× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ২৬ মার্চ ২০১৯, মঙ্গলবার

সত্যি বলারও সাহস পাচ্ছেন না মাহমুদুল্লাহ!

খেলা

স্পোর্টস রিপোর্টর | ১৩ মার্চ ২০১৯, বুধবার, ৮:৩৪

দেশের মাটিতে যে কোনো দলকে কাঁপিয়ে দিতে পারে বাংলাদেশ। টেস্ট, ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি সব ফরম্যাটে দেখাতে পারে দাপট। কিন্তু বিদেশের মাটিতে এখনো টাইগারদের পারফরম্যান্স উল্টোরথে। ওয়ানডেতে কিছুটা সাফল্য ধরা দিলেও টেস্টে যেন দেয়ালে পিঠ ঠেকার অবস্থা। বিশেষ করে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে তাদের মাটিতে টিম বাংলাদেশকে চেনাই কঠিন। এবার ওয়ানডেতে হোয়ায়াইট ওয়াশ হওয়ার পর টানা দুই টেস্টে হারলো ইনিংস ব্যবধানে। এবার শেষ ম্যাচ হারলেই আরো একবার হোয়াইটওয়াশের লজ্জা নিয়ে ফিরতে হবে দেশে। বিশেষ করে ওয়েলিংটন টেস্টের প্রথম দুই দিন ভেসে গিয়েছিল বৃষ্টিতে।
তৃতীয় দিন টসে হেরে ব্যাট করতে নামে মাহমুদুল্লাহ রিয়াদের দল। তবে ব্যাটিং- বোলিং ও ফিল্ডিং তিন বিভাগে  খেই হারিয়ে তিন দিনের ম্যাচেও কপালে জোটে লজ্জার ইনিংস ব্যবধানে হার। এমন বাজে পারফরম্যান্সের পর নিজেদের শক্তি ও সামর্থ্য নিয়ে সত্যি কথাটিও বলতে পারছেন না ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ। তিনি বলেন, ‘শুনতে হাস্যকর লাগবে, আসলে আরও ভালো করার সামর্থ্য রাখে এ দল। এই টেস্ট কিংবা হ্যামিল্টনে যেভাবে খেলেছি এর চেয়ে ভালো খেলার সামর্থ্য আমাদের আছে। সবাইকে নিজেদের মতো করে চিন্তা করতে হবে যে দলে কীভাবে অবদান রাখতে পারি। এটা ভাবনার বিষয়। কথা বলে লাভ নেই। কাজ করে দেখাতে হবে। যদি করতে পারি ১৭ বছর আগের ঘটনা আর আসবে না।’
২০০১ সালে নিউজিল্যান্ড সফরে প্রথম টেস্টে হ্যামিল্টনে বৃষ্টিতে ভেসে গিয়েছিল শুরুর দুই দিন। ম্যাচের তৃতীয় দিনে টসে জিতে আগে ব্যাটিংয়ে ৩৬৫/৯ সংগ্রহ নিয়ে ইনিংস ঘোষণা করে নিউজিল্যান্ড। জবাবে প্রথম ইনিংসে ২০৫ রান নিয়ে ফলোঅনে পড়ে (তিন দিনের ম্যাচে ফলোঅন এড়াতে কমপক্ষে ১৪৯ রানের ব্যবধানের প্রয়োজন হয়, পাঁচ দিনের ম্যাচে যা ১৯৯) বাংলাদেশ। আর দ্বিতীয় দফা ব্যাটিংয়ে ১০৮ রানে গুঁড়িয়ে গিয়ে ইনিংস ও ৫২ রানে হার দেখে টাইগাররা।

এবার ওয়েলিংটনে টসে হেরে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে ২১১ রানে অল আউট হয় বাংলাদেশ। সেদিনই ৩৮ রানে কিউইদের দুই উইকেটও তুলে নেয় বাংলাদেশ।  কিন্তু শেষ পর্যন্ত ৪৩২ রান তুলে ইনিংস ঘোষণা করে কেন উইলিয়ামসনের দল। রস টেইলর ডাবল সেঞ্চুরি ও হ্যানরি নিকোলস হাঁকান সেঞ্চুরি। কিন্তু নিউজিল্যান্ডের ২২১ রানের লিডও টপকাতে ব্যর্থ হয় টাইগার ব্যাটসম্যানরা দ্বিতীয় ইনিংসে। বলার অপেক্ষা রাখেনা ব্যাটিং ব্যর্থতায় দুই ইনিংসেও ছুতে পারেনি কিউইদের এক ইনিংসে করা রান। তবে নিজেদের মানসিকতার উন্নতি হয়েছে বলেও বিশ্বাস করেন অধিনায়ক। মাহমুদুল্লাহ বলেন, ‘গ্রাফ অনুযায়ী আমাদের খেলোয়াড়দের মানসিকতা ও স্কিলে অনেক উন্নতি হয়েছে। এ ধরনের কন্ডিশনে ভালো করতে হলে আমাদের আরও মানসিকভাবে শক্ত হতে হবে। প্রথম টেস্টের আগে বলেছিলাম আমাদের ইতিবাচক থাকতে হবে। শুরু থেকেই যদি চিন্তা করি যে সুইং হবে, আউট হয়ে যেতে পারি, তাহলে তো নিজেই নিজের কাছে হেরে গেলাম। যদি অন্তত ইতিবাচক থাকেন তাহলে আপনার ভালো করার সম্ভাবনা বেড়ে যাবে। এখনো একই বার্তা থাকবে।’

শুধু বাজে ব্যাটিংই নয় দ্বিতীয় টেস্টে হারের কারণ যাচ্ছে তাই ফিল্ডিংও। বিশেষ করে ডাবল সেঞ্চুরি হাঁকানো রস টেইলর ব্যক্তিগত ২০ রানে পেয়েছেন দুই দুইবার জীবন। ক্যাচ দিলে তা ধরতে ব্যর্থ হন ফিল্ডার। ক্যাচ ফসকায় অধিনায়ক রিয়াদের হাতেও। তা নিয়ে তার আক্ষেপও কম নয়। তিনি বলেন, আমি ক্যাচ (টেইলরের) ফেলেছি, স্লিপে আরও একটি পড়েছে। ঐ ক্যাচটা নিতে পারলে গল্পটা অন্যরকম হতে পারতো। খুবই হতাশ। আমরা আরও ভালো করতে পারতাম। আমরা এর থেকেও ভালো দল। পরের টেস্টে আমাদের আরও দ্রুত নিজেদের মানিয়ে নিতে হবে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর