয়ামুল বশির।
কুড়িগ্রাম-৪ জাকের পার্টির শাহ আলম, যশোর-৬ জাকের পার্টির সাইদুজ্জামান, নড়াইল-২ এর জেএসডির ফকির শওকত আলী, সিরাজগঞ্জ-৪ ইসলামী আন্দোলনের আবদুর রহমান, সিরাজগঞ্জ-৬ মুসলিম লীগের মো. হাবিবুর রহমান, বগুড়া-২ মুসলিম লীগের শফিকুল ইসলাম, বগুড়া-৬ জাকের পার্টির মো. ফয়সাল বিন, বগুড়া-৫ আসনে বিকল্প ধারার মাহবুব আলী, চট্টগ্রাম-১০ আসনে জাসদের আনিছুর রহমান, কুমিল্লা-১১ জাকের পার্টির মো. তাজুল ইসলাম, কুমিল্লা-৫ ইসলামী ঐক্যজোটের মো. শাহ আলম।

অন্যান্য বাতিল যারা: ঠাকুরগাঁও-৩ আসনে বিকল্পধারার এস এম খলিলুর রহমান, নাটোর-১ আসনে সাম্যবাদী দলের বীরেন্দ্র নাথ সাহা, ঢাকা-১ আসনে জাসদের আইয়ুব খান, ঢাকা-১৪ আসনে ইসলামিক ফ্রন্টের সাইফুদ্দিন আহমেদ, মৌলভীবাজার-২ মহিবুল কাদির চৌধুরী (জেপি), কুমিল্লা ১০ আসনে মুসলিম লীগের আবুল কালাম আজাদ, মৌলভীবাজার ২ আসনে জাতীয় পার্টি (জেপি) মহিবুল কাদের চৌধুরী।  

যশোর-২ জাকের পার্টির হাজী মহিদুল ইসলাম, বগুড়া-৪ আসনের ঐক্যবদ্ধ নাগরিক আন্দোলনের অধ্যাপক মোহাম্মদ জাহিদুর রহমান, নওগাঁও-২ বিকল্পধারার আবদুর রউফ মান্নান, বগুড়া-৭ আসনে জাসদের মো. আবদুর রাজ্জাক, নাটোর-৪ জাসদের ডিএম রনি পারভেজ আলম ও মুসলিম লীগের শান্তি রিবারু, চট্টগ্রাম-৯ ইসলামী ঐক্যজোটের মো. দুলাল খান, বান্দরবানের ইসলামী ঐক্যজোটের বাকুল হোসন।
এদিকে নীলফামারী-৪ আসনের একজন প্রার্থীর বিরুদ্ধে সোস্যাল ইসলামী ব্যাংক আপিল করলেও তা খারিজ করে দেয় ইসি।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর