× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ২২ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, শুক্রবার

কলকাতায় ৪০ লক্ষ মানুষের জমায়েতে মোদি হঠানোর আহ্বান জানানো হবে

ভারত

কলকাতা প্রতিনিধি | ১৬ জানুয়ারি ২০১৯, বুধবার, ১১:৩৪

কলকাতার বুকে আগামী ১৯ জানুয়ারি ৩০-৪০ লাখ মানুষের জমায়েত করার পরিকল্পনা নিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। আর সেই সমাবেশে হাজির হবেন সারা ভারতের বিজেপি বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলির নেতারা। আগামী লোকসভা নির্বাচনের আগে বিজেপিকে হঠাতে ঐক্যবদ্ধ ভারতের ছবিটা তুলে ধরার জন্য তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অনেক দিন ধরে চেষ্টা চালিয়ে আসছেন। অবিজেপি সব রাজনৈতিক দলের নেতাদের ঐক্যবদ্ধ মঞ্চে হাজির করানোর জন্য ব্যক্তিগতভাবে সকলের সঙ্গে কথা বলেছেন। তৃণমূল কংগ্রেস সুত্রে বলা হয়েছে, সর্বভারতীয় ২০টি রাজনৈতিক দলের নেতারা কলকাতার সমাবেশে হাজির থাকবেন। হাজির থাকবেন তিন জন অবিজেপি শাসিত রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীরাও। এরা হলেন, অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রবাবু নাইডু, কর্ণাটকের কুমারস্বামী ও দিল্লির অরবিন্দ কেজরিওয়াল।  মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, সমাজবাদী পার্টির নেতা অখিলেশ যাদব কলকাতায় আসছেন। তবে মায়াবতী আসবেন না।
তবে তার প্রতিনিধি হিসেবে একজন আসবেন। কংগ্রেস এই সমাবেশে উপস্থিত থাকার জন্য মল্লিকার্জুন খাড়গেকে পাঠাচ্ছেন বলে সোনিয়া মমতাকে জানিয়েছেন। অন্যদিকে বাম দলগুলি জানিয়ে দিয়েছে, তারা মমতার ডাকা সমাবেশে উপস্থিত থাকবেন না। তবে বিজেপির দুই বিক্ষুব্ধ নেতা যশবন্ত সিং ও অরুণ শৌরি থাকতে পারেন বিরোধীদের এই মহা সমাবেশে। ডিএমকে নেতা স্ট্যালিন, ন্যাশনাল কনফারেন্সের নেতা ফারুখ আবদুল্লা, জনতা দলের শরদ যাদব সহ রেকর্ড সংখ্যক বিরোধী নেতা উপস্থিত হবেন বলে জানানো হয়েছে। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা ব্রিগেড ময়দানের এই মহাসমাবেশের আলাদা রাজনৈতিক গুরুত্ব রয়েছে বলে মনে করছেন। তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অনেকদিন ধরেই দেশব্যাপী ফেডারেল ফ্রণ্ট গঠনের আহ্বান জানিয়েছেন। মমতার স্লোগান, উনিশেই বিজেপি ফিনিশ। বিজেপির জনবিরোধী নীতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদে মমতা ভারতের অন্যান্য নেতাদের চেয়ে অনেক বেশি সোচ্চার। বিজেপির বিরুদ্ধে বিরোধীদের জোট বাধা যে জরুরি সেটিও তিনি বারে বারে বলেছেন। ব্রিগেডের মঞ্চে বিরোধী জোটের সেই ঐক্যবদ্ধ চেহারাটাই মমতা তুলে ধরতে সচেষ্ট।  জনবিরোধী নীতি নেওয়ার ফলে বিজেপি ক্রমশই কোণঠাসা হয়ে পড়ছে। তারা মানুষের মন থেকে দূরে সরে যাচ্ছে। সাধারণ মানুষ পরিত্রাণ পেতে বিজেপিকে হারাতে চাইছে। সেটা উপলব্ধি করেই মমতা গত ২১ জুলাইয়ের দলীয় মঞ্চ থেকে স্লোগান দিয়েছিলেন, ‘২০১৯ বিজেপি হবে ফিনিশ’। তিনি নিশ্চিত, নির্বাচনে বিজেপি গো হারা হারবে। তাই বিজেপিকে হারানোর জন্য যে ফর্মুলা দিয়েছেন, তা বিভিন্ন রাজ্যের নেতারা গ্রহণ করেছেন। তৃণমূল কংগ্রেসর দাবি, ১৯৯২ সালে পশ্চিমবঙ্গের শাসনক্ষমতা থেকে বামফ্রন্টকে হটানোর লক্ষ্যে ‘মৃত্যুঘণ্টা’ বাজিয়েছিলেন তৎকালীন পশ্চিমবঙ্গের বিরোধীদলীয় নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার ১৯ জানুয়ারি কলকাতার ব্রিগেড সমাবেশ থেকে কেন্দ্রীয় শাসক দল বিজেপির ‘মৃত্যুঘণ্টা’ বাজানো হবে। মমতার দাবি, বিজেপি ২০১৪ সালের নির্বাচনে ২৮২টি আসন পেলেও এ বছর ১০০ আসনও পাবে না। তামিলনাড়ু, মধ্যপ্রদেশ, গুজরাটে বিজেপির আসন হবে শূন্য। উত্তর প্রদেশে অখিলেশ যাদব, মায়াবতীরা এক হওয়ায় বিজেপির জিতে আসা ৭২টি আসনের মধ্যে একচতুর্থাংশ আসন পাবে না তারা। বিহারে এবার আসন কেড়ে নেবে রাষ্ট্রীয় জনতা দলের নেতা লালুপ্রসাদ যাদবের দল। ওড়িশায় আসন কাড়বে বিজু জনতা দলের নেতা নবীন পট্টনায়ক। আর পাঞ্জাবে কংগ্রেসের অমরেন্দ্র সিং।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর