× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ১৭ জানুয়ারি ২০১৯, বৃহস্পতিবার

‘নির্বাচনী সভা করলে ক্রসফায়ারের হুমকি’

এক্সক্লুসিভ

সরাইল ও নাসিরনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি | ২৩ ডিসেম্বর ২০১৮, রবিবার, ৯:০০

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ (নাসিরনগর) আসনের বিএনপির নেতাকর্মীদের বাড়িতে প্রতিরাতেই চলছে পুলিশি অভিযান। সঙ্গে থাকে কতিপয় হেলমেট বাহিনী। এলাকা ছাড়ার হুমকি ও মারধর এখন নিয়মিত বিষয়। নির্বাচনী সভা করলে ক্রসফায়ারের হুমকি। বিএনপি যেখানে সভা আহ্বান করে সেখানেই আওয়ামী লীগের সভা আহ্বান। রাস্তাঘাটে প্রকাশ্যে ধানের শীষের সমর্থকদের উপর চলছে শারীরিক নির্যাতন। সব মিলিয়ে এখানে বিএনপির নেতা-কর্মী ও সাধারণ ভোটাররা আতঙ্কগ্রস্ত। নাসিরনগর প্রেস ক্লাবে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে লিখিত বক্তব্যে উপরোল্লেখিত অভিযোগ করেছেন দলটির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা, ১ আসনে বিএনপি ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের মনোনীত প্রার্থী এসএকে একরামুজ্জামান সুখন।
তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের প্রার্থীর সমর্থকরা উপজেলার প্রবেশদ্বার আশুতোষ উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠের পাশে বিশাল প্যান্ডেল করে নির্বাচনী ক্যাম্প, গুনিয়াউক-হরিপুর সড়কে তোরণ নির্মাণ, নিয়মিত বেপরোয়া ভাবে মোটরসাইকেল শোভাযাত্রাসহ বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে আচরণবিধি লঙ্ঘন করে চলেছে। ধানের শীষের গণজোয়ারে ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে পরিকল্পিতভাবে বিএনপির নেতা-কর্মীদের কৌশলে শারীরিক নির্যাতন করা হচ্ছে। হেলমেট বাহিনী নিয়ে পুলিশ গভীর রাতে বাড়ি বাড়ি হানা দিচ্ছে। তল্লাশির নামে বসতঘরের আসবাবপত্র তছনছ করছে। ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি হাজী তারেক মিয়াকে এলাকা ত্যাগ নতুবা জেলহাজতের ভয় দেখায়। তুল্লাপাড়া গ্রামের বাহার ও ফান্দাউক ইউনিয়নের আতুকুরা গ্রামের নিরীহ ভোটারদের মারপিট করে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে। এ ছাড়া গত ১৮ই ডিসেম্বর জাসাস আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন ভূঁইয়া ও ১৯শে ডিসেম্বর গুটমা গ্রামের ইউপি সদস্য মজিবুর রহমান মজুকে নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে গায়েবি মামলায় জেলে পাঠিয়েছে। যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ইয়াছিন পাঠানকে প্রকাশ্যে হাকিম মিয়ার বাহিনী মারধর করে। বিষয়গুলো প্রশাসন ও যথাযথ কর্তৃপক্ষকে মৌখিকভাবে জানানোর পর ও কোনো প্রতিকার পায়নি। প্রধানমন্ত্রী ও সিইসি ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’ সৃষ্টির আশ্বাস দিলেও নাসিরনগরে সেই পরিবেশ এখনো হচ্ছে না। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, যত হামলা মামলা ও কৌশল করুক না কেন নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াবো না। মানুষের মন থেকে আতঙ্ক দূর করে শান্তি ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করাই আমার বড় প্রতিশ্রুতি। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সাবেক এমপি এসএম শাফি মাহমুদ, উপজেলা বিএনপির সম্পাদক এমএ হান্নান, ও জেলা বিএনপির সদস্য মো.ওমরাও খান।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর