× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ২৪ মে ২০১৯, শুক্রবার

দেশের সব প্রেক্ষাগৃহ বন্ধের ঘোষণা

বিনোদন

স্টাফ রিপোর্টার | ১৪ মার্চ ২০১৯, বৃহস্পতিবার, ৭:৫৯

দীর্ঘদিন ধরেই বাংলাদেশের চলচ্চিত্র ব্যবসা বেহাল। নিয়মিত ছবি দেখতেও দর্শক এখন প্রেক্ষাগৃহে যাচ্ছেন না। এরইমধ্যে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র প্রদর্শক সমিতি আগামী ১২ই এপ্রিল থেকে তাদের আওতাধীন দেশের সব প্রেক্ষাগৃহ বন্ধের ঘোষণা দিয়েছেন। এ সংখ্যা ১৭৪। গতকাল সকাল ১১টায় সেগুনবাগিচাস্থ ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে লিখিত এক বক্তব্যে এ তথ্য জানান মধুমিতা সিনেমা হলের অন্যতম কর্ণধার ও বাংলাদেশ চলচ্চিত্র প্রদর্শক সমিতির সভাপতি ইফতেখার উদ্দিন নওশাদ। ‘সিনেমা হল বাঁচলেই চলচ্চিত্র শিল্প বাঁচবে’-শীর্ষক এই সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন প্রদর্শক সমিতির প্রধান উপদেষ্টা সুদীপ্ত কুমার দাস, সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান উপদেষ্টা মিয়া আলাউদ্দিন, আরেক উপদেষ্টা মির্জা আবদুল খালেক, চট্টগ্রাম প্রদর্শক সমিতির সভাপতি আবুল হোসেনসহ আরো অনেকে। প্রেক্ষাগৃহ বন্ধের ঘোষণার বিষয়ে প্রদর্শক সমিতির সভাপতি ইফতেখার উদ্দিন নওশাদ লিখিত এক বক্তব্যে বলেন, চলচ্চিত্রের দুরবস্থা কাটিয়ে উঠার সম্ভাব্য উপায় নিয়ে আমরা মাননীয় তথ্যমন্ত্রী এবং তথ্যসচিবের সঙ্গে বৈঠক করেছি। কিন্তু তারা সুনির্দিষ্টভাবে বাংলাদেশের প্রেক্ষাগৃহগুলোকে বাঁচানোর কিংবা দেশীয় ছবির উৎপাদন বাড়ানো এবং উপমহাদেশীয় ছবি আমদানির বাধাসমূহ অপসারণের কোনো কার্যকর পথনির্দেশ দিতে পারেননি। বাংলাদেশে প্রেক্ষাগৃহ ১২৩৫ থেকে ১৭৪-এ নেমে এসেছে। দীর্ঘ ৪৭ বছর পরও বেশির ভাগ ছবির গুণগত মান নিচের দিকে যাচ্ছে। এটা সত্য যে পাকিস্তান আমলে ভারতীয় বাংলা বা হিন্দি এবং পাকিস্তানি ছবির সঙ্গে পাল্লা দিয়ে ব্যবসা করেছে বাংলা ছবি। তেমনি শিল্পমান সম্পন্ন ছবিও হয়েছে। প্রতিযোগিতার অভাবে ছবির গুণগত মান নিম্নমুখী হয় এটাই বাস্তব সত্য। দীর্ঘদিন প্রদর্শক ও প্রযোজকের পুঁজি ধ্বংস হয়েছে, প্রেক্ষাগৃহের ৫০ হাজার শ্রমিক বেকার হয়েছে। চলচ্চিত্রের বাজার নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। তাই আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি আগামী ১২ই এপ্রিল থেকে দেশের সব প্রেক্ষাগৃহ বন্ধ করে দেব। এটাই এখন আমাদের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর