× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ২১ জানুয়ারি ২০১৯, সোমবার

চট্টগ্রামে যুবলীগের দু’পক্ষের তাণ্ডব, কর্মীর আঙুল কর্তন

শেষের পাতা

স্টাফ রিপোর্টার, চট্টগ্রাম থেকে | ১১ জানুয়ারি ২০১৯, শুক্রবার, ১০:২৮

চাঁদাবাজির আধিপত্য নিয়ে চট্টগ্রাম মহানগরীর ইপিজেড থানার নারিকেল তলা এলাকায় যুবলীগের দুই গ্রুপের মধ্যে রাতভর সংঘর্ষ হয়েছে। এ সময় লোকমান (৩২) নামে এক কর্মীর ডান হাতের আঙুল কেটে নেয়া হয়েছে। এই ঘটনায় যুবলীগের আরো ১০ কর্মী আহত হয়েছে। বুধবার রাত ৯টা থেকে  দেড়টা পর্যন্ত এই সংঘর্ষ চলে। ইপিজেড মোড় থেকে নারিকেল তলা এলাকা পর্যন্ত ফুটপাথের ভাসমান দোকানিদের কাছ থেকে চাঁদা আদায়ের আধিপত্য নিয়ে সাবেক ছাত্রলীগ নেতা দেবাশীষ পাল দেবু এবং সাবেক কাউন্সিলর ও স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা মো. আসলামের অনুসারীদের মধ্যে সংঘর্ষের এ ঘটনা ঘটে।

ইপিজেড  থানার ওসি নুরুল হুদা জানান, সংঘর্ষ শুরুর খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ সময় কিছুক্ষণের জন্য সড়কে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়। সংঘর্ষে ১১ জনের মতো আহত হয়েছে।
এরমধ্যে লোকমান নামে যুবলীগের এক কর্মীর ডান হাতের একটি আঙুল কেটে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে।
দেবাশীষের অনুসারী চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক শিক্ষা ও পাঠচক্র বিষয়ক সম্পাদক জাকের আহমেদ খোকন বলেন, হামলায় লোকমানের ডান হাতের বাম আঙুল বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে যায়। গুরুতর আহত লোকমানকে আমরা প্রথমে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাই। সেখানে আঙুলটি অপারেশন করে জোড়া লাগানো সম্ভব নয় বলে জানালে তাকে বেসরকারি ম্যাক্স হাসপাতালে নিয়ে যায়।  

এই হামলায় যুবলীগ কর্মী সাইফুল, ছাত্রলীগ নেতা ইয়াছিন, ফয়সালসহ আরো কয়েকজন আহত হয়েছে বলে জানান তিনি।
জাকের অভিযোগ করেন, সংঘর্ষে আসলামের অনুসারীরা দেবাশীষের অনুসারীদের বাড়ি খুঁজে হামলা চালিয়েছে। রাত ৯টা থেকে দেড়টা পর্যন্ত ২০-২৫টি বাড়িতে হামলা চালায় বলে অভিযোগ করেন জাকের।
তবে আসলামের অনুসারী যুবলীগ কর্মী জাহাঙ্গীর আলম বলেন, রাতে বাড়িঘরে কোনো হামলা হয়নি। এটা দেবাশীষের পক্ষের অনুসারীদের অপপ্রচার।

স্থানীয়রা জানান, ইপিজেড মোড় থেকে নারিকেল তলা এলাকা পর্যন্ত ফুটপাথের ভাসমান দোকানীদের কাছ থেকে চাঁদা আদায়ে আধিপত্য নিয়ে যুবলীগের এই দুই পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে দ্বন্দ্ব চলে আসছিল। এ নিয়ে বুধবার রাত ৯টার দিকে উভয়পক্ষ লাঠি, লোহার রড, রামদাসহ বিভিন্ন অস্ত্র নিয়ে সংঘাতে জড়িয়ে পড়ে। রাত দেড়টা পর্যন্ত তাদের তাণ্ডব চলে। এ সময় গুরুত্বপূর্ণ বিমানবন্দর সড়কে প্রায় ৩ ঘণ্টা যানবাহন চলাচল বন্ধ ছিল। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
রিপন
১১ জানুয়ারি ২০১৯, শুক্রবার, ১০:৪১

সোনামানিকদের কামড়াকামড়িতে শেষপর্যন্ত তাহলে ১০ জন আহত ও দু' আঙুল নিহত?

অন্যান্য খবর