× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ১৮ জুন ২০১৯, মঙ্গলবার

ক্যাম্পাসের চারদিকে ছিল কঠোর নিরাপত্তা

এক্সক্লুসিভ

শাহনেওয়াজ বাবলু | ১২ মার্চ ২০১৯, মঙ্গলবার, ১০:১২

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচন উপলক্ষে গতকাল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা নিরাপত্তার চাদরে ঘিরে রেখেছিল প্রশাসন। রোববার সন্ধ্যা ৬টা থেকে গতকাল সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কাজে জড়িতরা ছাড়া বহিরাগত কোনো ব্যক্তি কিংবা যানবাহনকে বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় প্রবেশ করতে দেয়া হয়নি। শিক্ষার্থীদেরও পরিচয়পত্র প্রদর্শন করে ক্যাম্পাসে প্রবেশ করতে হয়েছে। এ জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের শাহবাগ, নীলক্ষেত, পলাশী, জগন্নাথ হল, রুমানা ভবন মোড়, দোয়েল চত্বর ও শহীদুল্লাহ হল মোড়ে পুলিশ চেকপোস্ট বসানো ছিল। এসব স্পটে নিরাপত্তার দায়িত্বে র‌্যাব ও পুলিশ একযোগে কাজ করেছে। এ ছাড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় রোভার স্কাউট গ্রুপ, বিএনসিসি ও রেঞ্জার ডাকসু নির্বাচনের নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিল।
গতকাল সূর্য ওঠার পর থেকেই বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে ঢুকতে দেখা যায় অনাবাসিক শিক্ষার্থীদের। সকাল পৌনে ৭টার দিকে নীলক্ষেত এলাকা দিয়ে দলে দলে শিক্ষার্থীরা প্রবেশ করেন। প্রবেশপথ দিয়ে শুধু ভোটার ও নির্বাচন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা নিজ নিজ পরিচয়পত্র দেখিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ঢুকতে পেরেছেন।
প্রবেশ পথগুলোতে ব্যারিকেড দিয়েছিল পুলিশ।
সমাজ বিজ্ঞান বিভাগের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী নুরুল হোসাইন। তার ভোটকেন্দ্র এসএম হলে। তিনি থাকেন মিরপুরে। ভোট দেয়ার জন্য খুব ভোরেই চলে এসেছেন। সকাল ৭টায় নীলক্ষেত মোড়ে কথা হয় তার সঙ্গে। নুরুল হোসাইন বলেন, ডাকসু নির্বাচনের ভোটার হতে পেরে আমি গর্ববোধ করছি। আগেভাগে ভোট দেয়ার জন্য এত সকালে এসেছি। সাংবাদিকতা বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী আনজুম সুলতানা বলেন, ২৮ বছর পর ডাকসু নির্বাচন হচ্ছে। আর আমি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হিসেবে এই নির্বাচনের সাক্ষী হতে যাচ্ছি। সত্যিই রোমাঞ্চ লাগছে। তাই খুব ভোরে ভোট দিতে এসেছি।
পলাশী মোড়ে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা ওসি শামসুল হক বলেন, কাল রাত থেকেই আমি এখানে অবস্থান করছি। ডাকসু নির্বাচনকে ঘিরে সব ধরনের নিরাপত্তা দেয়ার জন্য প্রস্তুত ছিল আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এখানে যারাই আসছে আমরা তাদের আউডি কার্ড দেখে ক্যাম্পাসে প্রবেশ করতে দিচ্ছি। ক্যাম্পাসে যাতে কোনো বহিরাগত প্রবেশ করতে না পারে সেদিকে নজর রয়েছে আমাদের। বৈধ স্টিকার ছাড়া ক্যাম্পাস থেকে সব ধরনের যানবাহন সরিয়ে ফেলা হয়েছে। পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী রোববার সন্ধ্যা ৬টা থেকে এ নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করা হয়। যা গতকাল সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত বলবৎ থাকে। রোববার দুপুরে বহিরাগতদের ক্যাম্পাস এলাকা ছাড়তে মাইকিং করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। সন্ধ্যা পর্যন্ত টিএসসি, গ্রন্থাগার ও জনসমাগম জায়গাগুলোতে মাইকিং করা হয়। আবাসিক হলগুলোতে থাকা বহিরাগতদেরও হল ছাড়ার নির্দেশ দেয়া হয়।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সূত্রে জানা গেছে, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের চাহিদা অনুযায়ী ক্যাম্পাসের নিরাপত্তায় প্রায় আড়াই হাজার পুলিশ মোতায়েন ছিল। এ ছাড়া র‌্যাব ও বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা সাদা পোশাকে নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করেন। এদিকে, বিভিন্ন হলে ক্লোজ সার্কিট (সিসি) ক্যামেরা বসানো হয়। পুরো বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় মোট ১১৩টি সিসি ক্যামেরা নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ করেছে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর