× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ২৫ জুন ২০১৯, মঙ্গলবার

পাকুন্দিয়ায় আলুর বাম্পার ফলন

বাংলারজমিন

পাকুন্দিয়া প্রতিনিধি | ১২ জানুয়ারি ২০১৯, শনিবার, ৭:০৬

 আবহাওয়া অনুকূলে থাকা ও রোগবালাই কম হওয়ায় এবং কৃষকদের আগাম সতর্কতামূলক পরামর্শ প্রদান করায় গত বছরের তুলনায় এবছর পাকুন্দিয়ায় আলুর বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। গত বছর যেখানে আলুর লক্ষ্যমাত্রা ছিলো ১৪০০ হেক্টর। সেখানে এবছর ১৫০০ হেক্টর জমিতে ইতিমধ্যে আলু আবাদ হয়ে গেছে। তবে আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এখনও অনেক চাষি আলুর আবাদ করছেন বলে জানা গেছে। পাকুন্দিয়া পৌরসদরসহ নয়টি ইউনিয়নেই কমবেশি আলুর আবাদ হয়ে থাকে। তন্মধ্যে জাঙালিয়া, চরফরাদী, এগারসিন্দুর, সুখিয়া ও চণ্ডিপাশা ইউনিয়নে বেশি পরিমাণে আলু চাষ করা হয়। সরজমিনে উপজেলার কয়েকটি আলু জমিতে গিয়ে দেখা গেছে, লাল রঙের স্পিদ জাতের আলু অনেক এলাকায় উত্তোলন উপযোগী হয়ে গেছে। কৃষকরা জমি থেকে আলু তুলে বাজারে নেওয়ার জন্য জমা করছেন।
সাদা রঙের ডায়মন্ড জাতের আলু উত্তোলন করতে আরো কিছুদিন লাগবে। তবে লাল রঙের স্পিদ জাতের আলু আগাম চাষাবাদ হয়ে থাকে এবং ৬০ দিনের মধ্যে উত্তোলনের উপযোগী হয়ে পড়ে। আর ডায়মন্ড জাতের আলু আবাদ করতে সময় লাগে ৯০ দিন। কয়েকজন আলু চাষি জানান, লাল রঙের স্পিদ জাতের আলুর বাজার দাম ভালো। বাজারে বর্তমানে প্রতি মণ লাল জাতের আলু ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। তবে ডায়মন্ড জাতের আলু বাজারে আসলে দাম কমবে বলেও জানান তারা। এবার আলুর বাম্পার ফলন হওয়ায় বেজায় খুশি চাষিরা। তারা জানান, গত বছর আবহাওয়া অনুকূলে না থাকায় রোগ-বালাইয়ে আলু চাষে তেমন একটা লাভবান হওয়া যায়নি। তবে এবছর আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় ও রোগবালাই কম হওয়ায় স্পিদ ও ডায়মন্ড উভয় জাতের আলুরই বাম্পার ফলন হয়েছে। এতে তারা লাভবান হবেন। উপজেলা কৃষি অফিসের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা হামিমুল হক সোহাগ বলেন, আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় ও আলু চাষিদের পর্যাপ্ত পরামর্শ দেয়ায় এবছর আলুর ভালো ফলন হয়েছে। এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাইফুল হাসান আল-আমিন মানবজমিনকে জানান, রোগবালাই নাশে এবছর কৃষকদের মাঝে আগাম পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া উপজেলায় প্রায় তিন হাজার সর্তকর্তামূলক লিফলেট বিতরণ করা হয়েছে। এতে কৃষকরা উদ্বুদ্ধ হওয়ায় শৈত্যপ্রবাহ থাকা সত্ত্বেও আলুর বাম্পার ফলন হয়েছে। এবং রোগবালাইও নেই বললেই চলে। উপজেলা কৃষি বিভাগ থেকে চাষাবাদে কৃষকদের পরামর্শ অব্যাহত থাকবে।   

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর