× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ২৬ মার্চ ২০১৯, মঙ্গলবার

ইসরাইলি ওষুধ পরীক্ষা করা হয় ফিলিস্তিনি বন্দিদের ওপর

বিশ্বজমিন

মানবজমিন ডেস্ক | ৯ মার্চ ২০১৯, শনিবার, ৮:৩৬

ইসরাইলের বড় ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানিগুলো তাদের উৎপাদিত ওষুধ ফিলিস্তিনি বন্দিদের ওপর পরীক্ষামূলক প্রয়োগ করে। মানব শরীরে এসব ওষুধ কী প্রভাব ফেলে, কোম্পানিগুলো ওষুধ গ্রহণকারী ফিলিস্তিনিদের মাধ্যমে তা যাচাই করে। সম্প্রতি ইসরাইলের হিব্রু বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর নাদের শালহুব কেভরকিয়ান এই চাঞ্চল্যকর তথ্য দেন। মিডল ইস্ট মনিটরের খবরে বলা হয়েছে, ওষুধ পরীক্ষার পাশাপাশি অস্ত্র পরীক্ষার জন্যও ফিলিস্তিনিদের ‘গিনিপিগ’ হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। ইসরাইলের সামরিক প্রতিষ্ঠানগুলো নিজেদের তৈরি করা অস্ত্র ফিলিস্তিনি শিশুদের ওপর প্রয়োগ করছে। দখলকৃত জেরুজালেমের উপকণ্ঠে বসবাসরত ফিলিস্তিনি শিশুরা নির্মমভাবে ইসরাইলি অস্ত্র পরীক্ষার শিকার হচ্ছে। নিউ ইয়র্ক সিটির কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে এক বক্তৃতায় প্রফেসর শালহুব কেভরকিয়ান বলেন, হিব্রু বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি রিসার্চ প্রজেক্টে কাজ করার সময় তিনি এ বিষয়ে জানতে পারেন। বলেন, ফিলিস্তিনি বসতিকে ল্যাবরেটরির মতো ব্যবহার করা হচ্ছে।
সম্প্রতি ইসরাইলের কারাগারে ফারেস বারুদ নামের এক ফিলিস্তিনি একাধিক রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। কিন্তু কর্তৃপক্ষ পরিবারের কাছে তার লাশ ফিরিয়ে দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। পরিবারের আশঙ্কা, তার শরীরে হয়তো ইসরাইলি ওষুধের পরীক্ষামূলক প্রয়োগ করা হয়েছে। ফরেনসিক রিপোর্টে এই তথ্য ফাঁস হওয়ার ভয়ে ইসরাইলি কর্তৃপক্ষ লাশ দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে।
ফিলিস্তিনি বন্দিদের ওপর ওষুধ ও অস্ত্রের পরীক্ষা চালানোর অভিযোগ কয়েক দশক আগে থেকেই রয়েছে। এমনকি খোদ ইসরাইলি কর্তৃপক্ষও বিষয়টি স্বীকার করেছে। ১৯৯৭ সালের জুলাইতে ইসরাইলের একটি সংসদীয় কমিটির চেয়ারম্যান ডালিয়া ইতজিক বলেন, নতুন উৎপাদিত ওষুধ ফিলিস্তিনি বন্দিদের শরীরে পরীক্ষামূলক প্রয়োগ করার জন্য ফার্মাসিউটিক্যাল ফার্মগুলোকে অনুমতি দিয়েছে দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। ইতিমধ্যেই ৫ হাজারের মতো ওষুধের পরীক্ষা চালানো হয়েছে বলে তখন জানান ডালিয়া ইতজিক। পরবর্তীতে বিষয়টি তেমন আলোচনায় আসেনি। গত বছর বেলজিয়ামের ট্রেড ইউনিয়নের সাংস্কৃিতক সম্পাদক রবরেট ভ্যান্ডারবেকেন সতর্ক করে বলেন, গাজা উপত্যকার মানুষের ওপর বিষ প্রয়োগ করা হচ্ছে।
অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের জন্য শিশুদের অপহরণ করে হত্যা করা হচ্ছে। এর আগে জাতিসংঘে নিযুক্ত ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রদূত রিয়াদ মনসুর অভিযোগ তুলেছিলেন, ইসরাইলি নিরাপত্তা বাহিনীর হাতে নিহত ফিলিস্তিনিদের শরীরে চোখের কর্নিয়াসহ বিভিন্ন অঙ্গপ্রত্যঙ্গ ছিল না। এ অবস্থায় নিহতদেরকে ফিরিয়ে দিয়েছে ইসরাইলি বাহিনী।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর