× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ২০ এপ্রিল ২০১৯, শনিবার

সমালোচনায় কাউকে ছাড়লেন না ড. মিজান (অডিওসহ)

অনলাইন

কূটনৈতিক রিপোর্টার | ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, সোমবার, ১০:৫৮

বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে রোববার রাজধানীতে দিনব্যাপী এক সেমিনারে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মিজানুর রহমান প্যানেল স্পিকার হিসাবে বক্তৃতা করছিলেন। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও জাতিসংঘের ঢাকা অফিসের যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত সেমিনারে তার বিষয় ছিল রাইট টু ডেভেলপমেন্ট। ৪০ মিনিটের বক্তৃতায় তিনি নানা প্রসঙ্গ তুলে আনেন। সুচিন্তা ফাউন্ডেশনের চেয়ার মোহাম্মাদ এ আরাফাতের সঞ্চালনায় ওই সেশনে সংঘাতময় পরিস্থিতিতে যৌন সহিংসতা বিষয়ক জাতিসংঘের বিশেষ দূত প্রমীলা প্যাটেন এবং আইন ও সালিশ কেন্দ্রের প্রধান নির্বাহী শিপা হাফিজাও বক্তৃতা করেন। দীর্ঘ বক্তৃতায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনের অধ্যাপক ও মানবাধিকার কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান ড. মিজান বাংলাদেশের মানবাধিকার প্রশ্নে পশ্চিমা দুনিয়ার যে ধারণা তার সঙ্গে ভিন্নমত পোষণ করেন। একই সঙ্গে তিনি রাজনৈতিক কারণে মানবাধিকারের ‘ব্যাখ্যা’ পরিবর্তনের ভুল নীতির নিন্দা করেন। ব্যাংক এবং হল-মার্কের অর্থ লোপাটকে নিয়ে সাবেক অর্থমন্ত্রীর মন্তব্য ‘৪০০০ কোটি টাকা কিছুই না’ উদ্ধৃত করে তিনি এর সমালোচনা করেন। ৭২-এর সংবিধানে মানবাধিকারের সংজ্ঞায় যে অসম্পূর্ণতা বা অপূর্ণতা ছিল তার সমালোচনা করতেও ছাড়েন নি তিনি।
বলেন, আজকে সময় এসেছে অতীতের ভুল শোধরানোর। এ সময় তিনি ড. কামালের প্রসঙ্গও টানেন। বলেন, তিনি বঙ্গবন্ধুকে ভুল বুঝিয়েছিলেন। অবশ্য ড. মিজান সমালোচনায় ড. ইউনূস, গ্রামীণ ব্যাংক থেকে শুরু করে দেশের শীর্ষ ব্যবসায়ী কাউকেই ছাড় দেন নি। বাংলাদেশের ইকোলজিক্যাল রাইটস প্রসঙ্গে তিনি মাগুর ছড়া গ্যাস ফিল্ডে বিস্ফোরণের দুখজনক ঘটনাটি স্মরণ করেন। তিনি তিস্তা চুক্তি না হওয়ার সমালোচনাও করেন। তার বক্তৃতায়  সরকার প্রবর্তিত  বয়স্কভাতা এবং বিধবা ভাতার সুবিধার অপব্যবহারের প্রসঙ্গও বাদ যায়নি। পাঠকদের জন্য তার বক্তৃতার চুম্বক অংশ অডিওসহ তুলে ধরা হল।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
Ruhul
১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, সোমবার, ৪:৪২

এত কিছুর পর ! উনার নিজের অবস্থান কোথায় ?

অন্যান্য খবর