× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ২৪ মার্চ ২০১৯, রবিবার

ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ খেলার জায়গা না

শেষের পাতা

অর্থনৈতিক রিপোর্টার | ১৪ মার্চ ২০১৯, বৃহস্পতিবার, ৯:৪৫

খেলাপি ঋণ নিয়ে ব্যাংকারদের সতর্ক করে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেছেন, কোনো ক্ষেত্রেই যেন নন পারফরমিং লোন না বাড়ে। যারা বোঝে না তাদের ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদে রাখব না, এটা খেলার জায়গা না। প্রয়োজনে পর্ষদে পরিবর্তনের ব্যবস্থা করা হবে। গতকাল ঢাকার কৃষিবিদ ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে জনতা ব্যাংকের বার্ষিক সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। জনতা ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান লুনা সামসুদ্দোহার সভাপতিত্বে এ অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে অর্থ বিভাগের সচিব আব্দুর রউফ তালুকদার, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব মো. আসাদুল ইসলাম বক্তব্য দেন।

পরিচালক নিয়োগে অনেক সুপারিশ সামলাতে হয় জানিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, অভিজ্ঞতা ছাড়া কোনো পরিচালক নিয়োগ দেয়া হবে না। অর্থমন্ত্রী ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে দেশের অর্থনীতির ‘সবচেয়ে দুর্বল জায়গা’ হিসেবে চিহ্নিত করেন। ব্যাংক কর্তৃপক্ষের উদ্দেশে তিনি বলেন, একজন অসাধু অফিসার আপনাদের সাফল্য ম্লান করে দেবে।
১০টি ভালো কাজ করেন, একটি খারাপ কাজ বলবেন- ‘সব নিয়ে চলে গেছে’। যিনি অন্যায় করেন আর অন্যায়কে সহায়তা করেন- অপরাধ তো একই রকম। মন্ত্রী জানান, অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধীন সব প্রতিষ্ঠান দুর্নীতিতে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতিতে চলবে বলে তিনি প্রধানমন্ত্রীকে আশ্বস্ত করেছেন।

এ কারণে ব্যাংক কর্মকর্তাদের দুর্নীতি না করার বিষয়ে আনুষ্ঠানিক শপথ করাতে চান তিনি। ব্যাংক কর্মকর্তাদের সতর্ক করে তিনি বলেন, যারা অসাধু ব্যবসায়ী, তাদের সঙ্গে কিন্তু আমরাও থাকি। আমরা যারা আছি তাদেরকেও কিন্তু কোনোভাবে ছাড় দেয়া হবে না। যারা তাদের প্রশ্রয় দিয়েছে তাদের বের করা খুব কঠিন না। তবে অপরাধ স্বীকার করলে ক্ষমা করে দেয়া হবে মন্তব্য করে অর্থমন্ত্রী বলেন, সবাইকে সঠিক করে ঠিক পথে নিয়ে আসব। কেউ অপরাধ করে এলে, ভিন্ন পথে যদি টাকা নিয়ে থাকে- তা যদি ফেরত দিতে পারে, গোপনে আমাকে বললেও মাফ করে দেব। যারা ব্যবসার পরিবেশ পরিস্থিতির কারণে ‘খারাপ অবস্থানে’ চলে গেছেন, তাদের সহায়তা করারও প্রতিশ্রুতি দেন অর্থমন্ত্রী।

সম্মেলনে গভর্নর ফজলে কবির ব্যাংকারদের উদ্দেশে বলেন, শীর্ষ খেলাপিদের সঙ্গে আলোচনায় বসতে হবে, খেলাপি ঋণের পরিমাণ কমিয়ে আনতে পলিসি গ্রহণ করতে হবে। খেলাপি ঋণের মামলা না করে আদায়ের চেষ্টা করবেন। মামলা করবেন অবশ্যই, তবে কুইক ডিসপোজেবলের জন্য নয়। ঋণ দেয়ার সময়ই সতর্ক হয়ে দিতে হবে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর