× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ২৫ জুন ২০১৯, মঙ্গলবার

বিকল্পধারা ও যুক্তফ্রন্টের ইশতেহারে ৮ দফা

এক্সক্লুসিভ

স্টাফ রিপোর্টার | ২৫ ডিসেম্বর ২০১৮, মঙ্গলবার, ৯:৪৮

 আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচনী ইশতেহার প্রকাশ করেছে বিকল্পধারা বাংলাদেশ ও যুক্তফ্রন্ট। গতকাল গুলশানের লেকশোর হোটেলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে নির্বাচনী ইশতেহার প্রকাশ করা হয়। ইশতেহার পাঠ করেন বিকল্পধারা বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট এবং যুক্তফ্রন্টের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘আসন্ন নির্বাচনটি হবে জাতির জন্য ঐতিহাসিক এবং গুরুত্বপূর্ণ। এই নির্বাচনের মাধ্যমে জাতি গণতন্ত্রের আরো একটি ধাপে এগিয়ে আসবে। গত চার দশকের মধ্যে এই প্রথমবার একটি দলীয় সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচনে যোগ দিয়েছে দেশের রাজনৈতিক দলগুলো। এই প্রেক্ষাপটে আমাদের আহ্বান থাকবে এই নির্বাচন যাতে শান্তি ও শৃঙ্খলার মধ্যে অনুষ্ঠিত হয়, সেজন্য নির্বাচন কমিশন তথা রাজনৈতিক দলগুলো তাদের যথাযথ ভূমিকা পালন করবে। এ সময় ৮ দফা ইশতেহার ঘোষণা করেন এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী।
এর মধ্যে রয়েছে আইন প্রণয়ন এবং প্রশাসনিক সংস্কার, অর্থনৈতিক ও সামাজিক কর্মসূচি, কৃষি এবং কৃষকের উন্নয়ন, শিক্ষা ব্যবস্থা, গণতন্ত্র ও ভারসাম্যের রাজনীতি, পরিবেশ, নিরাপত্তা, আইনশৃঙ্খলা এবং পররাষ্ট্র নীতি। এসব দফার উপ-দফার মধ্যে উল্লেখযোগ্য বিষয়গুলোর মধ্যে রয়েছে: জাতীয় সংসদের সদস্য সংখ্যা বৃদ্ধি করা। দ্বি-কক্ষবিশিষ্ট সংসদ গঠন করা। নারী শ্রমিকদের মাতৃত্বকালীন এবং অন্যান্য স্বাস্থ্য ও বাসস্থান সুবিধা বৃদ্ধি করা। ব্যাংকিং কমিশন প্রতিষ্ঠা করার মাধ্যমে অর্থনৈতিক দুর্নীতি ও ব্যাংকিং খাতে ব্যাপক সংস্কার সাধন। একটি ‘যুব কমিশন’ গঠন ও কমিশনের মাধ্যমে যুব প্রতিনিধিদের দ্বারা ভবিষ্যতে যুবশক্তির উন্নয়ন এবং যুব স্বপ্নের বাস্তবায়ন। সক্ষম প্রতিবন্ধীদের জন্য সরকারে একটি নির্দিষ্ট সংখ্যায় চাকরি সংরক্ষণ করা। পার্বত্য চট্টগ্রাম, উত্তরাঞ্চল, নদীভাঙা এবং চরাঞ্চলের চরম দারিদ্র্যপীড়িত জনগণের জন্য বিশেষ কর্মসূচি গ্রহণ করা। সকল ধর্মীয় ও অনুভূতির প্রতি রাষ্ট্রীয় সম্মান, সহানুভূতি ও শ্রদ্ধাবোধের পরিবেশ সৃষ্টি করা। কৃষকের অবস্থার সার্বিক উন্নয়নে বাস্তবমুখী কৃষকবান্ধব নীতি ও আইনের প্রবর্তন এবং প্রয়োগ করা। জাতীয় মাথাপিছু আয়ের নিচে যাদের অবস্থান থাকবে সেইসব কৃষক ও কৃষি শ্রমিকদের ৬০ বছর বয়সের পর থেকে তাদের অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ সরকারি পেনশনের ব্যবস্থাকরণ। কঠোরভাবে প্রশ্নফাঁসসহ শিক্ষার সকল দুর্নীতি দমন। বেসরকারি ও সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা পদ্ধতির মধ্যে সমন্বয় সাধন ও মান নিয়ন্ত্রণ। মন্ত্রিসভায় কমপক্ষে ২০ শতাংশ নারী এবং ২০ শতাংশ দেশের বিশেষজ্ঞদের (টেকনোক্র্যাট) জন্য সংরক্ষণ। শ্রমজীবী, কৃষক ও সংখ্যালঘু প্রতিনিধিকে বাধ্যতামূলকভাবে মন্ত্রিসভায় স্থান দেয়া হবে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর