× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ২৪ মার্চ ২০১৯, রবিবার

সাজা স্থগিত ও জামিন চেয়ে খালেদার লিভ টু আপিল

শেষের পাতা

স্টাফ রিপোর্টার | ১৫ মার্চ ২০১৯, শুক্রবার, ১০:১০

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় হাইকোর্টের দেয়া ১০ বছরের সাজার রায় স্থগিত চেয়ে লিভ টু আপিল (আপিলের অনুমতির আবেদন) করেছেন কারাবন্দি বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। আপিলে একইসঙ্গে জামিনও চেয়েছেন সাবেক এ প্রধানমন্ত্রী।বুধবার আপিল বিভাগের সংশ্লিষ্ট শাখায় লিভ টু আপিলটি দায়ের করেন আইনজীবী জয়নুল আবেদীন তুহিন। বৃহস্পতিবার আপিলের বিষয়টি জানান খালেদা জিয়ার আইনজীবী কায়সার কামাল।

সাংবাদিকদের কায়সার কামাল বলেন, ‘অন্যায্যভাবে বিএনপি চেয়ারপারসনের সাজার মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে। আমাদের যুক্তি না শুনে রায় দেয়া হয়েছে। লিভ টু আপিলে সাজা স্থগিত ও জামিন চেয়েছি। আশা করছি আপিলে ন্যায় বিচার পাব।’

আপিলের শুনানি কখন হতে পারে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘সুপ্রিম কোর্টের উভয় বিভাগের অবকাশ শুরু হবে ১৮ই মার্চ থেকে। অবকাশ শেষে শুনানি হতে পারে।’

২০১৮ সালের ৩০শে অক্টোবর জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় বিচারিক আদালতের সাজার বিরুদ্ধে খালেদা জিয়ার করা আপিল খারিজ করে দেন হাইকোর্ট।
অন্যদিকে সাজা বাড়াতে দুর্নীতি দমন কমিশনের করা রিভিশন আবেদন মঞ্জুর করে খালেদা জিয়ার সাজা ৫ বছর থেকে বাড়িয়ে ১০ বছর করেন বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমান সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চ। রায় ঘোষণার সময় খালেদা জিয়ার পক্ষে কোনো আইনজীবী আদালতে উপস্থিত ছিলেন না। গত ২৮শে জানুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় হাইকোর্টে করা আপিলের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশিত হয় সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে।

এর আগে একই বছরের ৮ই ফেব্রুয়ারি ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেন। রায়ে খালেদা জিয়ার বড় ছেলে ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন তারেক রহমান, সাবেক সংসদ সদস্য কাজী সালিমুল হক কামাল, সাবেক মুখ্য সচিব ড. কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী, ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদ ও জিয়াউর রহমানের ভাগ্নে মমিনুর রহমানকে ১০ বছর করে কারাদণ্ড দেয়া হয়। রায়ে খালেদা জিয়াসহ ছয় আসামির প্রত্যেককে ২ কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৪৩ টাকা ৮০ পয়সা অর্থদণ্ড দেয়া হয়েছিল। ২০শে ফেব্রুয়ারি বিচারিক আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আপিল করেন খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর