× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ১৯ জুন ২০১৯, বুধবার

চট্টগ্রাম শহরে বাড়ি বানাতে ওয়াসার ছাড়পত্র লাগবে

দেশ বিদেশ

স্টাফ রিপোর্টার, চট্টগ্রাম থেকে | ১২ জানুয়ারি ২০১৯, শনিবার, ৯:৫১

চট্টগ্রাম মহানগরে আবাসিক-অনাবাসিক ভবন তৈরি করতে ওয়াসার ছাড়পত্র নেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। নির্দিষ্ট ফি পরিশোধের মাধ্যমে ওয়াসার কাছ থেকে ছাড়পত্র নেওয়ার পর ভবন তৈরি করা যাবে।
অন্যথায় এসব ভবনে ওয়াসা পানির সংযোগ দেবে না ওয়াসা। পানি সরবরাহ ব্যবস্থায় শৃঙ্খলা আনতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানান চট্টগ্রাম ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) এ কে এম ফজলুল্লাহ।
তিনি জানান, আগামী মার্চ থেকে ছাড়পত্র দেওয়ার এই কার্যক্রম চালুর চিন্তাভাবনা করছে ওয়াসা। তার আগে ফি নির্ধারণ করা হবে। আগামী বোর্ড সভায় ফি চূড়ান্ত করা হবে। এরপর ওয়াসা গণবিজ্ঞপ্তি জারি করবে।
এ কে এম ফজলুল্লাহ বলেন, ঢাকায় ভবন নির্মাণ করতে হলে ওয়াসার ছাড়পত্র নেওয়া বাধ্যতামূলক।
চট্টগ্রাম নগরীতেও আমরা এটা চালু করছি। কারণ শুধু ভবন বানালেই তো হবে না, সেখানে পানি সরবরাহ করা যাবে কি-না, সংযোগ লাইন নেওয়ার বিধান আছে কি-না, এসবও তো দেখতে হবে। আমরা ঢাকা ওয়াসার বিধান যাচাই-বাছাই করছি।
চট্টগ্রাম ওয়াসার বোর্ড সদস্য মহসীন কাজী বলেন, বিলের মধ্যে ৪০তলা বিল্ডিং একটা বানিয়ে রাখলেই তো হবে না, সেই বিল্ডিংয়ে পানির লাইন কীভাবে নেওয়া যাবে কিংবা আদৌ নেওয়া যাবে কিনা সেটা তো ওয়াসাকেই ভাবতে হবে। সুতরাং, যদি ছাড়পত্র নিতে হয়, সেক্ষেত্রে ওয়াসা আগে যাচাইবাছাই করে নিতে পারবে যে, আদৌ সেখানে পানির লাইন দেওয়া সম্ভব কি না।
তিনি বলেন, বহুতল ভবন নির্মাণের ক্ষেত্রে ছাড়পত্র নেওয়ার বিধান এখনও আছে। নতুন করে আবাসিক-অনাবাসিক সব ভবনের জন্য এটা বাধ্যতামূলক করার বিষয়ে সকল বোর্ড সদস্য একমত হয়েছেন। ছাড়পত্র নেওয়া বাধ্যতামূলক করা সঠিক হলেও এতে নগরবাসী ভোগান্তিতে পড়বে এবং ঘুষ-দুর্নীতির আরেকটি ক্ষেত্র তৈরি হচ্ছে বলে মনে করছেন নগর পরিকল্পনাবিদরা।
পরিকল্পিত চট্টগ্রাম ফোরামের মহাসচিব স্থপতি জেরিনা হোসাইন বলেন, ওয়াসার ছাড়পত্র নেওয়া বাধ্যতামূলক করার সিদ্ধান্ত ইতিবাচক। কিন্তু অন্যান্য দেশে ভবন নির্মাণকারীর জন্য সমন্বিত কর্তৃপক্ষ আছে। আমাদের দেশে সেটা নেই। তিনি বলেন, একজন ভবন নির্মাণকারীকে যদি ছাড়পত্রের জন্য একবার সিডিএ, একবার ওয়াসা, একবার পরিবেশ অধিদপ্তরে যেতে হয়, তাহলে ভোগান্তির মাত্রাটা যে কি হবে, কল্পনাও করা যায় না। এছাড়া ভোগান্তির পাশাপাশি সিপডমানির নামে ঘুষ লেনদেনেরও একটা সুযোগ থেকে যাচ্ছে।
সমন্বিত কর্তৃপক্ষ ছাড়া প্রত্যেক সংস্থার কাছ থেকে আলাদা আলাদা ছাড়পত্র নেওয়ার বিধান কেবল হয়রানিই বাড়াবে এমনটাই মনে করছেন এই নগর পরিকল্পনাবিদ।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর