× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ২৫ জুন ২০১৯, মঙ্গলবার

সৈয়দপুরে শ্রেণিকক্ষে স্কুলছাত্রী ধর্ষিত

বাংলারজমিন

সৈয়দপুর (নীলফামারী) প্রতিনিধি | ১৩ জানুয়ারি ২০১৯, রবিবার, ৭:৫৫

সৈয়দপুরে বুধবার দুপুরে স্কুলকক্ষে ৫ম শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ তুলেছেন ছাত্রীর মা। অভিযুক্ত শিক্ষক কাশিরাম বেলপুকুর ইউনিয়নের ডাঙ্গাবাড়ী শিশুমঙ্গল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক জাহিদুল ইসলাম। তার বাড়ি ডাঙ্গীবাড়ী গ্রামে। নির্যাতিত ছাত্রীর মা জানান, বুধবার সকালে আমার মেয়ে অন্যান্য দিনের মতো স্কুলে যায়। দুপুরের দিকে আমার মেয়ে কাঁদতে কাঁদতে বাড়িতে এসে আমাকে জানায়, জাহিদুল মাস্টার আমার মেয়ের সঙ্গে খারাপ কাজ করেছে। পরে মেয়ে আমাকে ঘটনা খুলে বলে।  বুধবার ৫ জন শিক্ষকের স্থলে হেড মাস্টারসহ অন্য দুজন শিক্ষক ছুটিতে থাকায় দুপুর দেড়টার দিকে স্কুল ছুটি দেয় দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষক জাহিদুল ইসলাম। এসময় মাঠে খেলতে থাকা ৫ম শ্রেণীর ছাত্রীটিকে রুমে ডেকে নিয়ে দরজা বন্ধ করে ধর্ষণ করে। আমি বৃহস্পতিবার হেড মাস্টারকে জানালে তিনি মীমাংসা করার কথা বলেন।
আমি বিষয়টি এলাকার মেম্বার নুর নবীকে জানালে শনিবার সকালে সালিশ মীমাংসা করার কথা বলে টালবাহানা শুরু করেন। প্রধান শিক্ষক মিজানুর রহমান মীমাংসা করার জন্য বারবার চাপ দিতে থাকে এবং আমি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে অভিযোগ দিতে চাইলে আমাকে ভয়ভীতি দেখানো হয়। এলাকাবাসী জানায়, জাহিদুল ইসলাম শিক্ষক নামের কলঙ্ক। এর আগেও সে এমন কয়েকটি ঘটনা ঘটিয়ে পার পেয়ে গেছে। কিছুদিন আগে সংরক্ষিত আসনের ওয়ার্ড মেম্বারকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেছে। তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। প্রধান শিক্ষক মিজানুর রহমান জানান, বুধবার আমি ছুটিতে ছিলাম। তবে ঘটনাটি বৃহস্পতিবার বলে মেয়েটির মা আমাকে জানিয়েছে। কামারপুকুর ক্লাস্টারের উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার রুহুল আমিন জানান, ঘটনার চার দিন পর শনিবার দুপুর ১টার দিকে প্রধান শিক্ষক মিজানুর রহমান আমাকে বিষয়টি জানিয়েছেন। আমি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবগত করেছি। উপজেলা শিক্ষা অফিসার শাহজাহান মণ্ডল জানান, ঘটনাটি কিছুক্ষণ আগে প্রধান শিক্ষকের কাছে শুনেছি। ছাত্রীর পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ পেলে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার এসএম গোলাম কিবরিয়া জানান, অভিযোগ পেলে ছাত্রীটিকে সব রকম আইনি সহায়তা দেয়া হবে এবং অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
Alamin
১৩ জানুয়ারি ২০১৯, রবিবার, ৫:৩০

ঘটনা সত্য হলে ঐ পশুকে ফাসি দিতে হবে

অন্যান্য খবর