× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ২২ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, শুক্রবার

নির্বাচনের আগে ভারতে জনমোহিনী বাজেট পেশ

ভারত

কলকাতা প্রতিনিধি | ১ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, শুক্রবার, ৭:১৮

লোকসভা নির্বাচনের আগে বিজেপি সরকোরের পরিবর্ত অর্থমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল অন্তবর্তী বাজেটের মোড়কে জনমোহিনী বাজেট উপহার দিয়েছেন। মধ্যবিত্তদের জন্য ঢালাও ছাড়, অসংগঠিত ক্ষেত্রের শ্রমিকদের পেনশন ও কৃষকদের বার্ষিক ভাতার ঘোষণা করা হয়েছে এই বাজেটে। আয়করের ক্ষেত্রে ছাড় আড়াই লক্ষ রুপি থেকে বাড়িয়ে ৫ লক্ষ করা হয়েছে। স্ট্যান্ডার্ড ডিডাকশন ৪০ হাজার রুপি থেকে বাড়িয়ে ৫০ হাজার রুপি করা হয়েছে। ফলে প্রায় তিন কোটি মধ্যবিত্তের মুখে হাসি ফুটেছে। বাজেটে ২ হেক্টরের কম জমির মালিকদের বছরে ৬ হাজার টাকা দেওয়ার প্রস্তাব রাখা হয়েছে। দেশের ১২ কোটি ছোট ও মাঝারি কৃষক এর ফলে উপকৃত হবেন। প্রধানমন্ত্রী শ্রমযোগী যোজনার আওতায় দেশের অসংগঠিত শ্রমিকদের প্রতি মাসে ৩০০০ রুপি পেনশন দেবার ব্যবস্থা হয়েছে।
অন্তবর্তী বাজেট হলেও এই বাজেটে প্রতিরক্ষা খাতে রেকর্ড বরাদ্দ করা হয়েছে। প্রতিরক্ষা খাতে বাজেট ৩ লক্ষ কোটি ছাড়িয়ে গেছে। শুক্রবার বাজেট পেশ করে অর্থমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল বলেছেন, আগামী ৫ বছরে ৫ ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতির দেশ হতে চলেছে ভারত। আগামী ৮ বছরে ১০ ট্রিলিয়ন অর্থনীতির দেশ হবে তিনি আশা প্রকাশ করেছেন। তবে কীভাবে এই জনমোহিনী বাজেট বাস্তবায়ন করা হবে, সে নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিশেষজ্ঞরা। সাবেক প্রধানমন্ত্রী অর্থনীতিবিদ মনমোহন সিং বলেছেন, একেবারেই ভোটের বাজেট বানিয়েছে  প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সরকার। এর প্রভাব পড়বেই আসন্ন লোকসভা ভোটে। বাজেট নিয়ে প্রতিক্রিযায় সাবেক অর্থমন্ত্রী পালানিয়াপ্পন চিদম্বরম বলেছেন, এটা ভোট অন অ্যাকাউন্ট হয়নি। হয়েছে অ্যাকাউন্ট অফ ভোট্স। অন্তবর্তী বাজেট না বানিয়ে দেওয়া হয়েছে পূর্ণাঙ্গ বাজেট প্রস্তাব। তবে বাজেট নিয়ে অভিযোগের জবাবে জাতির উদ্দেশে ভাষণে নরেন্দ্র মোদী বলেছেন, ‘নতুন ভারত’ গঠনের লক্ষ্য নিয়েছে সরকার। কৃষক, মধ্যবিত্ত ও ব্যবসায়ীদের প্রতি খেয়াল রাখা হয়েছে। গতি দেওয়া হয়েছে পরিকাঠামোর উন্নয়নে। নতুন শক্তি পাবে আর্থ ব্যবস্থা। মোদীর মতে, এই বাজেট সর্বব্যাপী, সর্বস্পর্শী, সর্বসমাবেশী ও সর্বোকৃষ্ট। প্রধানমন্ত্রী আরও বলেছেন, ‘এটা অন্তবর্তী বাজেট। এটা শুধুমাত্র বাজেটের ট্রেলার। নির্বাচনের পর উন্নয়নের রাস্তায় চলবে দেশ। বাজেটে মধ্যবিত্ত, কৃষক, শ্রমিক, ব্যবসায়ী- সকলের দিকে বাজেটে নজর দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেছেন প্রধানমন্ত্রী। তবে এই বাজেটকে কড়া আক্রমণ করে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, দেশে অর্থনৈতিক জরুরি অবস্থা চলছে। কোথা থেকে পয়সা আসবে, তার কোনও দিক নির্দেশ নেই বাজেটে। মিথ্যার বাজেট, ভাঁওতাবাজির বাজেট। মেয়াদউত্তীর্ণ বাজেট। এই বাজেট দেশের সাধারণ মানুষকে ঠকাতে বিজেপির ম্যানিফেস্টো।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর