× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ২২ মার্চ ২০১৯, শুক্রবার

ঋণ আত্মসাতের দুই মামলায় দুই ব্যক্তিকে আত্মসমর্পণের নির্দেশ

দেশ বিদেশ

স্টাফ রিপোর্টার | ১১ জানুয়ারি ২০১৯, শুক্রবার, ১০:০৭

রাষ্ট্রায়ত্ত সোনালী ও বেসিক ব্যাংকের ঋণ আত্মসাতের পৃথক দুই মামলায় দুইজনকে বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। এই দুই ব্যক্তি হলেনÑ ইকসল ফুড বেভারেজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মো. সাইফুল ইসলাম ও নারায়ণগঞ্জের সীমা নিটওয়্যার অ্যান্ড ডায়িংয়ের চেয়ারম্যান আবদুর রশিদ মিয়া। এরমধ্যে সাইফুল ইসলামকে দুই সপ্তাহের মধ্যে বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণ করতে হবে। তার জামিন প্রশ্নে জারি করা রুল খারিজ করে এ আদেশ দেয়া হয়েছে।
গতকাল বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কেএম হাফিজুল আলম সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল একেএম আমিন উদ্দিন মানিক। দুদকের পক্ষে আইনজীবী ছিলেন একেএম ফজলুল হক। আসামি পক্ষে আইনজীবী উপস্থিত ছিলেন না।
বেসিক ব্যাংকের বংশাল শাখা থেকে স্বাক্ষরবিহীন আবেদনের মাধ্যমে ইকসল ফুড বেভারেজ লিমিটেডের এমডি মো. সাইফুল ইসলামসহ তিনজনের বিরুদ্ধে ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে ৭ কোটি ৮৫ লাখ ৩২ হাজার ৯৮৭ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ২০১৭ সালের ৬ই ডিসেম্বর একটি মামলা দায়ের করে দুদক। দুদকের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ সিরাজুল হক বংশাল থানায় মামলা দায়ের করেন।
অন্য আসামিরা হলেনÑ ইকসল ফুড অ্যান্ড বেভারেজ লিমিটেডের চেয়ারম্যান আতাউর রহমান ও বেসিক ব্যাংক বংশাল শাখার ব্যবস্থাপক মো. সেলিম।
পরে দুদকের এ মামলায় সাইফুল ইসলামকে জামিন দেন। তার জামিন প্রশ্নে রুলও জারি করা হয়।  হাইকোর্টের দেয়া জামিনের বিরুদ্ধে দুদক আপিল করলে আপিল বিভাগ ওই জামিন বাতিল করেন। একইসঙ্গে রুল নিষ্পত্তির নির্দেশ দেন। এ রুলের শুনানি শেষে তা খারিজ করে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেয়া হলো।
ওদিকে, সোনালী ব্যাংকে ঋণ কেলেঙ্কারির মামলায় নারায়ণগঞ্জের সীমা নিটওয়্যার অ্যান্ড ডায়িংয়ের চেয়ারম্যান আবদুর রশিদ মিয়ার অব্যাহতির আদেশ বাতিল করে তাকেও বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্টের একই বেঞ্চ।
নারায়ণগঞ্জ শহরের সোনালী ব্যাংক মহিলা শাখা (বর্তমানে ফরেন এক্সচেঞ্জ শাখা) থেকে ৬৫ শতক জমি বন্ধক রেখে ব্যাংকিং নিয়মনীতি লঙ্ঘন করে ১৩ কোটি ৪৬ লাখ ৪৫ হাজার ৬৪৬ টাকা ঋণ নেন আবদুর রশিদ মিয়া। ঋণের এই অর্থ পরবর্তীতে সুদসহ ২২ কোটি ৪৯ লাখ ৬৬ হাজার ২১৩ টাকায় দাঁড়ায়। ওই টাকা আত্মসাতের অভিযোগ এনে ২০১৩ সালের ২৯শে জানুয়ারি আবদুর রশিদ মিয়াসহ তিনজনকে আসামি করে নারায়ণগঞ্জ সদর থানায় মামলা দায়ের করেন দুদকের উপ-পরিচালক মো. সিরাজ উদ্দিন। ঢাকার বিভাগীয় বিশেষ জজ আদালত আবদুর রশিদ মিয়াকে অব্যাহতি দিয়েছিলেন। যা গতকাল হাইকোর্টে বাতিল হয়েছে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর