× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ২৪ মার্চ ২০১৯, রবিবার
বিশ্বজুড়ে সার্ভার ডাউন

ইতিহাসের সবচেয়ে বড় বিভ্রাটে ফেসবুক

শেষের পাতা

মানবজমিন ডেস্ক | ১৫ মার্চ ২০১৯, শুক্রবার, ১০:১০

বিশ্বজুড়ে ফেসবুক ব্যবহারকারীদের মাথায় হাত। কোনোমতেই তারা নিজের অ্যাকাউন্টে প্রবেশ করতে পারছিলেন না বুধবার। এতে আতঙ্কিত হয়ে তাদের নিঃশ্বাস বন্ধ হওয়ার উপক্রম। আতঙ্ক দেখা দেয়, অ্যাকাউন্ট হ্যাকের। এমনটা হলে বেরিয়ে পড়তে পারে অনেক গোপন তথ্য। এ ভয়ে থরথর করে কাঁপতে থাকেন ফেসবুকের অসংখ্য ব্যবহারকারী। এ ঘটনার শিকারে পরিণত হয়েছেন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ইন্সটাগ্রাম ও হোয়াটসঅ্যাপ
ব্যবহারকারীরাও। ফলে বুধবার ফেসবুক ইনকরপোরেশন স্বীকার করেছে, বিশ্বজুড়ে তাদের অনেক ব্যবহারকারী ইন্সটাগ্রাম, হোয়াটসঅ্যাপ ও ফেসবুকের অ্যাপ ব্যবহার করতে পারছিলেন না।
নিকট অতীতে এত বড় বিঘ্ন এ কোম্পানিতে আর কখনো ঘটেনি।

এ অবস্থায় ক্যালিফোর্নিয়াভিত্তিক দ্য মেনলো পার্ক টুইটার ব্যবহারকারীদের প্রতি জানায়, তারা সমস্যা সমাধানের জন্য কাজ করে যাচ্ছে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে ব্যবহারকারীরা ১০ ঘণ্টারও বেশি সময় কোনো মেসেজ বা ছবি পোস্ট করতে পারছিলেন না। তাই যত দ্রুত সম্ভব তারা সমস্যার সমাধান করার প্রত্যয় ঘোষণা করে। এক্ষেত্রে আশ্বস্ত করা হয় যে, অ্যাকাউন্টগুলো হ্যাক হয় নি। এমন অবস্থায় যুক্তরাষ্ট্রের কিছু অংশ, জাপান ও ইউরোপের কিছু অংশের ব্যবহারকারীরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রবেশ করতে পারছিলেন না। ডাউন ডিটেকটর-এর ম্যাপে এমনটা বলা হয়েছে। এ অবস্থায় ফেসবুকে মার্কেটিং করে এমন অনেক ব্র্যান্ড সহ ফেসবুকের অন্যান্য ব্যবহারকারীরা টুইটারে ক্ষোভ প্রকাশ করে। সেখানে তারা হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করে এই ক্ষোভ জানায়। এর নাম দেয়া হয় #ফেসবুক ডাউন হ্যাশট্যাগ।

অনলাইন বিবিসি লিখেছে, বুধবার বিশ্বজুড়ে ব্যবহারকারীরা যে দুর্ভোগের শিকারে পরিণত হয়েছিলেন তা ইতিহাসে আর ঘটেনি। সর্বশেষ প্রায় একই মাত্রায় বিঘ্ন ঘটেছিল ফেসবুকে ২০০৮ সালে। ওই সময় এই সাইটের ব্যবহারকারী ছিলেন ১৫ কোটি। আর এখন তার ব্যবহারকারী মাসে ২৩০ কোটি।  ফেসবুকের দুটি প্রধান অনুষঙ্গ হলো দুটি ম্যাসেজিং অ্যাপ এবং ছবি শেয়ারিং সাইট ইন্সটাগ্রাম। এসবই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এদিন। তবে কেন এমনটা হয়েছে তা এখনো জনসমক্ষে প্রকাশ করা হয় নি। ফেসবুক এক বিবৃতিতে বলেছেন, কিছু মানুষ বর্তমানে ফেসবুক পরিবারের অ্যাপগুলোতে প্রবেশে অসুবিধার সম্মুখীন হচ্ছেন। এ বিষয়টি আমরা অবগত। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব আমরা এ সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করে যাচ্ছি।

এ নিয়ে অন্যান্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ক্ষোভ, গুজব ছড়িয়ে পড়ে। এর প্রেক্ষিতে ফেসবুক বলেছে, ডিস্ট্রিবিউটেড ডিনায়েল অব সার্ভিস (ডিডিওএস)-এ আক্রমণের ফলে এমনটা ঘটে নি। উল্লেখ্য, বিপুল সংখ্যক অ্যাকাউন্ট হ্যাক করতে এ ধরনের আক্রমণ হয়ে থাকে। গ্রিনিচ মান সময় বুধবার বিকাল ৪টার দিকে শুরু হয় এই অবস্থা। এ সময়ে ফেসবুকের মূল পেজে কোনো কিছু পোস্ট দিতে গেলে সমস্যা দেখাতে থাকে। বলা হয়, কিছু ত্রুটির জন্য পোস্ট দেয়া যাচ্ছে না।

যারা ইন্সটাগ্রামে ছিলেন তারা রিফ্রেস দিতে পারছিলেন না। কোনো নতুন পোস্টও দিতে পারছিলেন না। ফেসবুক ম্যাসেঞ্জারের ডেস্কটপ সংস্করণ লোড হচ্ছিল না। তবে মোবাইলে চালু করা এই অ্যাপটি কিছু  মেসেজ পোস্ট করতে অনুমোদন করছিল। তবে ছবিসহ অন্য কোনো কিছু পোস্ট দিতে গেলেই যত সব বিপত্তি বাধছিল। একই সমস্যায় পড়ে ফেসবুকের আরেকটি ম্যাসেজিং অ্যাপ হোয়াটসঅ্যাপ।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর