× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, শনিবার
১৮ই ফেব্রুয়ারি ঢাকা লীগের ‘প্লেয়ার ড্রাফট’

খেলোয়াড়ের সর্বোচ্চ মূল্য ২৮ লাখ!

খেলা

স্পোর্টস রিপোর্টার | ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, সোমবার, ৯:৪৫

২০১৮-১৯ মৌসুমের ঢাকা প্রিমিয়ার ক্রিকেট লীগ মাঠে গড়াচ্ছে ফেব্রুয়ারির শেষ অথবা মার্চের প্রথম সপ্তাহে। তবে এবারো লীগের দল বদল হবে লটারি পদ্ধতিতে। সেই লক্ষ্যে ‘প্লেয়ার বাই চয়েজ’ ক্রিকেটারদের নিলাম অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১৮ই ফেব্রুয়ারি। দলগুলো ড্রাফটে থাকা ক্রিকেটারদের তালিকা থেকে দল গঠন করবে। তবে এবার জাতীয় দলের কোনো ক্রিকেটারকেই শুরু থেকে পাচ্ছে না ঢাকার ক্লাবগুলো। এমন লীগে খেলবে না দেশের অনেক সিনিয়র তারকা ক্রিকেটারও। এরই মধ্যে দেশসেরা ওপেনার তামিম ইকবাল লিখিতভাবে লীগে না খেলার আবেদন করেছেন বিসিবির কাছে। তাই ড্রাফটে এবার থাকছে না কোনো আইকন ক্রিকেটার।
যে কারণে ক্যাটাগরি অনুসারে এবার ক্রিকেটারদের সর্বোচ্চ মূল্য হতে পারে ২৮ লাখ টাকা।
আর সর্বনিম্ন ৩ লাখ। পূর্বের ড্রাফটে আইকন ক্রিকেটারদের মূল্য ছিল ৩৫ লাখ টাকা। এবার দেশীয় কোনো তারকা ক্রিকেটার না থাকায় সর্বোচ্চ মূল্য কমে আসছে অনেকটাই। ক্লাব ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় এই আসরের আয়োজন নিয়ে সিসিডিএম এর সদস্য সচিব আলি হোসেন বলেন, ‘১২ তারিখ দলবদল হওয়ার কথা ছিল। তা এখন পিছিয়ে ১৮ই ফেব্রুয়ারি হবে। আমরা এখনো ক্রিকেটারদের তালিকা হাতে পাইনি। তবে যতটা বলতে পারি এবার সর্বোচ্চ মূল্য হতে পারে ২৮ লাখ টাকা।’
বেশ কয়েক বছর ধরেই ঢাকার ক্লাব ক্রিকেটের ঐতিহ্যবাহী এই ক্রিকেট লীগের দলবদল পদ্ধতি বদলে গেছে। আগের মতো ক্রিকেটারদের ইচ্ছাতে আর তাদের মূল্য নির্ধারণ হয় না। দলগুলোকে তারকা খেলোয়াড় পেতে খরচ করতে হয় না ক্রিকেটারদের ইচ্ছামতো উচ্চ মূল্য। বিতর্ক থাকলেও এখন লটারির মাধ্যমে ক্রিকেটারদের নিয়ে দল গড়ে ক্লাবগুলো। সেখানে পদ্ধতিতে গ্রেড অনুসারেই মূল্য নির্ধারণ হয় ক্রিকেটারদের। একটা সময় সাকিব আল হাসান, তামিম ইকবাল, মুশফিকুর রহীম, মাশরাফি বিন মুর্তজাদের দলে টানতে দিতে হত ৪০ থেকে ৬০ লাখ টাকা পর্যন্ত। কিন্তু এখন তাদের মতো তারকা ক্রিকেটারদের আইকন ক্যাটাগরিতে রেখে ৩৫ লাখ টাকা মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এই পদ্ধতি নিয়ে ক্রিকেটারদের মধ্যে চাপা ক্ষোভ থাকলেও বিসিবির সঙ্গে চুক্তির কারণে কেউ প্রকাশ্যে কথা বলতে চান না। দুই একদিনের মধ্যে ড্রাফটে ক্রিকেটারদের তালিকা চূড়ান্ত করে ক্লাবগুলোতে পাঠানো হবে বলে জানিয়েছেন আলী হোসেন। তিনি বলেন, ‘এখনো তালিকা চূড়ান্ত হয়নি। প্রায় ৩০০ ক্রিকেটার থাকতে পারে ড্রাফটে। আর জাতীয় দলের ক্রিকেটাররা এবার খেলতে পারবেন কিনা সন্দেহ আছে। কেউ যদি খেলতে চায় সুপার লীগেও খেলতে পারবে।’
জাতীয় দলের ক্রিকেটাররা নিউজিল্যান্ড সফর শেষে দেশে ফিরলেও তাদের এপ্রিলেই ছুটতে হবে আয়ারল্যান্ডে ত্রিদেশীয় সিরিজে অংশ নিতে। এরপরই বিশ্বকাপ। তবে টেস্ট দল ও বিশ্বকাপ স্কোয়াড থেকে বাদ পড়া ক্রিকেটাররা প্রিমিয়ার লীগে অংশ নিতে পারবেন বলে জানিয়েছেন সিসিডিএমের সদস্য সচিব। তিনি বলেন, ‘জাতীয় দলের ক্রিকেটাররা কেউ যদি ফ্রি থাকে আর তাদের যদি কোনো ক্লাব নেয় তাহলে অবশ্যই খেলতে পারবে। টেস্ট দলের অনেকেই ফ্রি থাকবে, আবার বিশ্বকাপে যারা খেলতে পারবে না তাদের জন্যও সুযোগ থাকবে। সেই ক্ষেত্রে ক্লাবগুলো তাদের দলে টানলে খেলতে পারবে।’
অন্যদিকে এবার ঢাকা মিরপুর শেরেবাংলা, ফতুল্লা খান সাহেব ওসমান আলী স্টেডিয়াম ও বিকেএসপি এই তিনটি ভেন্যুতে ঢাকা প্রিমিয়ার লীগের খেলা হবে। সূচি অনুসারে প্রতিদিন ৩টি ম্যাচ মাঠে গড়াবে। এ ছাড়াও আগের বার ক্লাবগুলো পাঁচজন করে পুরানো ক্রিকেটার রেখে দিতে পেরেছিল। এবার সেটি কমিয়ে তিনজন করা হয়েছে। প্রতিটি দল মাঠে খেলাতে পারবে একজন বিদেশি ক্রিকেটার। তবে বিদেশি রেজিস্ট্রেশন করানোর ক্ষেত্রে কোনো নির্দিষ্ট সংখ্যা থাকছে না। এই বিষয়ে আলী হোসেন বলেন, ‘এবার প্রতিটি ক্লাব আগের বছরের দল থেকে তিনজন ক্রিকেটারকে রেখে দিতে পারবে। এ ছাড়াও একজনের বেশি বিদেশি মাঠে খেলাতে পারবে না। তবে বিদেশি ক্রিকেটার ইচ্ছামতো রেজিস্ট্রেশন করাতে পারবে ক্লাবগুলো।’ শুধু তাই নয় এবারো ক্লাবগুলো সমঝোতার মাধ্যমে ক্রিকেটার বদল করতে পারবে। জানা গেছে, একটি ক্লাব চাইলে অন্য ক্লাবের সঙ্গে সমঝোতা করে সর্বোচ্চ ৮ ক্রিকেটারকে নিয়ে যেতে পারবে। সেক্ষেত্রে একই ক্লাব থেকে দুইজনের বেশি খেলোয়াড় নেয়া যাবে না।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর