× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ২০ এপ্রিল ২০১৯, শনিবার

২৭০০০ পাউন্ড দান করলেন ফুটবলার কিলিয়ান এমবাপে

বিশ্বজমিন

মানবজমিন ডেস্ক | ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, সোমবার, ১১:০৩

বিমানচালক ডেভিড ইবটসনকে খুঁজে পাওয়ার জন্য গঠিত তহবিলে ২৭০০০ পাউন্ড দান করলেন ফরাসি ফুটবলের এ সময়ে ভীষণ জনপ্রিয় ও আলোচিত তারকা কিলিয়ান এমবাপে। ২১ শে জানুয়ারি ফ্রান্সের নঁতে থেকে বৃটেনগামী বিমানে ছিলেন ফরাসি লিগে খেলা আর্জেন্টিনার ফুটবলার এমিলিয়ানো সালা। ওই বিমানটির চালক লিছেন ডেভিড ইবটসন। কিন্তু পথে তা পথে নিখোঁজ হয়। এরপর সাগরের তলদেশ থেকে সালা’র মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। এখনও পাওয়া যায় নি বিমানচালকের দেহ। তার দেহকে খুঁজে পাওয়ার উদ্যোগে শরিক হয়েছেন উদারমনা এমবাপে। এ খবর দিয়েছে অনলাইন বিবিসি।


এতে বলা হয়, বিমানচালকের দেহ বা তাকে উদ্ধারে ৩ লাখ পাউন্ড সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সংগ্রহকারীরা। রোববার পর্যন্ত ওই তহবিলে জমা পড়েছে প্রায় এক লাখ ৩০ হাজার পাউন্ড।
বিবিসি লিখেছে, বিশ্বকাপজয়ী ফরাসি ফুটবলার কিলিয়ান এমবাপে ছাড়াও তহবিলে অর্থ দান করেছেন ইংল্যান্ড ফুটবল দলের সাবেক অধিনায়ক গ্যারি লিনেকার।

ফরাসি ক্লাব নঁতে থেকে ইংলিশ ক্লাব কার্ডিফ সিটিতে এমিলিয়ানো সালার ট্রান্সফারের খবর প্রকাশিত হওয়ার দু’দিন পরই বিমান দুর্ঘটনার কবলে পড়েন তিনি। ২৪শে জানুয়ারি সমুদ্রের নীচে উদ্ধার অভিযান সমাপ্ত ঘোষণা করে কর্তৃপক্ষ। এরপর সালা’র এজেন্ট ৩ লাখ ২৪ হাজার পাউন্ড তহবিল সংগ্রহ করে ব্যক্তিগতভাবে আবারো তার দেহ খুঁজে বের করার উদ্যোগ নেয়ার পর পাওয়া যায় ফুটবলারের মরদেহ।

বিমানচালক ইবটসনের পরিবারও এবার সেরকম একটি ব্যক্তিগত পর্যায়ের অনুসন্ধানে পৃষ্ঠপোষকতা করার জন্য তহবিল সংগ্রহের উদ্দেশ্যে সামাজিক মাধ্যমে প্রচারণা চালাচ্ছে। ইবটসনের পরিবার লিখেছে, তিনি (ইবটসন) একা রয়েছেন, এই বিষয়টি আমরা মেনে নিতে পারছি না। আমরা তাকে ঘরে নিয়ে আসতে চাই যেন তাকে আমরা চিরনিদ্রায় সমাধিস্থ করতে পারি।

যেভাবে হারিয়ে গেল বিমানটি
২১শে জানুয়ারি ফ্রান্সের স্থানীয় সময় সাতটা পনের মিনিটে একটি সিঙ্গেল টার্বাইন ইঞ্জিন বিমান সালাকে নিয়ে রওনা করে। প্রায় ৫০০০ ফুট ওপরে থাকা অবস্থায় এয়ার ট্রাফিক কনট্রোলের সাথে যোগাযোগ করে অবতরণের অনুরোধ করে। ২৩০০ ফুট ওপরে থাকা অবস্থায় সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয় বিমানের সাথে। এরপর আর খোঁজ পাওয়া যায়নি বিমানটির। অ্যালডারনির চ্যানেল দ্বীপে সোমবার রাতে বিমানটি হারায়।

এরপর পাঁচটি বিমান ও দুটি লাইফবোট প্রায় ১০০০ বর্গ মাইল জায়গা জুড়ে বিমানটির খোঁজ করে।
কিন্তু কোনো খোঁজ পাওয়া যায় নি। এ অভিযান সমাপ্ত ঘোষণা করা হয় ২৪শে জানুয়ারি। পরে ব্যক্তিগত অর্থায়নে খোঁজ চালানো হলে এ সপ্তাহের শুরুতে বিমানের ধ্বংসাবশেষের কাছ থেকে একটি মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। বৃহস্পতিবার সেটিকে সালা’র মরদেহ বলে ঘোষণা করা হয়। বিমানচালক ইবটসনের মরদেহ এখনো খুঁজে পাওয়া যায় নি।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর