× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ২৫ জুন ২০১৯, মঙ্গলবার
লাকসামে এলজিআরডি মন্ত্রী

‘গ্রামকে শহরে রূপান্তরিত করতে কাজ করবো’

বাংলারজমিন

লাকসাম (কুমিল্লা) প্রতিনিধি | ১৩ জানুয়ারি ২০১৯, রবিবার, ৮:৩৬

বর্ণিত সাজে লাকসাম। ফুলে ফুলে সিক্ত হলেন এলজিআরডি মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম। তিনি গতকাল সংবর্ধনা অনুষ্ঠান বাতিল করে আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বলেন, প্রধানমন্ত্রী আমাকে মন্ত্রী করে লাকসামকে সম্মানীত করেছেন। আমি সেই সম্মান বজায় রাখবো। দলমত নির্বিশেষে সবাইকে ঊর্ধ্বে রেখে সন্ত্রাস, নৈরাজ্য দূর করে সুখী সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলবো। ১৯৯৮ সালে ছাত্রশিবিরের হাতে নওয়াব ফয়জুন্নেছা সরকারি কলেজের ছাত্রলীগের দুই নেতা নিহত হয়েছেন। তাদেরকে মন্ত্রী শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। তিনি আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রী বার বার আমাকে মনোনয়ন দিয়েছেন।
মনোনয়ন দেয়ার কারণে আমি এমপি হয়েছি। ১৯৯৬ সাল থেকে আমাকে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের কমিটির দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। আমি সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে আমার দায়িত্ব পালন করেছি। কোনো দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত ছিলাম না। আমার সততার কারণে প্রধানমন্ত্রী আমাকে বিশ্বাস করে অনেক গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর দায়িত্ব দিয়েছেন। আমি ওনার নিকট কৃতজ্ঞ। আগামী পাঁচ বছরে বাংলাদেশকে সাফল্যের সঙ্গে এগিয়ে নিয়ে অভূতপূর্ব এক বাংলাদেশ গড়ে তুলবো এবং নিষ্ঠা ও সততার সঙ্গে কাজ করবো। নির্বাচনের ইশতেহার অনুযায়ী সব গ্রামকে আগামী পাঁচ বছরে শহরে রূপান্তরিত করার জন্য কাজ করবো। তিনি আরো বলেন, আমি কারও প্রতি অবিচার করবো না। লাকসাম-মনোহরগঞ্জে সমস্ত উন্নয়নমূলক কাজ করা হবে। সরকারি কর্মচারীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, দুর্নীতি বন্ধ করতে হবে। সফলতার সঙ্গে যাতে দায়িত্ব পালন করতে পারি সে জন্য সবার দোয়া চেয়েছেন। এরপর আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগসহ বিভিন্ন ব্যবসায়ী, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, রাজনৈতিক সামাজিক সংগঠন, সরকারি-বেসরকারি ব্যাংকসহ লাকসাম সাংবাদিক ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দ ফুল দিয়ে স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলামকে সংবর্ধিত করেন। এ সময় মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন- উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট ইউনুছ ভূঁইয়া, ভাইস চেয়ারম্যান মহব্বত আলী, পৌরমেয়র অধ্যাপক আবুল খায়ের, পৌরসভা আওয়ামী লীগের সভাপতি তাবারক উল্যাহ কায়েস প্রমুখ। বিকালে কৈত্রা ইউনিয়নের সহসভাপতি নিহত ফয়েজ উল্যাহ’র কবর জিয়ারত করেন এবং শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
নির্বাচনের সহিংসতার কারণে আওয়ামী লীগের কৈত্রা ইউনিয়নের সহসভাপতি ফয়েজ উল্যাহ গত ১০ দিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। এ কারণে লাকসাম হাইস্কুল মাঠে গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠান বাতিল করেন।
এরপূর্বে শুক্রবার বিকালে স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম মনোহরগঞ্জ উপজেলা পরিষদের ইউএনওসহ সব কর্মকর্তা কর্মচারীদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। এরপর পোঁমগাঁও নিজ বাড়িতে মা-বাবার কবর জিয়ারত করেন।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
Nayan
১২ জানুয়ারি ২০১৯, শনিবার, ১১:২৪

মনোহরগন্জের, সরসপুর পচ্ছিম পাড়ায়, হিন্দু পাড়া এবং কিছু মুসলিম পরিবার থেকে আঃ মান্নান চেয়ারম্যান এবং তার ক্যাডার শেখ ফরিদ বিদুৎ দিবে বলে কয়েক দফায়, প্রতি মিটার বাবত ৬-৭ হাজার টাকা করে, লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। এখন আবারও টাকা চাচ্ছে এবং বলছে, পূবের দেয়া টাকার কথা কাউকে বললে, বিদুৎ পাওয়া যাবেনা।

অন্যান্য খবর