× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ১৭ জানুয়ারি ২০১৯, বৃহস্পতিবার

শিশু ধর্ষণকারীদের ফাঁসির দাবি বালাগঞ্জের সেই পরিবারের

বাংলারজমিন

স্টাফ রিপোর্টার, সিলেট থেকে: | ১৩ জানুয়ারি ২০১৯, রবিবার, ৯:১৪

বালাগঞ্জে ৭ম শ্রেণির মাদরাসা ছাত্রীকে পাশবিক নির্যাতনকারী সকল অপরাধীর গ্রেপ্তার ও ফাঁসির দাবি জানিয়েছেন শিশুটির বাবা-মা ও এলাকাবাসী। গতকাল বেলা ২টায় সিলেট জেলা প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে এ দাবি জানান তারা। পাশবিক নির্যাতনের শিকার শিশুটির মা লিখিত বক্তব্যে বলেন,  তার ১৩ বছরের মেয়ে উপজেলার শিওরখাল মহিলা মাদরাসার ৭ম শ্রেণির ছাত্রী।  গত ২২ নভেম্বর সন্ধ্যায় বসতঘরের বারান্দা থেকে মুখ চেপে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে এলাকার চিহ্নিত অপরাধী আবদুল আহাদ (২৫) ও আজই মিয়াসহ (৩২) আরো অন্তত ৪ জন মিলে গণধর্ষণ করে। অনেক খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে রক্তাক্ত শরীরে অজ্ঞান অবস্থায় মেয়েকে উদ্ধার করেন। মেয়ের জ্ঞান ফিরে আসলে তার ওপর নির্যাতনকারী আবদুল আহাদ, আজই মিয়াকে চিনতে পারার কথা উপস্থিত লোকজনের কাছে প্রকাশ করে। রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ওসিসিতে ভর্তি করা হয়। সেখানে পরীক্ষা-নিরীক্ষায় গণধর্ষণের বিষয়টি  প্রতীয়মান হয়। এ ঘটনার পরদিন গেল বছরের ২৩শে নভেম্বর ধর্ষিত শিশুর বাবা বাদী হয়ে আবদুল আহাদ ও আজই মিয়ার নামোল্লেখ করে অজ্ঞাত ৪ জনকে আসামি করে বালাগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেন।
পরবর্তীতে পুলিশি অভিযানে গত ২৪শে নভেম্বর আবদুল আহাদ ও আজই মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়। কিন্তু  ঘটনার প্রায় দুই মাস অতিবাহিত হলেও জড়িত অন্য কোনো আসামিদের গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। তাদের অভিযোগ- আশ্বাসের পরও মামলার দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করা হলেও জড়িত অন্য অপরাধীদের রহস্যজনক কারণে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে না। ফলে মামলার যথাযথ তদন্ত এবং ভিকটিমের ন্যায়বিচার পাওয়ার স্বার্থে সকল মহলের সহযোগিতা চেয়েছেন ভিকটিমের বাবা-মা। তারা তাদের মেয়ের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন। সে শারীরিক ও মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ায় শিশুকন্যাটির পড়ালেখা বন্ধ
রয়েছে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর