× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ২৬ এপ্রিল ২০১৯, শুক্রবার

সিয়েরা লিওনে মহামারি রূপ ধারণ করেছে ধর্ষণ, জরুরি অবস্থা জারি

বিশ্বজমিন

মানবজমিন ডেস্ক | ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, রবিবার, ৯:৩৩

পশ্চিম আফ্রিকার ছোট্ট মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ রাষ্ট্র সিয়েরা লিওন। সম্প্রতি দেশটিতে ধর্ষণের ঘটনা মহামারিতে রূপ নিয়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় সিয়েরা লিওন সরকার দেশটিতে জরুরি অবস্থা জারি করতে বাধ্য হয়েছে। ঘোষণা করেছে কঠোর শাস্তিরও। এ খবর দিয়েছে ডয়েচে ভেলে। সিয়েরা লিওনের প্রেসিডেন্ট জুলিয়াস মাদা বিও চলমান যৌন সহিংসতার ঘটনায় জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছেন। আত্মীয়ের দ্বারা পাঁচ বছরের এক শিশু ধর্ষণের শিকার হলে গত বৃহস্পতিবার ক্ষুব্ধ হয়ে এই ঘোষণা দেন মাদা। ধর্ষকদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির ঘোষণা দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট।
তিনি এক বিবৃতিতে বলেন, ধর্ষকদের সর্বোচ্চ সাজা দেয়ার ব্যবস্থা করবে তার প্রশাসন। শিগগিরই এ বিষয়ে নতুন আইনের ঘোষণাও দেন তিনি।
সিয়েরা লিওনে মাত্র এক বছরেই সাড়ে ৮ হাজারেরও অধিক ধর্ষণের মামলা হয়েছে। অথচ দেশটিতে মাত্র ৭৮ লাখ মানুষ বাস করেন। এর মধ্যেই এত পরিমাণ ধর্ষণের সংখ্যাকে রীতিমতো মহামারি আখ্যা দিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট। কিন্তু এটি শুধু লিপিবদ্ধ হওয়া ধর্ষণ সংখ্যা। বাস্তবে এ সংখ্যা আরো অনেক বেশি। প্রেসিডেন্ট জুলিয়াস মাদা বিও শিশু ধর্ষণে যাবজ্জীবন সাজা দেয়ার আহ্বান জানান বিচার বিভাগকে। তিনি ধর্ষণের শিকার শিশু ও তার পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর অনুরোধ করেন সবাইকে। এদিকে, রেইনবো ইনিশিয়েটিভ নামক একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা জানিয়েছে, ২০১৮ সালে ধর্ষণের শিকার ৭৬ শতাংশের বয়স ১৫ বছরের নিচে। সংস্থাটি ধর্ষণের শিকার নারী ও শিশুদের মানসিক ও সার্বিক চিকিৎসা নিশ্চিতে কাজ করে আসছে। ধর্ষণের এমন মহামারি এই প্রথম নয়। ২০০৩ সালে মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ জানিয়েছিল, ১৯৯১ থেকে ২০০২ সাল পর্যন্ত চলমান গৃহযুদ্ধে সিয়েরা লিওনে অন্যতম শিকার ছিলেন নারীরা। এই ১৩ বছরে অগণিত নারী ধর্ষণের শিকার হন।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর