× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, শনিবার

সমৃদ্ধ ও প্রগতিশীল বাংলাদেশ হলো ভারতের সরাসরি জাতীয় স্বার্থ- সুষমা স্বরাজ

বিশ্বজমিন

মানবজমিন ডেস্ক | ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, রবিবার, ১১:১২

সমৃদ্ধ ও প্রগতিশীল বাংলাদেশ হলো ভারতের সরাসরি জাতীয় স্বার্থ। তাই ঢাকাকে সম্ভাব্য সর্বোচ্চ সমর্থন দিতে প্রস্তুত ভারত। এমন মন্তব্য করেছেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ। তিনি শুক্রবার ৫ম ইন্ডিয়া-বাংলাদেশ জয়েন্ট কনসালটেটিভ কমিটির (জেসিসি) উদ্বোধনী ভাষণে এ কথা বলেন। এ খবর দিয়েছে বার্তা সংস্থা পিটিআই।
ওই অনুষ্ঠানে সুষমা আরো বলেছেন, সন্ত্রাসী গ্রুপগুলোর বিরুদ্ধে সহযোগিতা বৃদ্ধি সহ নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা অংশীদারিত্ব আরো গভীর করা উচিত বাংলাদেশ ও ভারতের। এদিন সুষমা স্বরাজ বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী একে আবদুল মোমেনের সঙ্গে জেসিসির বৈঠকে অংশ নেন। সুষমা বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে অংশীদারিত্বে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেয় ভারত।
তার ভাষায়, আমি আবারো বলতে চাই, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়ন এজেন্ডার প্রতি ভারতের পূর্ণাঙ্গ সমর্থন আছে। আমাদের সরকার সীমান্ত সহ দ্বিপক্ষীয় দীর্ঘদিনের অমীমাংসিত ইস্যুগুলো সমাধানে সক্ষম হয়েছে। আমরা বিশ্বাস করি একইরকমভাবে স্থগিত সব ইস্যুরই বন্ধুত্বপূর্ণ সমাধান করা যেতে পারে।
 
এদিন বাংলাদেশের দ্রুত অর্থনৈতিক উন্নয়নে এবং সীমান্ত সংক্রান্ত অবকাঠামো সৃষ্টিতে ঘনিষ্ঠ অর্থনৈতিক সহযোগিতায় সমর্থন দেয়ার কথা বলেন তিনি। এর মধ্যে রয়েছে বিদ্যুত, পরিবহন। তিনি বিদ্যুত খাতে, সড়ক, রেল, বন্দর, আভ্যন্তরীণ নদীপতে বৃহত্তর সহযোগিতার কথা জোর দিয়ে তুলে ধরেন। বলেন, এমন সংযুক্তির ফলে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে, পণ্যের দাম কমে আসবে, দু’দেশেরই চলাচল সুবিধা পাবে। এতে পারস্পরিক সুবিধা পাবে দু’দেশই।
বাংলাদেশ ২০২১ সালে মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হবে এবং ২০৪১ সাল নাগাদ উন্নয়নশীল দেশের তালিকায় যাবে বলে যে প্রত্যাশা রয়েছে তাতে সহযোগিতা করে ভারত বিভিন্ন প্রকল্প ও ঋণ সুবিধা বরাদ্দ করেছে বলে উল্লেখ করেন সুষমা স্বরাজ।
তিনি আরো উল্লেখ করেন, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ২০১৫ সালে বাংলাদেশ সফর করেন। তারপর থেকে দ্বিপক্ষীয় ৯০টি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে বাংলাদেশের সঙ্গে। প্রথমবারের মতো এর আওতায় এসেছে নতুন ও উচ্চ প্রযুক্তি খাতও।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর