× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ১৮ জুলাই ২০১৯, বৃহস্পতিবার

স্বপ্নের বাতিঘর

ষোলো আনা

শাহনেওয়াজ বাবলু | ৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, শুক্রবার, ৮:৪৩

লাইটার ইয়ুথ ফাউন্ডেশন। স্বপ্নবাজ একদল তরুণের হাতে গড়া সমাজ বিনির্মাণে নিবেদিত একটি অরাজনৈতিক সংগঠন। যার যাত্রা শুরু হয় ২০১৪ সালের ১লা সেপ্টেম্বর। বাংলাদেশ সরকারের সোসাইটিজ রেজিস্ট্রেশন অ্যাক্ট, ১৮৬০-এর অধীনে নেয়া হয় নিবন্ধন। নতুন কিছু করার স্বপ্নে একের পর এক পদক্ষেপ নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে লাইটার ইয়ুথ ফাউন্ডেশন। অন্যায়, কুসংস্কার ও অপসংস্কৃতি দূর করতে তারা হাতে তুলে নিয়েছে আলোর মশাল। শুরু থেকে প্রতিটি পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায়। লাইটার ইয়ুথ ফাউন্ডেশনের ইভেন্টগুলোর মধ্যে রয়েছে- মিশন একুশ, মিশন স্বাবলম্বীকরণ, মিশন একাত্তর এবং মডেল ভিলেজ প্রকল্প।
লাইটারের বর্তমান সদস্য সংখ্যা ২৪৫ জন।

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে প্রতিবছরই দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের একটি স্কুলে শহীদ মিনার নির্মাণ করে লাইটার ইয়ুথ ফাউন্ডেশন। এখন পর্যন্ত চট্টগ্রামের হাটহাজারী, ঢাকার কেরানীগঞ্জ এবং নীলফামারীর আলসিয়াপাড়ায় ৩টি শহীদ মিনার নির্মাণ করেছে সংগঠনটি। এবারের মহান একুশে ফেব্রুয়ারিকে সামনে রেখে লাইটার ৩টি শহীদ মিনার নির্মাণ করছে দেশের প্রত্যন্ত ও দুর্গম এলাকায়। এলাকাগুলো হলো- চট্টগ্রাম জেলার সন্দীপ উপজেলার উড়িরচর মাধ্যমিক বিদ্যালয়, রাজশাহী জেলার পবা উপজেলার হরিয়ান ইউনিয়নের তারানগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং বান্দরবান জেলার লামা উপজেলার ফাসিয়াখালী ইউনিয়নের ইয়াংছা উচ্চ বিদ্যালয়। ৩টি শহীদ মিনার নির্মাণ ও একুশে ফেব্রুয়ারিতে শিক্ষার্থীদের নিয়ে অনুষ্ঠান বাবদ কমপক্ষে ৩ লাখ টাকা প্রয়োজন। ‘তিনটি স্বপ্নের শহীদ মিনার’ নামে ফেসবুকে পাবলিক ইভেন্ট খুলে অর্থ সংগ্রহ করছে লাইটার ইয়ুথ ফাউন্ডেশন। সংগঠনের সদস্যদের পাশাপাশি অনেকেই সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন এই তিনটি শহীদ মিনার নির্মাণের কাজে। যেখানে একুশে ফেব্রুয়ারি প্রভাতফেরিতে ফুল দিয়ে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাবে ছোট ছোট শিক্ষার্থীরা, জানতে পারবে মাতৃভূমি ও মাতৃভাষার সঠিক ইতিহাস। একুশে ফেব্রুয়ারি স্কুলগুলোতে মাতৃভাষার গুরুত্ব ও তাৎপর্য সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের অবহিত করার পাশাপাশি চিত্রাঙ্কন ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় প্রতিবছর। যেখানে কোমলমতি শিশুরা সারাদিন ছবি আঁকে, গায় দেশাত্মবোধক গান।

১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে যারা জীবন বাজি রেখে যুদ্ধ করেছেন তাদের মধ্যে অনেকেই এখনো মানবেতর জীবন যাপন করছেন। এখন পর্যন্ত দেশের সেই ১৫ জন সূর্য সন্তানের একটি করে বাড়ি নির্মাণ করে দিয়েছে লাইটার ইয়ুথ ফাউন্ডেশন। সরকারের পাশাপাশি লাইটারও চায় দেশের প্রতিটি গ্রামই উন্নত হোক, গ্রামের ছেলেমেয়েরা উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত হোক, গ্রামের মানুষগুলো স্বাবলম্বী হয়ে নিজেদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করুক। এরই ধারাবাহিকতায় টিম লাইটার তাদের মডেল ভিলেজ প্রকল্প হিসেবে বেছে নিয়েছে নীলফামারী জেলার জলঢাকা উপজেলার কৈমারী ইউনিয়নের বন্যাকবলিত ‘আলসিয়াপাড়া’ গ্রামটিকে। এক বছরেরও বেশি সময় ধরে চলছে মডেল ভিলেজ প্রকল্পের কাজ। চলছে স্বাবলম্বীকরণ ও শিক্ষাবৃত্তি কার্যক্রম। দেশের অন্যান্য গ্রামগুলোর জন্য ‘আলসিয়াপাড়া’ অনুকরণীয় হয়ে থাকবে, এই প্রত্যাশা লাইটার ইয়ুথ ফাউন্ডেশনের।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
Faruk Hossain Jony
৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, শুক্রবার, ২:২২

আলো আসবেই :)

নাহিদ আফনান
৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, বৃহস্পতিবার, ১১:৫৯

আলো আসবেই ♥

অন্যান্য খবর