× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ২৬ এপ্রিল ২০১৯, শুক্রবার

৬ বছরের শিশুর শিরশ্ছেদ!

বিশ্বজমিন

মানবজমিন ডেস্ক | ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, রবিবার, ১০:৪১
প্রতীকী ছবি

সৌদি আরবে মাত্র ৬ বছর বয়সী একটি শিশুকে শিরশ্ছেদ করার অভিযোগ করা হয়েছে। এ ঘটনা ঘটানো হয়েছে তার মার সামনে। এ সময় তিনি বার বার মুর্ছা যাচ্ছিলেন। কিন্তু কেউ তাদের সহায়তায় এগিয়ে যায় নি। বৃটিশ একটি ট্যাবলয়েড পত্রিকার অনলাইন সংস্করণে এ খবর দেয়া হয়েছে। তবে এ বিষয়ে সৌদি আরব কর্তৃপক্ষের কোনো বক্তব্য দেয়া হয নি। রিপোর্টে বলা হয়, পবিত্র শহর মদিনায় একটি পবিত্র স্থাপনা পরিদর্শন করছিলেন ওই মা ও তার ৬ বছর বয়সী ছেলে। এ সময় কিছু লোক তাদের কাছে জানতে চায় তারা শিয়া মুসলিম কিনা।
জবাবে ওই মা হ্যাঁ বলেন। এর কয়েক মিনিট পরে একটি গাড়ি আসে। তাদের পাশে এসে থামে। এ সময় ওই মায়ের কাছ থেকে তার ছেলেকে ছিনিয়ে নেয় কিছু মানুষ। মার কাছ থেকে তাকে ছিনিয়ে নিয়ে ভাঙা কাচ দিয়ে তার কাঁধের ওপর উপর্যুপরি কোপাতে থাকে তারা। এতে এক পর্যায়ে ওই শিশুটির মাথা দেহ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। ভয়াবহ ওই দৃশ্য প্রত্যক্ষ করতে হয় ওই মাকে। এ সময় তিনি বার বার আর্তনাদ করতে করতে মুর্ছা যাচ্ছিলেন। কিন্তু কেউ তাদের সহায়তায় এগিয়ে আসে নি। ওই রিপোর্টে আরো বলা হয়, সৌদি আরবে প্রাধান্য বিস্তার করে আছে সুন্নিরা। তারা মোট জনসংখ্যার চার ভাগের তিনভাগ। মানবাধিকার বিষয়ক গুরুপ বলছে, অন্য মতে বিশ^াসীরা, যেমন শিয়ারা সেখানে নির্যাতনের শিকার। ওয়াশিংটন ভিত্তিক শিয়া রাইটস ওয়াচ বলছে, শিয়াদের বিরুদ্ধে নির্যাতন হওয়া সত্ত্বেও এখন পর্যন্ত কোনো হস্তক্ষেপ নেই। কর্তৃপক্ষও এ বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ নেয় নি। ওই শিশুটির পিতামাতার শোকের সঙ্গে একই সঙ্গে শোক প্রকাশ করছে সৌদি আরবের শিয়া সম্প্রদায়। সৌদি আরবে শিয়া জনগণ কিভাবে নির্যাতনের শিকার তা এই ঘটনার মধ্য দিয়ে ফুটে ওঠে। সেনাবাহিনীর দমনপীড়নের অধীনে রয়েছেন শিয়ারা। অনেক শিয়া জেলে রয়েছেন। অনেকে রয়েছেন মৃত্যু পরোয়ানা নিয়ে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
সন্দ্বীপী
১২ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, মঙ্গলবার, ১২:১০

ওরা ইহুদির দালাল

সন্দ্বীপী
১২ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, মঙ্গলবার, ১২:০৫

আসতাগফিরুল্লাহ

chandu মিয়া
১০ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, রবিবার, ১১:১৯

এটা ৫ বছরের একটি মেয়ে। ট্যাক্সি চালক নাকি হতঢা করেছে। যাহোক... হত্যাকারী ছাড়া পাবেনা।

Gelan
১০ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, রবিবার, ১:০৬

শিয়া হোক আর সুন্নি,, তারা উভয়ই মুসলিম ধর্মের। তবে বড় কথা হচ্ছে মুসলিম জাতীর কোন ভাগ থাকতে পারে না,অর্থাৎ আমাদের সকলের পরিচয় এক ও অভিন্ন "মুসলিম"। আর ভাগ থাকে অন্য জাতীর মধ্যে অর্থাৎ হিন্দু, খ্রিস্টান, বোদ্ধ।। আর যারা মুসলিম কে শিয়া এবং সুন্নি রূপে বিভেদ করে তারা প্রকৃত মুসলিম নয়। মুসলমান জাতীর কোন কোন দ্বিতীয় পরিচয় শিয়া বা সুন্নি নয়, বরং একটাই পরিচয় আর তা হলো মুসলিম।

মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ
১০ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, রবিবার, ১২:৪৪

যে ব্যাক্তি একজন নিরাপরাধ মানুষকে হত্যা করল সে যেন গোটা জাতিকে হত্যা করল।

MD. Waliullah.Liton
৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, শনিবার, ১০:৪৩

বিভিন্ন দেশে সৌদি দুতাবাসের লোকগুলিকে বহিস্কার করা উচিৎ। সৌদিআরবে বর্তমানে কোন মুসলিম ক্ষমতায় নেই যারা আছে তারা যুক্তরাস্ট্র আর ইসরাইলের দোসর। এক জন মুসলমান কোন অবস্থাতেই অন্যকোন মানুষকে অন্যায় ছারা হত্যা করতে পারেনা কিন্তুু তারা তাই করছে। যেটা ইসলামে সম্পূর্ন নিষেধ।

Dupur
১০ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, রবিবার, ১১:০৫

Shame, shame if the allegation is true

Safiqul Islam
৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, শনিবার, ১০:০৫

It is uncivilized and barbarism

Mohin
১০ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, রবিবার, ১০:২৩

শিরোনামের সাথে ভিতরের কাহিনীর মিল নেই! তবে ঘটনাটি অবশ্যই নিন্দনীয়। আমিও এর তীব্র নিন্দা জানাই এবং সংশ্লিষ্টদের কঠোর শাস্তি দাবী করছি।

Md jakir Hossain
৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, শনিবার, ৯:২২

If you consider the punishment, prince will be first hanged by the justice of Islam

S M Nazrul Islam
৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, শনিবার, ৭:৫৯

শিয়া -সুন্নী বিভেদ সাম্রাজ্যবাদী ডিভাইড এন্ড রুলের অংশ,সৌদি আরব সরকারিভাবে ইহুদিবাদি এজেন্ডা বাস্তবায়ন করছে।

Ramizukhan
৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, শনিবার, ৬:১৭

ওরা অন্ধ সমর্থক। একটা ৬ বছরের শিশুকে শিরচ্ছেদ দেওয়া যায় কি? ওরা বর্বর।ওহা নিন্দনীয়।রমীজ খাঁন।

kkk
৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, শনিবার, ৬:০৯

ফালতু দেশে ফালতু কাজ

Rahman
৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, শনিবার, ১১:১৮

এটা কোন সভ্য মুসলিম দেশের আচরন হতে পারে না, যেখানে আমাদের নবী মোহাম্মদ (সাঃ) উপর এত অত্যাচারের পর কোন সম্প্রদায়ের উপর আঘাত করাতো দূরের কথা, একটা বরদোয়া পরযন্ত করেননি.... অথচ সেই নবীর দেশের লোকজন এখন যা করছে....তা কোনমতেই মানা যায় না, আসলে এদের উপরও একসময় লানত পরবে.....তখন তারা বুঝতে পারবে.....ইসলামকে তারা নিজেদের স্বারথে ব্যাবহার করছে.....

অন্যান্য খবর