× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ২৬ মার্চ ২০১৯, মঙ্গলবার

জামিনে বেরিয়ে আবার ডাকাতি-ছিনতাই

এক্সক্লুসিভ

স্টাফ রিপোর্টার | ১০ মার্চ ২০১৯, রবিবার, ৯:০৬

রাজধানীর মালিবাগে প্রকাশ্যে দিনের বেলায় ধারালো অস্ত্র ঠেকিয়ে ছিনতাই করা চক্রটির তিন সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এদের মধ্যে একজনের বিরুদ্ধে খুন, ধর্ষণসহ প্রায় দেড় ডজন মামলা রয়েছে। ছিনতাই চক্রের সদস্যরা গত পয়লা মার্চ রাজধানীর মালিবাগের একটি সড়কে প্রকাশ্যে রিকশা থামিয়ে অস্ত্র ঠেকিয়ে ছিনতাই করে। পরে এমন ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন অনেকে। তবে, ঘটনার আট দিন পর ছিনতাইয়ে জড়িত তিনজনকে গ্রেপ্তার করতে পেরেছে পুলিশ। শনিবার ডিএমপির সবুজবাগ জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার মো. রাশেদ হাসান এক সংবাদ সম্মেলনে ছিনতাইকারী চক্রের সদস্যদের গ্রেপ্তারের বিষয়ে বিস্তারিত জানান। তিনি বলেন, গ্রেপ্তার হওয়া তিনজন পেশাদার ছিনতাইকারী ও ডাকাত।
এরা রমনা, মালিবাগ, শাজাহানপুর ও মগবাজার এলাকায় ডাকাতি ও ছিনতাই করে। এদের মধ্যে ইউসুফ আলীর বিরুদ্ধে খুন, ছিনতাই, ডাকাতি ও ধর্ষণসহ ১৬ থেকে ১৭টি মামলা রয়েছে। জামিনে বের হয়ে একই ধরনের অপরাধ করে বলেও জানান  পুলিশের এই সহকারী কমিশনার। রাশেদ হাসান বলেন, পয়লা মার্চের ছিনতাইয়ের ঘটনার সময় মালিবাগের ওই রোডে থাকা সিসি ক্যামেরায় ঘটনাটির ভিডিও ধারণ করা হয়। অভিযোগ পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে ছিনতাইয়ের সঙ্গে জড়িতদের ধরতে কাজ শুরু করি। অভিযানের প্রথমে তাদের দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হওয়া দুজনের নাম ফরহাদ ফকির ও ইউসুফ আলী। পরে তাদের দেয়া তথ্য অনুযায়ী জসিম মাতব্বর নামে চক্রটির আরেক সহযোগীকেও গ্রেপ্তার করা হয়। গত পয়লা মার্চ সকাল দশটার দিকে মনির হোসেন নামে এক ব্যক্তি রিকশায় করে মালিবাগের প্রথম লেন দিয়ে যাচ্ছিলেন। এ সময় রিকশার পেছন দিক দিয়ে দৌড়ে রিকশার গতিরোধ করে দুই যুবক। রিকশা থামিয়ে তার কাছ থেকে মোবাইল ফোন, নগদ টাকা, ব্যাংকের ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ড ছিনিয়ে নেয় তারা। এরপর দুই যুবক প্যান্টের পেছনে অস্ত্র গুঁজে নিরাপদে ওই এলাকা ছেড়ে যায়। পুরো ঘটনাটি সেখানকার একটি বাসায় থাকা সিসি ক্যামেরায় ধারণ করা হয়। সেই ভিডিও ফেসবুকে ছেড়ে দেয়ার পর ভাইরাল হয়ে যায় দ্রুত।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর