× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ১৮ জুন ২০১৯, মঙ্গলবার

রোহিঙ্গা দেখভালে এনজিও কর্তাদের হোটেল বিল ‘দেড়শ কোটি টাকা’

শেষের পাতা

স্টাফ রিপোর্টার | ১৪ মার্চ ২০১৯, বৃহস্পতিবার, ৯:৪৬

টেকনাফের রোহিঙ্গা ক্যাম্পে এনজিওগুলো অসৎ উদ্দেশ্য নিয়ে কাজ করছে বলে মন্তব্য করেছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক। বলেন, আমরা লক্ষ্য করছি যে, রোহিঙ্গা ক্যাম্পে কিছু এনজিও আছে, যারা ইল মোটিভ (অসৎ উদ্দেশ্য) নিয়ে কাজ করছে। আমাদের গোয়েন্দা রিপোর্টে তা উঠে এসেছে। গতকাল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সভা শেষে ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন। মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হকের সভাপতিত্বে ওই সভা সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত চলে। জাতীয় নির্বাচনের পর এটিই আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক মন্ত্রিসভা কমিটির প্রথম সভা।

আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেন, আপনারা শুনলে অবাক হবেন যে, গত সেপ্টেম্বরের পর থেকে এ পর্যন্ত এনজিওগুলো আবাসিক হোটেলগুলোর বিলই দিয়েছে দেড়শ’ কোটি টাকার উপরে। ফ্ল্যাট ও বাসাবাড়ি ভাড়া দিয়েছে প্রায় আট কোটি টাকা। বিদেশ থেকে টাকা এনে খরচ করার কথা রোহিঙ্গাদের জন্য, অথচ সেই টাকার ২৫ ভাগও তাদের জন্য খরচ হয় না।
৭৫ ভাগই খরচ হয় যারা দেখাশোনার জন্য আসেন তাদের পেছনে। এটা খুবই দুঃখজনক। এই এনজিওগুলোকে চিহ্নিত করার জন্য গোয়েন্দা সংস্থাগুলোকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। ভাষানচরে রোহিঙ্গাদের স্থানান্তরের বিষয়ে বিদেশি কিছু সংস্থার মতামতের বিষয়ে জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, আমাদের দায়িত্ব কী? সরকারের দায়িত্ব হচ্ছে, যাদের আশ্রয় দিয়েছি, তাদের নিরাপত্তা, খাদ্য ও মানবিক বিষয়গুলো দেখাশোনা করা। তাদের কোথায় রাখবে, ভাষানচরে নেবে- কি নেবে না, সেটা বাংলাদেশ সরকারের নিজস্ব ব্যাপার।

এনজিওগুলোর দেখার বিষয় রোহিঙ্গাদের মানবিক বিষয়গুলো সরকার দেখছে কিনা। সে ব্যাপারে তাদের মতামত থাকলে সরকার বিবেচনা করবে। মন্ত্রী বলেন, আমরা গুরুত্ব দিচ্ছি দুইটার ব্যাপারে, একটা হচ্ছে মাদকদ্রব্য ব্যবহারকারী যারা, তাদের চিহ্নিত করে ধরা এবং নিরাময় কেন্দ্রগুলো কীভাবে আরো বাড়ানো যায়, সেদিকে গুরুত্ব দেয়া। নিরাময় কেন্দ্র অপ্রতুল, যারা ভালো হতে চান, তাদের চিকিৎসা যাতে নিশ্চিত করতে পারি, সেজন্য এগুলো বাড়ানোর ওপর জোর দিচ্ছি। ঢাকার যানজট নিয়ন্ত্রণের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, আগামী মিটিংয়ে ঢাকার দুই মেয়রকে মিটিংয়ে উপস্থিত থাকার জন্য আমরা আহ্বান করবো। কারণ উনাদের সক্রিয় সহযোগিতা ছাড়া ঢাকা শহরের যানজট নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়। অনেক কাজ সিটি করপোরেশনেরও রয়েছে।  আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে তিনি বলেন, দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অনেক ভালো। তারপরও সন্ত্রাসী ও জঙ্গিরা যাতে কোনও নাশকতা চালাতে না পারে, সেজন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে কঠোরভাবে নজরদারি করতে বলা হয়েছে। বৈঠকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, আইনমন্ত্রী আনিসুল হকসহ মন্ত্রিসভা কমিটির অন্য সদস্য ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীগুলোর শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর